Main Menu
শিরোনাম
সিলেটে কলহের জেরে স্ত্রীকে কুপিয়ে হত্যা, স্বামী আটক         সিলেটে ঘন ঘন দুর্ঘটনার প্রতিবাদে তিন উপজেলাবাসীর অবস্থান         ভারতে কারাভোগের পর দেশে ফিরলেন ৬ বাংলাদেশি         সিলেটে আরো ১৩ জনের করোনা শনাক্ত, সুস্থ ২০         সুনামগঞ্জে উদ্বোধনের আগেই ভেঙে পড়লো সেতু!         হবিগঞ্জে আ.লীগ প্রার্থী সেলিম বিজয়ী         সিলেটে দুর্ঘটনাস্থলে কাফনের কাপড় পড়ে অবরোধ, ৫ দাবি         সিলেটে দুই বাসের সংঘর্ষে নিহতের সংখ্যা বেড়ে ৮         সিলেটে দুই বাসের মুখোমুখি সংঘর্ষ, নিহত ৭         মাধবপুরে গার্মেন্টসকর্মীকে ধর্ষণ         শপথ নিলেন গোলাপগঞ্জ পৌর মেয়রসহ নির্বাচিত কাউন্সিলররা         রাজনগরে ৪০০ আ.লীগ নেতাকর্মীর নামে মামলা        

আহমদ শফীকে হত্যার অভিযোগে মামলা

বৈশাখী নিউজ ডেস্ক: হেফাজতে ইসলামের সাবেক আমির আহমদ শফীর মৃত্যুর ঘটনায় ৩৬ জনের বিরুদ্ধে চট্টগ্রাম আদালতে মামলা দায়ের করা হয়েছে।

আহমেদ শফীর শ্যালক মোহাম্মদ মহিউদ্দিন হত্যার অভিযোগ এনে এই মামলা দায়ের করেছেন।

আহমদ শফী মারা যাওয়ার প্রায় তিন মাস পর এই মামলা দায়ের করা হলো। চলতি বছরের ১৮ সেপ্টেম্বর মারা যান তিনি।

হেফাজতে ইসলামের সাবেক নেতা মোহাম্মদ ফয়জুল্লাহ বলেন, চট্টগ্রামের জেলা আদালতে এই মামলা দায়ের করা হয়েছে।

পিবিআইকে এক মাসের মধ্যে এই মামলার তদন্ত করে রিপোর্ট জমা দেয়ার নির্দেশ দিয়েছে আদালত।

অজ্ঞাতনামা ৩৬ জনের বিরুদ্ধে এই মামলা করা হয়। এদের মধ্যে হেফাজতে ইসলামের বর্তমান যুগ্ম মহাসচিব মামুনুল হকসহ কয়েক জনের সুনির্দিষ্ট নাম দেয়া হয়েছে।

চলতি বছরের ১৮ সেপ্টেম্বর সন্ধ্যায় ঢাকার একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান তিনি। এর আগে অসুস্থ অবস্থায় তাকে হেলিকপ্টারে করে ঢাকায় আনা হয়।
এর আগের দিন, অর্থাৎ ১৭ সেপ্টেম্বর বৃহস্পতিবার রাতে টানা দু’দিনের বিক্ষোভের জেরে হাটহাজারী মাদ্রাসার শুরা কমিটির সভায় ওই মাদ্রাসার পরিচালকের পদ থেকে সরে দাঁড়ান আহমদ শফী।

তার পরিবারের সদস্যরা এর আগে বিবিসিকে জানিয়েছিলেন যে, বৃহস্পতিবার গভীর রাতেই তাকে হাসপাতালে নেয়া হয়েছিলো।

তিনি ডায়াবেটিসসহ বার্ধক্যজনিত নানা রোগে ভুগছিলেন।

২০১৩ সালে ঢাকায় শাপলা চত্বরে হেফাজতে ইসলামের এক বিশাল সমাবেশের আয়োজন করে আলোচনায় এসেছিলেন আহমদ শফী।

আহমদ শফী জন্মগ্রহণ করেছিলেন ১৯৩০ সালে চট্টগ্রামের রাঙ্গুনিয়ায়।

তিনি হাটহাজারী মাদ্রাসা ছাড়াও ভারতের দারুল উলুম দেওবন্দ মাদ্রাসায় পড়ালেখা শেষ করে ফিরে এসে হাটহাজারী মাদ্রাসাতেই শিক্ষক হিসেবে যোগ দিয়েছিলেন।

দীর্ঘদিন যাবত দেশের কওমি মাদ্রাসাগুলোর নেতৃত্ব দিয়ে আসছিলেন তিনি এবং বাংলাদেশ কওমি মাদ্রাসা বোর্ড বেফাকুল মাদারিসিল আরাবিয়া বাংলাদেশের (বেফাক) সভাপতিরও দায়িত্ব পালন করছিলেন।

 

0Shares





Related News

Comments are Closed