Main Menu

যমুনা সিকিউরিটি’র মালিক জাহাঙ্গীর আলম গ্রেপ্তার

বৈশাখী নিউজ ডেস্ক : সিলেট ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ওয়ার্ড বয়-এর উপর হামলার ঘটনায় যমুনা সিকিউরিটি কোম্পানীর মালিক (প্রোপাইটর) জাহাঙ্গীর আলমকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। সোমবার (৩০ মে) দিবাগত রাতে নগরীর কাজশাহ বাগবাড়িস্থ বাসা থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়।

গত ২৩ মে রাতে ওসমানী মেডিকেল রোডস্থ আল-মামুন রেস্টেুরেন্টের সামনে হামলার এ ঘটনা ঘটে। আহত ওয়ার্ড বয়কে ওসমানী হাসপাতালে ভর্তি করে তার সার্জারি করা হয়। এ ঘটনায় গুরুতর আহত ওয়ার্ড বয় দুলাল মিয়া’র ভাই এখলাছুর রহমান বাদী হয়ে গত ২৮ মে সিলেট কোতোয়ালি মডেল থানায় একটি মামলা করেন। মামলায় যমুনা সিকিউরিটি কোম্পানীর মালিক (প্রোপাইটর) জাহাঙ্গীর আলম ও তার পুত্রসহ ৩ জনকে এজাহারভুক্ত আসামী করা হয়। মামলা নং ৬৪(৫)২২।

সিলেট কোতোয়ালি মডেল থানা ও হাসপাতাল সূত্রে জানা যায়, সিলেট ওসমানী হাসপাতালে বুশরা সিকিউরিটি প্রইভেট লিঃ ও যমুনা সিকিউরিটি সার্ভিসের লোকজন চুক্তিমূলে ওয়ার্ড বয় ও সিকিউটির কাজ করে থাকে। গত ২৩ মে যমুনা সিকিউরিটির ওয়ার্ড বয় রইছ উদ্দিন ও বুশরা সিকিউরিটির ওয়ার্ড বয় দুলাল মিয়ার মধ্যে ডিউটিসহ বিভিন্ন অনিয়ম নিয়ে কথা কাটাকাটি হয়। এসময় যমুনা কোম্পানীর নিযুক্ত ওয়ার্ড বয় রইছ উদ্দিন প্রতিপক্ষ দুলাল মিয়াকে হত্যার হুমকি দেয়। এতে দুলাল মিয়া যমুনা সিকিউরিটি’র প্রোপাইটর জাহাঙ্গীর আলমের কাছে বিচার প্রার্থী হন। বিচারপ্রার্থী হওয়ায় যমুনা সিকিউরিটির ওয়ার্ড বয় রইছ উদ্দিন ও প্রোপাইটর জাহাঙ্গীর আলম এবং জাহাঙ্গীরের পুত্র রাকিব আহমদ ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠে। তারা দুলাল মিয়াকে ওসমানী হাসপাতাল রোডস্থ আল-মামুন রেস্টেুরেন্টের সামনে পেয়ে ধারলো অস্ত্র দিয়ে কোপিয়ে তার ঘাড়ে ও শরীরের বিভিন্ন অঙ্গে গুরুতর এবং গভীরতর জখম করে। উপস্থিত লোকজন মুমুর্ষ অবস্থায় দুলাল মিয়াকে ওসমানী হাসপাতালে ভর্তি করেন। অবস্থা গুরুতর হওয়ায় দুলাল মিয়ার শরীরে অস্ত্রোপচার (সার্জারী) করা হয়। পরে দুলাল মিয়া ওসমানী হাসপাতালের ৩য় তলাস্থ ১১ নং ওয়ার্ডে ভর্তি করা হয়।

এ ঘটনার মামলায় যমুনা সিকিউরিটি কোম্পানীর প্রোপাইটর জাহাঙ্গীরকে গ্রেফতার করা হলে মঙ্গলবার তাকেরে জেলহাজতে প্রেরণ করা হয়। আদালতের জেনারেল রেজিস্ট্রার অফিসার (জিআরও) গ্রেফতারকৃত জাহাঙ্গীরকে জেল হাজতে প্রেরণের সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।

যমুনা সিকিউরিটি কোম্পানীর মালিক (প্রোপাইটর) জাহাঙ্গীর আলম ওসমানী হাসপাতালে সবেতনে সিকিউরিটি গার্ড ও ওয়ার্ড বয় দেওয়ার চুক্তি করে হাসাপাতাল থেকে তাদের বেতন ও সেবা বাবদ টাকা গ্রহণ করেন। বর্তমানে হাসপাতালে যমুনা সিকিউরিটি কোম্পানীর ৭০ জন সিকিউরিটি গার্ড ও ৪০ জন ওয়ার্ড বয় কর্মরত রয়েছেন।

Share





Related News

Comments are Closed