Main Menu
শিরোনাম
সিলেটে চোরাই মোবাইল বিক্রি চক্রের ৭ সদস্য গ্রেপ্তার         মোগলাবাজারে একটি পরিবারের জায়গা দখলে প্রভাবশালীরা         রাজনগরে ট্রাকের ধাক্কায় প্রবাসী নিহত         জাফলংয়ে চা শ্রমিকের আত্মহনন         কমলগঞ্জে গলায় ফাঁস দিয়ে গৃহবধূর আত্মহত্যা         মাগুরছড়া ট্র্যাজেডি: দুই যুগেও আদায় হয়নি ক্ষতিপূরণ         বহর এলাকায় ভূমিধসে তিনটি পরিবার ভিটেহারা         বিশ্বনাথে দিন দিন বাড়ছে করোনার সংক্রমণ         সিলেটে মৌচাষ প্রশিক্ষণ কোর্সের উদ্বোধন         সিলেটে করোনায় আরো ২ জনের মৃত্যু, শনাক্ত ৭১         দক্ষিণ সুরমা উপজেলা ছাত্রদলের বিক্ষোভ মিছিল         শায়েস্তাগঞ্জে ট্রেনে কাটা পড়ে তরুণের মৃত্যু        

পশ্চিমবঙ্গে ৩ জনের শরীরে ‘ব্ল্যাক ফাঙ্গাস’র সন্ধান

আন্তর্জাতিক ডেস্ক: ভারতের পশ্চিমবঙ্গে তিনজনের শরীরে ‘ব্ল্যাক ফাঙ্গাস’ নামক ছত্রাকের সন্ধান পাওয়া গেছে। এর আগে গুজরাট, দিল্লি, হরিয়ানা, মহারাষ্ট্রসহ মোট পাঁচ রাজ্যে এ ব্ল্যাক ফাঙ্গাসের সন্ধান মিলেছিলো। তবে এবার পশ্চিমবঙ্গও এ তালিকায় নাম লেখালো।

শনিবার ভারতীয় গণমাধ্যমের প্রতিবেদনে এ তথ্য পাওয়া গেছে।

জানা যায়, সপ্তাহখানেক আগে ঝাড়খণ্ড থেকে দু’জন এবং বিহার থেকে একজন পশ্চিমবঙ্গে চোখের চিকিৎসা করাতে আসেন। তাদের শরীরেই ব্ল্যাক ফাঙ্গাসের সংক্রমণ ধরা পড়ে। ঝাড়খণ্ড থেকে যারা এসেছিলেন তাদের বয়স যথাক্রমে ৩৫ ও ৫০ বছর এবং বিহার থেকে এসেছিলেন ৪০ বছরের এক ব্যক্তি। চোখের সমস্যা নিয়ে প্রথম দুর্গাপুরের একটি বেসরকারি হাসপাতালে যান দু’জন। ওই হাসপাতালেরই নিউটাউনের শাখায় যান তৃতীয়জন।

চোখের পরীক্ষার সময়ই জানা যায়, তারা করোনাভাইরাসে আক্রান্ত। তারপরই পরীক্ষা করে তাদের শরীরে ব্ল্যাক ফাঙ্গাসের অস্তিত্ব পাওয়া যায়। সাধারণত করোনা আক্রান্তদের শরীরেই এই ছত্রাক পাওয়া যাচ্ছে।

মহামারি পরিস্থিতিতে হঠাৎ করে ব্যাপকভাবে এই ছত্রাকের সংক্রমণ বাড়তে শুরু করেছে বলে জানিয়েছেন এইমস হাসপাতালের অধিকর্তা রণদীপ গুলেরিয়া।

আনন্দবাজারের এক প্রতিবেদনে শুক্রবার কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রী হর্ষবর্ধন জানিয়েছিলেন, যারা করোনা আক্রান্ত হচ্ছেন, তাদের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কমে যাওয়ায় শরীরে সহজে বাসা বাঁধছে ‘ব্ল্যাক ফাঙ্গাস’। একে ‘মিউকরমাইকোসিস’-ও বলা হয়।

শনিবার (১৫ মে) এইমস হাসপাতাল প্রধান রণদীপ গুলেরিয়া জানান, সাধারণত খাবার, মাটি ও বাতাস থেকেই এই সংক্রমণ মানুষের শরীরে ছড়ায়। সেই কারণেই মাস্ক পরায় আরও বেশি করে গুরুত্ব দিতে বলেন তিনি। বিশেষ করে যেখানে ধুলো বেশি সেখানে অবশ্যই মাস্ক পরতে হবে।

তিনি বলেন, দিল্লির এইমস হাসপাতালে ২৩ জন এই রোগ নিয়ে ভর্তি রয়েছেন। যাদের মধ্যে ২০ জনই করোনাভাইরাসে আক্রান্ত। ২০০৩ সালের সার্স সংক্রমণের সময়েও ‘ব্ল্যাক ফাঙ্গাস’ রোগে আক্রান্ত হয়েছিলেন অনেকে, জানান গুলেরিয়া।

তিনি জানান, রক্তে সুগারের মাত্রা নিয়ন্ত্রণে না রাখলে এবং প্রয়োজনের বেশি স্টেরয়েড নিলে ‘ব্ল্যাক ফাঙ্গাস’ সংক্রমণের সম্ভাবনা বাড়ে।

0Shares





Related News

Comments are Closed