Main Menu

শাবিতে ভিসির পদত্যাগ দাবিতে মিছিল সমাবেশ

Manual1 Ad Code

শাবি প্রতিনিধি: শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (শাবিপ্রবি) উপাচার্য অধ্যাপক ফরিদ উদ্দিন আহমেদ—এর পদত্যাগ দাবিতে আন্দোলন অব্যাহত রেখেছে শিক্ষার্থীরা। আন্দোলন কর্মসূচির অংশ হিসেবে বুধবার (৯ ফেব্রুয়ারি) বিকালে বিশ্ববিদ্যালয়ের গোলচত্বর থেকে প্ল্যাকার্ড হাতে নিয়ে মিছিল শুরু করেন শিক্ষার্থীরা। মিছিলটি ক্যাম্পাসের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ জায়গা প্রদক্ষিণ করে একই জায়গায় এসে সমাবেশে মিলিত হয়।

Manual4 Ad Code

এসময় তাদের প্ল্যাকার্ডে বিভিন্ন স্লোগান লিখা দেখা যায়। ‘যেই ভিসি বোমা মারে, সেই ভিসি চাই না। ‘অবিলম্বে মিথ্যা মামলা প্রত্যাহার করো’। ‘আমার ঘর আমার দোর, তুই কোথাকার ভুঁইফোড়’। ‘স্বৈরাচারের বিরুদ্ধে, ডাইরেক্ট একশন’। ‘পতন পতন পতন চাই, উপচার্যের পতন চাই’। ‘ফরিদ হটাও, শাবি বাঁচাও’ প্ল্যাকার্ড নিয়ে আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা মিছিল করে।

সমাবেশে জাহেদুল ইসলাম অপুর্ব বলেন, ‘আমাদের দাবি মেনে নেওয়ার প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছে ২৬ জানুয়ারিতে, ১৩ দিন পার হয়ে গিয়েছে, এখনও আমাদের সকল দাবি মেনে নেওয়ার দৃশ্যমান কোন পদক্ষেপ পরিলক্ষিত হচ্ছে না। শাবিপ্রবির শিক্ষার্থীদের উপর করা ২টি বানোয়াট মামলা এখনো তুলে নেয়া হয়নি। শিক্ষার্থীদের ব্যক্তিগত নম্বর, বিকাশ, নগদ একাউন্টসহ অনলাইন লেনদেনের মাধ্যমগুলো বন্ধ করে দেওয়ার পর দুই-একটি বাদে সেসবের প্রায় সবগুলোই এখনো বন্ধ আছে। বৃহস্পতিবার আমরা গত ১৬ জানুয়ারী থেকে এখন পর্যন্ত শিক্ষার্থীদের সাথে যত অন্যায় হয়েছে, অত্যাচার হয়েছে, তার প্রতিবাদে শিক্ষার্থীরা যে অনন্য প্রতিরোধ গড়ে তুলেছে তার সচিত্র প্ল্যাকার্ড নিয়ে মিছিল করব। যারা নিরব থেকে আমাদের দাবি মেনে নেওয়ায় বিলম্ব করছে, তাদের আমরা স্মরণ করিয়ে দিতে চাই, আমাদের শরীরে লাঠি, বুলেট, বোমার সকল আঘাত, জখম, ঝরা রক্ত আমাদের মনে অক্ষয় শক্তির যোগান দিয়ে অঙ্গার হয়ে জ্বলছে। ফরিদদের পতন না হলে এই অঙ্গার দাবানলে পরিণত হবে। এই ভিসি পদত্যাগ না করা পর্যন্ত আমাদের আন্দোলন অব্যাহত থাকবে’।

Manual2 Ad Code

প্রসঙ্গত, গত ১৩ জানুয়ারি একটি হলের প্রভোস্টকে কেন্দ্র করে শিক্ষার্থীদের এ আন্দোলনের সূত্রপাত হয়। এদিন রাতে বিশ্ববিদ্যালয়ের বেগম সিরাজুন্নেসা চৌধুরী হলের প্রাধ্যক্ষ জাফরিন আহমেদের বিরুদ্ধে অসদাচরণের অভিযোগ তুলে তার পদত্যাগসহ তিন দফা দাবিতে আন্দোলন শুরু করেন এ হলের ছাত্রীরা। পরে ১৫ জানুয়ারি সন্ধ্যায় ছাত্রলীগের কর্মীরা ছাত্রীদের আন্দোলনে হামলা চালালে, পরের দিন হামলার প্রতিবাদ ও একই দাবিতে আন্দোলন চালিয়ে যান শিক্ষার্থীরা। এদিন বিকেলে বিশ্ববিদ্যালয়ের আইআইসিটি ভবনে উপাচার্যকে অবরুদ্ধ করেন। তখন শিক্ষার্থীদের ওপর লাঠিপেটা, শটগান, গুলি ও সাউন্ড গ্রেনেড ছোড়ে পুলিশ। ওই দিন রাতে অনির্দিষ্টকালের জন্য ক্যাম্পাস ও হল বন্ধ করে দেয় বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। এরপর থেকেই উপাচার্যের পদত্যাগের দাবিতে আন্দোলন করে আসছেন সাধারণ শিক্ষার্থীরা।

Manual7 Ad Code

Share





Related News

Comments are Closed

Manual1 Ad Code
Manual6 Ad Code