Main Menu

কোম্পানীগঞ্জে পুত্র ও পুত্রবধূর নির্যাতন থেকে বাঁচতে চান পিতা

বৈশাখী নিউজ ২৪ ডটকম: সিলেটের কোম্পানীগঞ্জ উপজেলার দলইরগাঁওয়ে পুত্র ও পুত্রবধূর হয়রানী এবং নির্যাতন থেকে রক্ষার দাবি জানিয়েছেন এক পিতা। তাদের হামলা-মামলা দিয়ে হয়রানী থেকে বাঁচতে বয়োবৃদ্ধ পিতা আব্দুল জব্বার প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।

বুধবার (২৬ মে) সিলেট জেলা প্রেসক্লাবে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে তিনি সকলের সহযোগিতা কামনা করে পুত্র ও পুত্রবধূর হয়রানীর বর্ণনা দেন। সংবাদ সম্মেলনে তাঁর পক্ষে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন আরেক পুত্রবধূ ইয়ারুন নেছা। এসময় আব্দুল জব্বারের স্ত্রী রাহিমা বেগম উপস্থিত ছিলেন।

লিখিত বক্তব্যে আব্দুল জব্বার জানান, তিনি তিন ছেলে ও এক মেয়ের জনক। বড় ছেলে দুদু মিয়া ও মেঝো ছেলে মানিক মিয়া বাড়িতে বসবাস করছে আর ছোট ছেলে বাবুল মিয়া প্রবাসে আছে। একান্নবর্তী সংসারে থাকা অবস্থায় নানা কারণে বড় ছেলে দুদু ও তার স্ত্রী আকলিমা তাকে এবং তার স্ত্রীকে নানাভাবে মানসিক নির্যাতন করতো। সংসার আলাদা হলেও তাদের অত্যাচার ও নির্যাতন কমেনি। অতিষ্ট হয়ে তিনি ২০২০ সালের ২৯ শে ডিসেম্বর স্থানীয় তেলীখাল ইউনিয়নের চেয়ারম্যানের কাছে বিচার দাবি করেন। চেয়ারম্যান বিষয়টি সমাধান করতে পরপর তিন বার তাদেরকে নোটিশ দিলেও তারা তোয়াক্কা করেনি।

জব্বার বক্তব্যে বলেন, গত ১৬ মার্চ বেত বাগানের দখলকে কেন্দ্র করে গ্রামের সিরাজুল ইসলামের পরিবারের সদস্যদের কুপিয়ে আহত করে ডাকাত জমসেদ, সন্ত্রাসী ফরিদ, আলী হোসেন, জফির, রফিকসহ কয়েকজন। এ ঘটনায় সিরাজুল ইসলাম বাদি হয়ে আমার ছেলে দুদু মিয়াসহ জড়িতদের বিরুদ্ধে মামলা করার উদ্যোগ নেন। কিন্তু আমার মুখের দিকে চেয়ে সিরাজুল ইসলাম তাকে আসামি করেননি। অথচ ১৫ মে আমার বড় ছেলে দুদুর স্ত্রী আকলিমা বেগম বাদি হয়ে কোম্পানীগঞ্জ থানায় তার স্বামীর উপর হামলার অভিযোগে আমার মেঝো ছেলে মানিক মিয়া ও অপর মামলার বাদি সিরাজুল ইসলামের ছোটো ভাই সোনা মিয়া, তার চাচাতো ভাই আল আমিনসহ কয়েক জনের বিরুদ্ধে মামলা করেছে। মামলার কারণে তিনি ও তার পরিবারের সদস্যরা বাড়ি ছাড়া বলে জানান আব্দুল জব্বার।

গত ১৯ মে সিলেটের পুলিশ সুপার ফরিদ উদ্দিনের সঙ্গে দেখা করে আব্দুল জব্বার স্মারকলিপি দিয়েছেন উল্লেখ করে জানান, পুলিশ সুপার তাকে আশ্বস্থ করেছেন ন্যায় বিচারের। কিন্তু তার পরও ছেলে ও ভাতিজাদের নিয়ে মামলা পরিচালনার মত বয়স ও টাকা তার কাছে নেই। খেয়ে না খেয়ে আছে পরিবারের সদস্যরা। দুদু ও তার স্ত্রী আকলিমাও হুমকি-ধমকি অব্যাহত রেখেছে। এ ব্যাপারে তিনি স্থানীয় সাংসদ ও প্রবাসী কল্যান মন্ত্রী ইমরান আহমদসহ পুলিশ প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করে পুত্র ও পুত্রবধূর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহনের দাবি জানান।

 

Share





Related News

Comments are Closed