Main Menu

নিখোঁজ সেই তিন মাদ্রাসা ছাত্র বাড়ি ফিরেছে

বৈশাখী নিউজ ডেস্ক: সিলেটের দক্ষিণ সুরমার জালালপুর থেকে নিখোঁজ তিন মাদ্রাসা ছাত্র বাড়ি ফিরেছে। গত ২০ আগস্ট শুক্রবার রাতে মোগলবাজার থানা পুলিশের এক টিম ঢাকার কেরানীগঞ্জের পুলিশের সহায়তায় তাদের উদ্ধার করে নিয়ে আসে।

তাদের বাড়ি ফেরার বিষয়টি নিশ্চিত করেন দক্ষিণ সুরমা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মনিরুল ইসলাম।

এর আগে গত ৩ আগস্ট তারা একসঙ্গে মাদ্রাসা থেকে নিখোঁজ হয়। এই তিন ছাত্র পালিয়ে গিয়ে কেরানীগঞ্জের একটি হোটেলে তারা ওয়েটারের কাজ করে। এতদিন তারা সেই হোটেলেই কর্মরত ছিল বলে জানায় পুলিশ।

নিখোঁজ ৩ ছাত্রের নাম সাজ্জাদ মিয়া (১৬), রোহান আহমেদ (১৭) ও নাহিম আহমেদ (১৫)। এই তিনজন দক্ষিণ সুরমা উপজেলার জালালপুর এলাকার আল্লামা আব্দুল মুকিত মঞ্জলালী একাডেমির হিফজ শাখার ছাত্র। এদের মধ্যে সাজ্জাদ ও নাইম ৩ আগস্ট মাদ্রাসায় যাওয়ার উদ্দেশ্যে বাড়ি থেকে বের হয়। কিন্তু গত ৭ আগস্ট মাদ্রাসায় ফোন দিয়ে পরিবারের সদস্যরা জানতে পারেন, তারা মাদ্রাসায় যায়নি। রোহান নামের আরেক মাদ্রাসা ছাত্রও নিখোঁজ বলে জানা যায়।

পরবর্তীতে নিখোঁজ কিশোরদের পরিবারের সদস্যরা তাদের আত্মীয় স্বজনদের সাথে যোগাযোগ করেন। সেখানেও তাদের খুঁজে পাওয়া না গেলে তারা থানায় যোগাযোগ করেন।

গত ৮ আগস্ট সাজ্জাদ মিয়ার বোন দক্ষিণ সুরমা থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন। জিডি এন্ট্রি নং-৩৩০, তাং-০৮/০৮/২০২১। অন্য দুই কিশোরের পরিবার জিডি করতে চাইলে মাদ্রাসা থেকে তাদের জিডি করতে নিষেধ করা হয় বলে জানান তাদের পরিবারের সদস্যরা।

মোগলবাজার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. শামসুদ্দোহা বলেন, তাদের পড়ালেখা ভাল লাগে না। তাই তারা একসাথে পরিকল্পনা করে পালায়। তাদের মধ্যে রোহান একদিন বাড়িতে কল দিয়ে সবার খোঁজ খবর নেয়। সেই কলের ক্লু ধরে আমরা তাদের খোঁজে বের করি। কেরানীগঞ্জ থেকে উদ্ধার করে তাদেরকে পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।

এ ব্যাপারে দক্ষিণ সুরমা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মনিরুল ইসলাম বলেন, ওরা নিজেরা পরিকল্পনা করেই বাড়ি থেকে পালিয়েছিল। পালিয়ে তারা জীবিকার তাগিদে কেরানীগঞ্জের একটি হোটেলে ওয়েটারের চাকরি নেয়। পরে মোগলবাজার পুলিশের একটি টিম কেরানীগঞ্জের থানা পুলিশের সহায়তায় মোবাইল ফোনের অবস্থান চিহ্নিত করে তাদের উদ্ধার করে নিয়ে আসা হয়।

Share





Related News

Comments are Closed