Main Menu
শিরোনাম
সিলেটে চোরাই মোবাইল বিক্রি চক্রের ৭ সদস্য গ্রেপ্তার         মোগলাবাজারে একটি পরিবারের জায়গা দখলে প্রভাবশালীরা         রাজনগরে ট্রাকের ধাক্কায় প্রবাসী নিহত         জাফলংয়ে চা শ্রমিকের আত্মহনন         কমলগঞ্জে গলায় ফাঁস দিয়ে গৃহবধূর আত্মহত্যা         মাগুরছড়া ট্র্যাজেডি: দুই যুগেও আদায় হয়নি ক্ষতিপূরণ         বহর এলাকায় ভূমিধসে তিনটি পরিবার ভিটেহারা         বিশ্বনাথে দিন দিন বাড়ছে করোনার সংক্রমণ         সিলেটে মৌচাষ প্রশিক্ষণ কোর্সের উদ্বোধন         সিলেটে করোনায় আরো ২ জনের মৃত্যু, শনাক্ত ৭১         দক্ষিণ সুরমা উপজেলা ছাত্রদলের বিক্ষোভ মিছিল         শায়েস্তাগঞ্জে ট্রেনে কাটা পড়ে তরুণের মৃত্যু        

পাখির বাসা বাঁচাতে ৩৫ দিন অন্ধকার গ্রাম!

বিচিত্র ডেস্ক: গ্রামটিতে ১০০ পরিবারের বাস। রাস্তায় আলোর ব্যবস্থা হিসেবে ৩৫টি সড়ক বাতি। সবগুলোকে টানা ৩৫ দিন অন্ধকার করে রাখে বেরসিক পাখি। ওই গ্রামের সড়ক বাতির সুইচ যেখানে, ঠিক সেই বোর্ডটার মধ্যে বাসা করে ডিম পারে একটি বুলবুলি পাখি। বন্ধ হয়ে যায় সড়ক বাতি। পাখির ডিম না ফোটা পর্যন্ত সবাই অন্ধকারে থাকার সিদ্ধান্ত নেয়। এগিয়ে আসেন গ্রামের তরুণ-তরুণী। তাদের সঙ্গে এগিয়ে আসেন বিভিন্ন পেশার লোক। বন্ধ থাকে আলো জ্বালানো।

ঘটনাটি ভারতের তামিলনাড়ুর শিবগঙ্গা জেলার একটি গ্রামের। সেখানকার কমিউনিটি সুইচবোর্ডের ভেতর বাসা বেঁধেছিল এক বুলবুলি পাখি। সেই বাসায় ডিম পেড়েছিল। একজন গ্রামবাসী সেটি সবার আগে দেখতে পেয়ে, ছবি তুলে হোয়াটস অ্যাপ গ্রুপে পাঠান। তার পরই পুরো গ্রামে নেমে আসে অন্ধকার। এ অন্ধকার আতঙ্কের নয়; বরং আনন্দের। খুশিমনে টানা ৩৫ দিন অন্ধকারে থাকলেন গ্রামবাসীরা।

পাখির ডিম থেকে ছানা ফুটে বের না হওয়া পর্যন্ত ওই গ্রামে আলো জ্বালানো হবে না, এ সিদ্ধান্ত ওই গ্রামবাসীরা সর্বসম্মতভাবেই নিয়েছিলেন। বুলবুলিটির বাসা ও ডিম বাঁচাতে টানা ৩৫ দিন রাস্তার আলো জ্বালাননি তারা। এই ভরা বর্ষায় গোটা গ্রামের লোকজন চলাচল করেছেন অন্ধকার রাস্তাতেই।

কারুপ্পুরাজা নামের এক কলেজ ছাত্র জানান, ওই গ্রামে মোট ৩৫টি স্ট্রিটলাইট রয়েছে। সব সুইচ ওই কমিউনিটি সুইচবোর্ডে বলে, গত ৩৫ দিন তারা সেগুলোর একটিও জ্বালাননি। মোবাইলের টর্চ, টর্চ লাইট ব্যবহার করেই গ্রামবাসী এই কদিন রাতে চলাচল করেছেন।

ওই গ্রামে একশো পরিবারের বাস। সবাইকে এ ব্যাপারে বুঝিয়ে রাজি করানো সহজ ছিল না। শুরুতে কেউ কেউ সামান্য পাখির বাসার জন্য এতদিন অন্ধকারে চলাচল করতে রাজি হচ্ছিলেন না। কিন্তু তাদের অনুরোধ করেন গ্রামের তরুণ-তরুণীরা।

0Shares





Related News

Comments are Closed