Main Menu

সিলেটে ব্যবসায়ীকে ফাঁসানোর অভিযোগ, প্রতীকার দাবি

Manual7 Ad Code

বৈশাখী নিউজ ২৪ ডটকম: ব্যবসার উন্নতিতে ঈর্ষান্বিত হয়ে সিলেট নগরীর জিন্দাবাজারের আরমান উল্লাহ মার্কেটের ইলেক্ট্রনিক ব্যবসায়ী ছেলেকে অপহরণ, মুক্তিপন আদায় ও মাদক দিয়ে ফাঁসানো হয়েছে বলে দাবি করেছেন পিতা। মার্কেটের এমএস ইলেক্ট্রনিক্স সেন্টার (গার্ডেন) নামের ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের স্বত্বাধিকারী মো. আব্দুল গফুর তার ছেলে ব্যবসায়ী মো. এবাদুল্লাহ আল সাহাদকে ফাঁসানোর এ অভিযোগ করেন। তিনি তার ছেলেকে সাজানো মামলা থেকে মুক্তি ও আনিস-আবাদ চক্রের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে প্রশাসনের প্রতি দাবি জানান।

শনিবার সিলেট জেলা প্রেস ক্লাবে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে গফুর এসব অভিযোগ ও দাবি করেন বলেন, ছেলেকে ফাঁসানোর পর ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে সশস্ত্র হামলা-ভাংচুর ও নগদ তিন লাখ ২০ হাজার টাকা লুট করে নিয়ে যায় প্রতিপক্ষ। এ ঘটনায় থানায় আদনান, আনিস আবাদসহ ৯ জনের বিরুদ্ধে মামলা (নং-৪৯(৩)২১) করা হয়েছে। অভিযুক্তরা পলাতক থেকেও হত্যা, অপহরণ ও গুম করার হুমকি দিচ্ছে বলে অভিযোগ করেন তিনি।

লিখিত বক্তব্যে গফুর জানান, তিনি সুনামগঞ্জ জেলার শাল্লা উপজেলার নয়াহাটি গ্রামের মরহুম লাল মিয়ার ছেলে ও সিলেট নগরীর জিন্দাবাজারের আরমান উল্লাহ বিল্ডিংয়ের এমএস ইলেক্ট্রনিক্স সেন্টার (গার্ডেন) এর মালিক। গ্রামের বাড়ির জায়গা বিক্রি করে ব্যবসা শুরু করেন। কিন্তু ব্যবসায় সাফল্য দেখে প্রতিপক্ষ নানা ষড়যন্ত্র ও হয়রানী শুরু করে। গত ১৩ মার্চ বন্দরবাজার এলাকার রংমহল টাওয়ারের সামন থেকে তার ছেলে সাহাদকে অপহরণ, মুক্তিপন আদায় ও পরে সাজানো ইয়াবা মামলা দিয়ে তাকে জেলে পাঠানো হয়। এর নেপথ্যে রয়েছে একই মার্কেটের ব্যবসায়ী বিহারী আনিছ ও আবাদসহ তাদের সহযোগীরা। এ চক্র তার ব্যবসায়িক সাফল্যে ইর্শান্বিত হয়ে দীর্ঘদিন ধরে তাকে বিভিন্নভাবে হয়রানী ও নাজেহাল করে আসছে।

Manual7 Ad Code

ব্যবসায়ী আব্দুল গফুর জানান, ওইদিন তার ছেলে আল সাহাদকে কাস্টমার সেজে ২ লাখ টাকার মাল কেনার জন্য ফোন করে আনিস চক্রের কেউ। দোকান না চেনার অজুহাত দেখিয়ে সাহাদকে বন্দরবাজার রংমহল টাওয়ারের সামনে নেওয়া হয়। তখন কয়েকজন সন্ত্রাসী তাকে মারপিট ও অপহরণ করে নিয়ে যায়। ওই সময় আনিসের ভাতিজা নূর মোহাম্মদ আদনান ফোন করে বিষয়টি জানায়।

Manual4 Ad Code

গফুর আরও জানান, তিনি ঘটনাস্থলে গিয়ে জানতে পারেন- সন্ত্রাসীরা তার ছেলেকে তুলে নিয়ে গেছে। পুলিশকে বিষয়টি তিনি জানান। কয়েক ঘন্টা পর ফোনে তার কাছে ১ লাখ টাকা দাবি করা হয়। বাধ্য হয়ে তিনি ম্যানেজারের মাধ্যমে ১ লাখ টাকা মুক্তিপণ দেন। কিন্তু অপহরণকারীরা তার ছেলেকে না ছেড়ে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রন অধিদপ্তরের এসআই মুহাম্মদ মোস্তফা কামালকে ম্যানেজ করে ইয়াবা মামলা দিয়ে কোতোয়ালি থানায় প্রেরণ করে। অথচ অপহরণ করার দৃশ্য সিসিটিভি ফুটেজে রয়েছে।

Manual7 Ad Code

আব্দুল গফুর আরও জানান, ২০১৯ সালের ৩০ সেপ্টেম্বর প্রতিপক্ষ জোরপূর্বক তার ভাড়া দোকান থেকে উচ্ছেদ করে। পরবর্তীতে একই বিল্ডিংয়ের ৩, ১১ ও ১৪ নং দোকান কিনে এমএস ইলেক্ট্রনিক্স সেন্টার চালু করেন। জানুয়ারিতে সিটি করপোরেশন থেকে অনুমতি নিয়ে দোকানের উপরে টিনের চালা ও টিনের বেড়া দিয়ে গোদাম ঘর নির্মান করেন তিনি। এটাকে ‘বিল্ডিং নির্মান’ বলে কল্পকাহিনী সাজিয়ে আনিস তার সহযোগী সওদাগরটুলার আবাদ হোসেন নামের এক ব্যাক্তি দিয়ে অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিষ্ট্রেট আদালতে বিবিধ মামলা (নং-০৮/২০২১) করায়। পরে একই আবাদকে দিয়ে উর্ধতন সহকারী জজ সদর আদালতে স্বত্ব মামলা করায়। আগামী ৪ মে জবাব দেওয়ার জন্য আদালত আমাকে নোটিশ দিয়েছেন। অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে প্রতারণা ও জালিয়াতিসহ বিভিন্ন মামলা রয়েছে বলে জানান গফুর।

Manual8 Ad Code

সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন জাগো সিলেট আন্দোলন কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি আলা উদ্দিন আলো ও ব্যবসায়ী তানজিল ইসলাম।

Share





Related News

Comments are Closed

Manual1 Ad Code
Manual8 Ad Code