Main Menu

সিলেটে শিক্ষিকার গলাকাটা ও গৃহকর্মীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার

বৈশাখী নিউজ ২৪ ডটকম: সিলেটের ওসমানীনগর উপজেলায় নিজ ঘর থেকে স্কুল শিক্ষিকার গলাকাটা ও গৃহকর্মীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। শনিবার রাত ১২টার দিকে স্কুল শিক্ষিকা তপতী রানী দে (৫০) ও তার বাসার কাজের সহযোগী গৌরাঙ্গ বৈদ্যের মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।

পুলিশ জানায়, উপজেলার দয়ামীর ইউনিয়নের সোয়াইরগাওর এলাকার বাসিন্দা ডা. বিজয় ভুষন দের স্ত্রী তপতী রানী দে সোয়াইরগাঁও প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষিকা। তার এক ছেলেও চিকিৎসক। শনিবার বিকেলে স্বামী ও ছেলে প্রাইভেট প্র্যাকটিসে গিয়েছিলেন। এসময় বাসায় কেবল তপতি ও গৌরাঙ্গ ছিলেন।

রাতে বাড়ি ফিরে স্বামী বিজন ভূষন দে ডাকাডাকি করলেও ভেতর থেকে কোন সাড়া পাননি। কেউ দরজাও খুলে দেয়নি। পরে পুলিশে খবর দেয়া হয়। পরে রাত ১২টার দিকে ওসমানী নগর থানার উপ পরিদর্শক নাজমুল হুদার বাসার বাথরুমের জানালা ভেঙ্গে ঘরে প্রবেশ করে মেঝেতে তপতী রানী দে’র গলাকাটা মরদেহ ও পাশে গৌরাঙ্গ বৈদ্যর ঝুলন্ত মরদেহ দেখতে পান।

সিলেট জেলা পুলিশের সহকারী মিডিয়া অফিসার সাইফুল আলম ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন। তবে কি কারণে ঘটনাটি ঘটেছে তা তাৎক্ষণিক জানাতে পারেননি তিনি।

ওসমানীনগর থানার ওসি শ্যামল বণিক বলেন, ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, হত্যাকান্ডে যে বটি দা ব্যবহার করা হয়েছে সেটা উদ্ধার করেছে পুলিশ। শিক্ষিকার পুরো গলাটা দা দিয়ে কাটা হয়েছে। মাথাটা গাড়ের চামড়ার সাথে একটু ঝুলানো অবস্থা ছিলো। বাড়ির কাজের ছেলে গৌরাঙ্গ একাই এঘটনাটি ঘটিয়েছে বলে পুলিশ নিশ্চিত। যার কারণে সে নিজেই বসত ঘরে গালায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেছে।

তিনি বলেন, নিহত শিক্ষিকা তপতির স্বামী নিজের চেম্বার থেকে রাতে বাড়ি ফিরে বসতঘরের দরজা বন্ধ পাওয়ায় স্ত্রীকে ডাকাডাকি করে কোনও সাড়া পাননি। পরে তিনি পুলিশকে জানান। পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে ঘরের দরজা ভেঙে শিক্ষিকা তপতি চৌধুরীর লাশ উদ্ধার করে। ঘটনা তদন্তে পুলিশ কাজ শুরু করছে বলেও জানিয়েছেন তিনি।

 

Share





Related News

Comments are Closed