Main Menu

হবিগঞ্জ থেকে সিলেটে এনে তরুণীকে ‘ধর্ষণ’, গ্রেপ্তার ২

Manual7 Ad Code

বৈশাখী নিউজ ডেস্ক: বন্ধুকে সঙ্গে নিয়ে হবিগঞ্জের বাহুবলের এক তরুণীকে সিলেটের একটি এনে ধর্ষণ করার অভিযোগে দুজনকে গ্রেফতার করেছে থানা পুলিশ। গ্রেফতারদের মধ্যে একজনের প্রেমিকা ছিলো ওই তরুণী।

Manual1 Ad Code

গ্রেফতারকৃতরা হচ্ছেন- হবিগঞ্জের নবীগঞ্জ উপজেলার ববকান্দি গ্রামের মৃত হুদ খাঁর ছেলে (প্রেমিক) জুয়েল খাঁ (২২) ও তার বন্ধু বরগাঁও গাজী মোকাম গ্রামের মৃত আহম্মদ মিয়ার ছেলে জুনেদ মিয়া (২৬)।

Manual1 Ad Code

শনিবার (৯ অক্টোবর) বিকেলে বিষয়টি নিশ্চিত করেন বাহুবল মডেল থানার ইন্সপেক্টর (তদন্ত) আলমগীর কবির।

Manual1 Ad Code

এর আগে শুক্রবার রাতে নবীগঞ্জের বরগাঁও এলাকায় গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেফতার করা হয়। পরে তারা ঘটনার সাথে জড়িত থাকার কথা পুলিশের কাছে স্বীকার করে।

Manual2 Ad Code

বাহুবল মডেল থানার ইন্সপেক্টর (তদন্ত) আলমগীর কবির জানান, জুয়েল খাঁ’র সাথে মোবাইল ফোনের মাধ্যমে বাহুবল উপজেলার উত্তর ভবানীপুর গ্রামের জনৈক ওই তরুণীর সাথে তার পরিচয় হয়। কয়েক দিন যেতেই তাদের মধ্যে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে উঠে। একজন আরেকজনকে কাছে পেতে মরিয়া হয়ে উঠে। এরই প্রেক্ষিতে জুয়েল প্রেমিকাকে তার সাথে দেখা করতে সিলেট শহরে আসতে বলে। এতে রাজি হয় ওই তরুণী।

গত ৬ অক্টোবর বিকেল ৪টায় জুয়েল পানিউমদা থেকে একটি সিএনজি চালিত অটোরিকশা পাঠায় প্রেমিকার বাড়ির পাশে। পরে সেই অটোরিকশায় করে সে পানিউমদা যায়। সেখান থেকে বাসে করে সে সিলেট পৌঁছায়। সিলেট কদমতলী থেকে জুয়েল ও তার বন্ধু জুনেদ মিলে সিলেট শহরের তালতলাস্থ হোটেল সুফিয়ার দ্বিতীয় তলার একটি রুমে নিয়ে তরুণীকে রাতভর পালাক্রমে ধর্ষণ করে। পরদিন ৭ অক্টোবর সকালে ওই কিশোরীকে বাসে উঠিয়ে দুপুরে নবীগঞ্জের পানিউমদায় নামিয়ে দিয়ে জুনেদ মিয়া সটকে পড়ে।

পরে প্রেমিকের প্রতারণা বুঝতে পেরে বিষয়টি স্বজনকে জানায় ওই তরুণী। স্বজনরা বিষয়টি বাহুবল মডেল থানা পুলিশকে জানান। পরে এ ঘটনায় শুক্রবার বিকেলে তরুণীর মা বাদী হয়ে বাহুবল থানা মামলা দায়ের করেন। রাতে পুলিশ দুই যুবককে গ্রেপ্তার করে।

বাহুবল মডেল থানার পরিদর্শক (তদন্ত) আলমগীর কবির জানান, ধর্ষণের শিকার তরুণী হবিগঞ্জ সদর আধুনিক হাসপাতালে চিকিৎসাধিন রয়েছেন। শনিবার বিকেলে গ্রেপ্তারকৃতরা হবিগঞ্জ জ্যেষ্ঠ বিচারিক হাকিম সুলতান উদ্দিন প্রধানের আদালতে ১৬৪ ধারায় জবানবন্দি দিয়েছেন। এ সময় তারা আদালতের কাছে ঘটনার দায় স্বীকার করেছে। পরে তাদেরকে কারাগারে পাঠানো হয়।

Share





Related News

Comments are Closed

Manual1 Ad Code
Manual6 Ad Code