Main Menu
শিরোনাম
বৃহত্তর জৈন্তার ঘরে ঘরে গ্যাস সংযোগের দাবী         সিলেট জেলায় আরো ৩২ জনের করোনা শনাক্ত         মাধবপুরে গাড়ির চাপায় দুই যুবকের মৃত্যু         সিলেটের ৫ উপজেলার নিম্নাঞ্চল প্লাবিত, পানি বাড়ছে         দ্বিতীয় দফা বন্যা, পানিতে ভাসছে সুনামগঞ্জ         কমলগঞ্জে দুই শিশুকে নির্যাতনের ঘটনায় গ্রেপ্তার ১         সুনামগঞ্জে আরো ১২ জনের করোনা পজিটিভ         কোম্পানীগঞ্জ সীমান্তে ভারতীয়দের গুলিতে যুবক নিহত         সিলেটে শ্রমিকনেতা রিপন হত্যায় মামলা, গ্রেপ্তার ২         ফের বন্যা, ছাতকে দুই লক্ষ মানুষ পানিবন্দি         সিলেট বিভাগে করোনায় আক্রান্ত ৫৭৫৪, মৃত্যু ৯৭         সিলেটে পরিবহন শ্রমিক নেতাকে ছুরিকাঘাতে হত্যা        

কবি সুফিয়া কামালের জন্মদিন আজ

বৈশাখী নিউজ ডেস্ক: কবি বেগম সুফিয়া কামালের ১০৯তম জন্মদিন আজ শনিবার (২০ জুন)। ১৯১১ সালের এই দিনে বরিশালের শায়েস্তাবাদে তিনি জন্মগ্রহণ করেন। তিনি ছিলেন আবহমান বাঙালি নারীর প্রতিকৃতি।

বাংলার প্রতিটি আন্দোলন সংগ্রামে ছিল তার আপোসহীন এবং দৃপ্ত পদচারণা। ১৯৪৭ সালে দেশ বিভাগের পর সুফিয়া কামাল পরিবারসহ কলকাতা থেকে ঢাকায় চলে আসেন। ভাষা আন্দোলনে তিনি সক্রিয়ভাবে অংশ নেন এবং এই আন্দোলনে নারীদের উদ্বুদ্ধ করেন। তিনি ১৯৫৬ সালে শিশু সংগঠন কচিকাঁচার মেলা প্রতিষ্ঠা করেন।

পাকিস্তান সরকার ১৯৬১ সালে রবীন্দ্র সংগীত নিষিদ্ধের প্রতিবাদে সংগঠিত আন্দোলনে তিনি জড়িত ছিলেন এবং ছায়ানটের প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হন। ১৯৬৯ সালে মহিলা সংগ্রাম কমিটির সভাপতি নির্বাচিত হন এবং গণঅভ্যুত্থানে অংশ নেন।

১৯৭০ সালে তিনি মহিলা পরিষদ প্রতিষ্ঠা করেন। ১৯৭১ সালের মার্চে অসহযোগ আন্দোলনে নারীদের মিছিলে নেতৃত্ব দেন। মুক্তিযুদ্ধের সময় তার ধানমন্ডির বাসভবন থেকে মুক্তিযোদ্ধাদের সহায়তা দেন।

স্বাধীন বাংলাদেশে নারী জাগরণ ও নারীদের সমঅধিকার প্রতিষ্ঠার সংগ্রামেও তিনি উজ্জ্বল ভূমিকা পালন করেন। ১৯৯০ সালে স্বৈরাচার বিরোধী আন্দোলনে অংশগ্রহণসহ কারফিউ উপেক্ষা করে নীরব শোভাযাত্রা বের করেন।

সাম্প্রদায়িকতা ও মৌলবাদের বিরুদ্ধে তিনি আজীবন সংগ্রাম করেছেন। প্রতিটি প্রগতিশীল আন্দোলনে অংশ নিয়েছেন তিনি।

সাঁঝের মায়া, মন ও জীবন, শান্তি ও প্রার্থনা, উদাত্ত পৃথিবী ইত্যাদি তার উল্লেখযোগ্য কাব্যগ্রন্থ। এছাড়া সোভিয়েতের দিনগুলি এবং একাত্তরের ডায়েরী তার অন্যতম ভ্রমণ ও স্মৃতিগ্রন্থ।

সুফিয়া কামাল দেশ-বিদেশের ৫০টিরও বেশি পুরস্কার লাভ করেছেন। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য বাংলা একাডেমি পুরস্কার, সোভিয়েত লেনিন পদক, একুশে পদক, বেগম রোকেয়া পদক, জাতীয় কবিতা পরিষদ পুরস্কার ও স্বাধীনতা দিবস পদক।

১৯৯৯ সালের ২০ নভেম্বর মারা যান তিনি।

0Shares





Comments are Closed