Main Menu
শিরোনাম
সিলেটে করোনায় আরও এক মৃত্যু, শনাক্ত ১০         বিশ্বনাথে ঐতিহ্যবাহী ‘পলো বাওয়া’ উৎসব পালিত         জৈন্তাপুরে এসএসসি-২০০২ ব্যাচের শীতবস্ত্র বিতরণ         কুলাউড়া পৌরসভায় আ.লীগ প্রার্থী সিপারের জয়         জগন্নাথপুরে বিএনপির বিদ্রোহী প্রার্থী আক্তার জয়ী         কমলগঞ্জে দ্বিতীয় মেয়াদে মেয়র হলেন জুয়েল আহমদ         সুনামগঞ্জে দ্বিতীয় মেয়াদে মেয়র হলেন নাদের বখত         নবীগঞ্জে দ্বিতীয় মেয়াদে মেয়র হলেন বিএনপির প্রার্থী         মাধবপুরে বিএনপির মেয়র প্রার্থীর জয়         ছাতকে চতুর্থ মেয়াদে মেয়র হলেন কালাম চৌধুরী         এলাহাবাদ আলিম মাদরাসার অধ্যক্ষের অপসারণ দাবি         সিলেটে আরও ১৫ করোনা রোগী শনাক্ত, সুস্থ ২১        

পাখির বাসা বাঁচাতে ৩৫ দিন অন্ধকার গ্রাম!

বিচিত্র ডেস্ক: গ্রামটিতে ১০০ পরিবারের বাস। রাস্তায় আলোর ব্যবস্থা হিসেবে ৩৫টি সড়ক বাতি। সবগুলোকে টানা ৩৫ দিন অন্ধকার করে রাখে বেরসিক পাখি। ওই গ্রামের সড়ক বাতির সুইচ যেখানে, ঠিক সেই বোর্ডটার মধ্যে বাসা করে ডিম পারে একটি বুলবুলি পাখি। বন্ধ হয়ে যায় সড়ক বাতি। পাখির ডিম না ফোটা পর্যন্ত সবাই অন্ধকারে থাকার সিদ্ধান্ত নেয়। এগিয়ে আসেন গ্রামের তরুণ-তরুণী। তাদের সঙ্গে এগিয়ে আসেন বিভিন্ন পেশার লোক। বন্ধ থাকে আলো জ্বালানো।

ঘটনাটি ভারতের তামিলনাড়ুর শিবগঙ্গা জেলার একটি গ্রামের। সেখানকার কমিউনিটি সুইচবোর্ডের ভেতর বাসা বেঁধেছিল এক বুলবুলি পাখি। সেই বাসায় ডিম পেড়েছিল। একজন গ্রামবাসী সেটি সবার আগে দেখতে পেয়ে, ছবি তুলে হোয়াটস অ্যাপ গ্রুপে পাঠান। তার পরই পুরো গ্রামে নেমে আসে অন্ধকার। এ অন্ধকার আতঙ্কের নয়; বরং আনন্দের। খুশিমনে টানা ৩৫ দিন অন্ধকারে থাকলেন গ্রামবাসীরা।

পাখির ডিম থেকে ছানা ফুটে বের না হওয়া পর্যন্ত ওই গ্রামে আলো জ্বালানো হবে না, এ সিদ্ধান্ত ওই গ্রামবাসীরা সর্বসম্মতভাবেই নিয়েছিলেন। বুলবুলিটির বাসা ও ডিম বাঁচাতে টানা ৩৫ দিন রাস্তার আলো জ্বালাননি তারা। এই ভরা বর্ষায় গোটা গ্রামের লোকজন চলাচল করেছেন অন্ধকার রাস্তাতেই।

কারুপ্পুরাজা নামের এক কলেজ ছাত্র জানান, ওই গ্রামে মোট ৩৫টি স্ট্রিটলাইট রয়েছে। সব সুইচ ওই কমিউনিটি সুইচবোর্ডে বলে, গত ৩৫ দিন তারা সেগুলোর একটিও জ্বালাননি। মোবাইলের টর্চ, টর্চ লাইট ব্যবহার করেই গ্রামবাসী এই কদিন রাতে চলাচল করেছেন।

ওই গ্রামে একশো পরিবারের বাস। সবাইকে এ ব্যাপারে বুঝিয়ে রাজি করানো সহজ ছিল না। শুরুতে কেউ কেউ সামান্য পাখির বাসার জন্য এতদিন অন্ধকারে চলাচল করতে রাজি হচ্ছিলেন না। কিন্তু তাদের অনুরোধ করেন গ্রামের তরুণ-তরুণীরা।

0Shares





Related News

Comments are Closed