Main Menu
শিরোনাম
শাবির ঘটনা তদন্তে কমিটি গঠন, ভিসির পদত্যাগ দাবি         মধ্যরাতেও ভিসির পদত্যাগের দাবিতে উত্তাল শাবি         শাবিপ্রবি অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ ঘোষণা         তাহিরপুরে অবৈধ কোয়ারীর মাটি চাপায় শ্রমিককের মৃত্যু         শাবিতে আন্দোলনরত শিক্ষার্থি-পুলিশ সংঘর্ষ, আহত ৩০         বিয়ানীবাজারে মোটরসাইকেলের ধাক্কায় ১জনের মৃত্যু         ‘সম্পত্তির লোভে ছেলে-পুত্রবধূর ষড়যন্ত্রে দিশেহারা সৌদিফেরত জমসেদ আলী’         কানাইঘাটে সাংবাদিকের হাত-পায়ে কুপিয়েছে সন্ত্রাসীরা         শাবির উপাচার্যকে অবরুদ্ধ করে রেখেছে আন্দোলনরত শিক্ষার্থিরা         সিলেটে একদিনে আরো ১৪৮ জনের করোনা শনাক্ত         ক্লাস-পরীক্ষা বর্জনের ঘোষণা শাবি শিক্ষার্থীদের         বিয়ের প্রলোভনে গৃহবধূকে ‘ধর্ষণ’, গ্রেপ্তার ১        

নিয়মিত খেজুর খেলে মিলবে মুক্তি

লাইফস্টাইল ডেস্ক : রোজায় ইফতারে প্রত্যেকেই কম বেশি খেজুর খেয়ে থাকেন। তবে শুধু রোজা নয়, চাইলে পুষ্টিগুণে ভরপুর এ ফলটি সারা বছরই খাওয়া যায়। এ ছাড়াও খেজুরে আছে নানা ধরনের ঔষধি গুণ যা অনেকেরই হয়তো অজানা।

পুষ্টিগুণ সম্পন্ন খেজুরে রয়েছে ভিটামিন, আঁশ, ক্যালসিয়াম, আয়রন, ফসফরাস, পটাশিয়াম, ম্যাগনেশিয়াম ও জিঙ্ক। পুষ্টিবিদদের মতে, শরীরের প্রয়োজনীয় আয়রনের অনেকটাই খেজুর থেকে আসে। এ ছাড়া ডায়াবেটিস থাকলে প্রচলিত খেজুরের বদলে শুকনো খেজুরকে ডায়েটে রাখতে বলেন বিশেষজ্ঞরা।

এ ছাড়াও সুস্বাদু ও শক্তির অন্যতম উৎস এ ফলটি হলো ফ্রুকটোজ ও গ্লাইসেমিক সমৃদ্ধ। এটি রক্তে শর্করার পরিমাণ বাড়ায়। খেজুর ফলকে চিনির বিকল্প হিসেবে ধরা হয়ে থাকে। খেজুরের পুষ্টি উপাদান সম্পর্কে বলা হয় চারটি বা ৩০ গ্রাম পরিমাণ খেজুরে আছে ৯০ ক্যালোরি, এক গ্রাম প্রোটিন, ১৩ মিলি গ্রাম ক্যালসিয়াম, ২.৮ গ্রাম ফাইবার এবং আরও অন্যান্য পুষ্টি উপাদান। আর খেজুরে আছে প্রচুর ভিটামিন বি, যা ভিটামিন বিসিক্স মস্তিষ্কের কার্যক্ষমতা বৃদ্ধিতে সহায়ক।

খেজুরে থাকা অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট শরীরে রোগ-প্রতিরোধের ক্ষমতা বাড়ায়। আর এতে ফাইবার থাকায় ডায়েটেও রাখা পারে নিশ্চিন্তে। প্রতিটি খেজুরে রয়েছে ২০ থেকে ২৫ মিলিগ্রাম ম্যাগনেসিয়াম, যা উচ্চ রক্তচাপ কমাতে সাহায্য করে।

এদিকে রক্তস্বল্পতায় ভোগা রোগীরা প্রতিদিন খেজুর খেতে পারেন। একজন সুস্থ মানুষের শরীরে যতটুকু আয়রন প্রয়োজন, তার প্রায় ১১ ভাগ পূরণ করে খেজুর। এ ছাড়া রাতে পানিতে খেজুর ভিজিয়ে রেখে পরদিন সকালে সে পানি পান করলে দূর হবে কোষ্ঠকাঠিন্যের মতো সমস্যা। খেজুরে থাকা নানা খনিজ হৃদস্পন্দনের হার ঠিক রাখতে সাহায্য করে। খেজুরে লিউটেন ও জিক্সাথিন থাকায় তা রেটিনা ভালো রাখে।

তাছাড়া যকৃতের সংক্রমণে খেজুর বেশ উপকারী। গলাব্যথা এবং বিভিন্ন ধরনের জ্বর, সর্দি ও ঠান্ডায় এ ফলটি বেশ কাজ দেয়। অন্ত্রের কৃমি ও ক্ষতিকারক পরজীবী প্রতিরোধে খেজুর বেশ সহায়ক। খেজুর শিশুদের মাড়ি শক্ত করতে সাহায্য করে এবং কোনো কোনো ক্ষেত্রে ডায়রিয়াও প্রতিরোধ করে। তাই শুধু রমজান মাসে কেন, বছরজুড়েই খাদ্য তালিকায় থাকতে পারে খেজুর।

0Shares





Comments are Closed