Main Menu

কানাইঘাটে সুরমার ডাইকে ভাঙ্গন, আতঙ্কে গ্রামবাসী

Manual6 Ad Code

কানাইঘাট প্রতিনিধি: পাহাড়ি ঢলের কারণে সিলেটের কানাইঘাট পয়েন্টে সুরমার পানি বিপদসীমার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। পানি বাড়ছে লোভা নদীরও। বুধ্বার সন্ধ্যে ৬টায় কানাইঘাট পয়েন্টে বিপদসীমার ২২ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে পানি প্রবাহিত হচ্ছিল।

Manual5 Ad Code

এদিকে সুরমায় পানি বাড়ার কারণে উপজেলার লক্ষীপ্রসাদ পশ্চিম ইউপির নদী ভাঙ্গন কবলিত কুওরঘড়ি, বনগৌরিপুর, দক্ষিণ লক্ষীপ্রসাদ গ্রামের সুরমা ডাইকের বিভিন্ন স্থানে ভাঙ্গন দেখা দিয়েছে। বুধবার সকালে কুওরঘড়ি মন্দিরের ঘাট এলাকায় ডাইকের কয়েক ফুট রাস্তা পানির স্রোতে ভেঙ্গে গিয়ে লোকালয়ে পানিতে তলিয়ে যায়।

Manual5 Ad Code

খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে ছুটে যান উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ বারিউল করিম খান। তিনি সুরমা ডাইকের ভাঙ্গনের বিষয়টি সিলেটের জেলা প্রশাসক কাজী এমদাদুল হক ও সিলেট পানি উন্নয়ন বোর্ডের কর্মকর্তাদের অবহিত করেন।

সেখানে সার্বক্ষণিক উপস্থিত থেকে নদী ভাঙ্গন প্রতিরোধ ও ভাঙ্গন কবলিত এলাকা মেরামতের জন্য বাঁশ ও বালু-মাটির বস্তা ফেলার কাজ শুরু করেন নির্বাহী কর্মকর্তা বারিউল করিম খান। লক্ষীপ্রসাদ পশ্চিম ইউপির চেয়ারম্যান জেমস্ লিও ফারগুসন নানকা ও সিলেট পানি উন্নয়ন বোর্ডের উপ-সহকারী প্রকৌশলী রুবেল সরকারও সেখানে উপস্থিত ছিলেন।

স্থানীয়রা জানান, সুরমা ডাইকের বনগৌরিপুর, কুওরঘড়ি, দক্ষিণ লক্ষীপ্রসাদ এলাকা নদীর তীরবর্তী ৩/৪ কিলোমিটার স্থান ব্যাপক ভাঙন ঝুঁকিতে আছে। প্রতিবছর নদী ভাঙ্গনে সুরমা ডাইকের রাস্তা বিলীনের পাশাপাশি অনেকের ফসলি জমি ও বাড়ি-ঘর সুরমার ভয়াল থাবায় বিলীন হচ্ছে। এসব এলাকার নদী ভাঙ্গন প্রতিরোধে ব্লক স্থাপনের দাবী জানিয়েছেন তারা।

Manual7 Ad Code

নির্বাহী কর্মকর্তা বারিউল করিম খান বলেন, ‘সুরমা ডাইকের কুওরঘড়ি মন্দিরেরঘাট নামক স্থানে ভাঙ্গনের খবর পেয়ে আমি সেখানে ছুটে যাই এবং ভাঙ্গন প্রতিরোধে ব্যবস্থা গ্রহণ করি। কুওরঘড়ি ও লক্ষীপ্রসাদ এলাকার নদী ভাঙ্গন প্রতিরোধে সরকারীভাবে চলতি বছরে কার্যকরী ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলে তিনি জানান।’

Manual4 Ad Code

সুরমা ও লোভা নদীর পানি বৃদ্ধি পাওয়ায় সুরমা ডাইকের তীরবর্তী বিভিন্ন গ্রাম এলাকায় ভাঙ্গন দেখা দেয়ায় জনসাধারণ আতঙ্কে রয়েছেন।

Share





Related News

Comments are Closed

Manual1 Ad Code
Manual4 Ad Code