Main Menu

৮টি ভ্যাকসিনকে পরীক্ষার জন্য অনুমোদন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক: নভেল করোনা ভাইরাস প্রতিরোধে সারা বিশ্বে ভ্যাকসিন তৈরির প্রতিযোগিত চলছে। তবে কয়েক মাস ধরে বিশ্ববাসীর প্রত্যাশিত এই ভ্যাকসিন এখনও পর্যন্ত কেউ তৈরি করতে পারেনি। দুই-একটি প্রতিষ্ঠান তাদের সফল বলে দাবি করেছেন।

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও) বলছেন, কোভিড-১৯ রোগ প্রতিরোধে বিশ্বজুড়ে ১০৮টি সম্ভাব্য ভ্যাকসিন (প্রতিষেধক) তৈরির কাজ চলছে।

মঙ্গলবার (৫ মে) তাদের ওয়েবসাইটে এ সংক্রান্ত একটি নথি প্রকাশ করা হয়েছে। জাতিসংঘের এই সংস্থাটি বলছে, বিশ্বজুড়ে সম্ভ্যাব্য এই ১০৮টি ভ্যাকসিনের মধ্যে ৮টি ক্লিনিক্যাল ট্রায়াল অর্থাৎ মানবদেহে প্রয়োগের অনুমোদন পেয়েছে। গত ১৬ মার্চ প্রথমবারের মতো করোনা ভাইরাসের সম্ভ্যাব্য ভ্যাকসিন মানবদেহে প্রয়োগ করে দ্য আমেরিকান ন্যাশনাল হেলথ ইনস্টিটিউট বা এনআইএস।

তবে গত ৩০ এপ্রিল বৃহস্পতিবার পর্যন্ত এই সংখ্যা ছিল ১০৪টি। গবেষণাধীন সম্ভ্যাব্য ভ্যাকসিনের তালিকায় নতুন করে যুক্ত হয়েছে, জাপানের ইউনিভার্সিটি অব টোকিও, তুলানে বিশ্ববিদ্যালয়, ইউনিভার্সিটি অব আলবার্টা এবং দ্য ইউনিভার্সিটি অব পিটসবার্গ।

ভ্যাকসিন তৈরিতে একধাপ এগিয়ে ভাইরাসের উৎপত্তিস্থল চীন। ক্লিনিক্যাল ট্রায়ালের জন্য অনুমোদন পাওয়া ৮টি ভ্যাকসিনের মধ্যে ৫টি চীনের।

এছাড়া যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্যে একটি করে ভ্যাকসিন তৈরির কাজ চলছে। অপরটি যৌথভাবে তৈরির কাজ করছে জার্মান কোম্পানি বায়োএনটেকে ও যুক্তরাষ্ট্রের বায়োটেক কোম্পানি পিজফার।

গত ১৬ মার্চ যুক্তরাষ্ট্রে প্রথমবারের মতো মানবদেহে পরীক্ষামূলকভাবে ভ্যাকসিন প্রয়োগের পর আরও ৭টি গবেষণা প্রতিষ্ঠান কিংবা বায়োটেক কোম্পানি তাদের তৈরি কোভিড-১৯ এর সম্ভ্যাব্য ভ্যাকসিন মানবদেহে প্রয়োগ করে। পরীক্ষা-নিরিক্ষা শেষে কার্যকরীতার প্রমাণ পাওয়া গেলে তা বাজারে আসবে।

Share





Related News

Comments are Closed