Main Menu

যে গ্রামের নারী-পুরুষ সকলেই থাকেন নগ্ন!

বিচিত্র ডেস্ক: শিরোনাম পড়ে যে কোনো পাঠকের কাছে গুজব মনে হতে পারে। নিশ্চয়ই ভুল তথ্যে ভরা ইন্টারনেটে বেশি লাইক পাওয়ার জন্যই হয়তো এই খবর৷ কিন্তু না, সোশ্যাল নেটওয়ার্কে করোনা থেকে একটু রিলিফের জন্য খুঁজে বার করা এমন এক খবর যা কিনা আপনার জানাই ছিল না৷ রীতিমতো হতবাক করার মতোই এই খবর৷

পৃথিবী এক আজব জায়গা৷ এত বড় বিশ্বে কোন কোণায় কী ঘটে যাচ্ছে তা জানা সত্যিই কঠিন৷ গোটা বিশ্বে ছড়িয়ে রয়েছে নানা জাতের মানুষ, নানা রকমের মানুষ৷ তাদের রোজকার জীবন আমার-আপনার থেকে এক্কেবারে আলাদা ৷

ঠিক এরকমই এক গ্রামের সন্ধান পাওয়া গেল ব্রিটেনের এক কোণায় ৷ যেখানে থাকার একটাই শর্ত শরীরে রাখা যাবে না পোশাক!

ঘটনাটি একেবারেই সত্যি৷ ঝড়ের মতো ছড়িয়ে পড়ছে এই গ্রামের কথা ৷ প্রথম এই খবরটি প্রকাশিত হয় ওয়াশিংটন পোস্ট সংবাদমাধ্যমে৷ তারপর ধীরে ধীরে সব সংবাদ মাধ্যমই ইচ্ছে প্রকাশ করে এই সংবাদটি সম্পর্কে৷

ইউকে-র এই গ্রামে সব আছে৷ টিভি, টেলিফোন, স্কুল সব৷ এক দিক থেকে দেখলে এই গ্রাম বেশ সভ্য৷ কিন্তু এই গ্রামের মানুষদের অদ্ভুত অভ্যাস ৷ শরীরের পোশাক রাখে না তারা ৷ নারী-পুরুষ নির্বিশেষে এই নিয়ম৷

এই গ্রামের এক মানুষই সংবাদমাধ্যমকে জানায়, পোশাক, সাজগোজ, অলংকার এগুলো মানুষের মধ্যে বিভেদ সৃষ্টি করে, তাই আমরা আমাদের গ্রামে এই বিভেদকে ঢুকতেই দিইনি৷

আন্তর্জাতিক সংবাদামধ্যম সূত্রে জানা যায়, ১৯২৯ সালে লন্ডন ছেড়ে চার্লস ম্যাকস্কি এবং তার স্ত্রী ডোরথি এই অঞ্চলে এসে বসবাস শুরু করেন। প্রথমে এই অঞ্চলে জমি কিনে তাবু তৈরি করে দু’জনে বসবাস শুরু করেন। এলাকাটির নাম দেন ‘স্পিলপ্লাজ’, যার অর্থ হল খেলার জায়গা।

সপ্তাহান্তে ম্যাকস্কি আর ডোরথির পরিচিতরা তাদের সঙ্গে দেখা করতে এখানে আসতেন। এভাবে ধীরে ধীরে ম্যাকস্কি আর ডোরথির অতিথিদের অনেকে এখানে বসবাস শুরু করেন। ১২ একর জমিতে গড়ে ওঠা এই গ্রামে বর্তমানে মোট ৫৫টি বাড়ি রয়েছে।

গ্রামটিতে বিদ্যুৎ সংযোগ রয়েছে। গ্রামের বাসিন্দাদের কাছে রয়েছে গৃস্থলির প্রয়োজনীয় যাবতীয় আধুনিক সরঞ্জাম। এমন কী আধুনিক, কেতাদস্তুর জামা-কাপড়ও রয়েছে তাদের কাছে। গ্রামের বাইরে গেলে জামা-কাপড় পরেই যান তারা। তবে গ্রামে থাকার সময় নগ্নতাই পছন্দ তাদের।

Share





Related News

Comments are Closed