Main Menu

সিলেটে সেই যুবকের শরীরে নেই করোনা ভাইরাস

বৈশাখী নিউজ ২৪ ডটকম: সিলেট শহীদ শামসুদ্দীন হাসপাতালে করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত সন্দেহে ভর্তি হওয়া প্রবাসি যুবকের শরীরে করোনা ভাইরাস ধরা পড়েনি। ঢাকায় পরীক্ষাগারে তার সকল রিপোর্ট বের হয়েছে বলে জানা গেছে। এতে তার শরীরে করোনা ভাইরাস নেই বলে জানিয়েছে একটি বিশ্বস্ত সুত্র। রবিবার সিলেটে আনুষ্টানিকভাবে এই রিপোর্ট আসবে বলে সুত্র জানিয়েছে।

শনিবার রাতে সিলেট ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের উপ পরিচালক ডা. হিমাংশু লাল রায় বিষয়টি নিশ্চিত করে সংবাদ মাধ্যমকে জানান, সরকারের রোগতত্ত্ব, রোগ নিয়ন্ত্রণ ও গবেষণা ইনস্টিটিউট (আইইডিসিআর) গত বৃহস্পতিবার ওই রোগীর রক্তের নমুনা ঢাকায় নিয়ে গিয়েছিলো। আজ তারা মৌখিকভাবে জানিয়েছেন পরীক্ষা-নীরিক্ষায় রোগীর শরীরে করোনা ভাইরাসের উপস্থিতি পাওয়া যায়নি। ৮ মার্চ রোববার তারা এসংক্রান্ত লিখিত রিপোর্ট পাঠাবে।

একই সাথে রোববার (৮ মার্চ) তাকে হাসপাতাল থেকে ছাড়া হবে বলেও জানিয়েছে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের একটি সূত্র। তবে তার আগে তাকে পরীক্ষা-নিরীক্ষা করা হবে। অন্য কোন সমস্যা থাকলে থাকে চিকিৎসা দেয়া হতে পারে। সেজন্য হয়তো আরোও কয়েকদিন হাসপাতালে রাখা হতে পারে।

এদিকে দুবাই প্রবাসী কানাইঘাটের এই যুবকের সাথে সেলফি তুলা চিত্র সাংবাদিক আজমল আলীকে আর পরীক্ষা-নিরীক্ষা করা হবে না বলেও জানানো হয়েছে। কারণ যুবকের যেহেতু করোনা নেই, সেহেতু তারও করোনা হওয়ার সম্ভাবনা নাই।

আর সিলেটের সিভিল সার্জন ডা. প্রেমানন্দ মণ্ডল বলেন, কানাইঘাটের ওই যুবকের অবস্থা আগের চাইতে একটু ভালো। সে এখন ঘন ঘন কাশছে না এবং জ্বরের মাত্রাও একটু কম।

উল্লেখ্য, সিলেটের কানাইঘাট উপজেলার সুতারগ্রামের হাফিজ আলী হোসেনের ছেলে দুবাই প্রবাসী জাকারিয়া (৩২) ‘করোনাভাইরাসে আক্রান্ত সন্দেহে’ গত বুধবার থেকে সিলেটের শহীদ শামসুদ্দিন আহমদ হাসপাতালের আইসোলেশন ওয়ার্ডে চিকিৎসাধিন। জাকারিয়া দুবাইয়ের একটি আবাসিক হোটেল ও রেস্টুরেন্টে কাজ করতেন। সেই হোটেলের সবচেয়ে বেশি কাস্টমার ছিল চীনের নাগরিক। দুবাই থাকাকালীন জাকারিয়ার শরীরে জ্বর উঠে। সেখানে চিকিৎসাও করান। অবস্থার তেমন উন্নতি না হওয়ায় তিনি দুবাই থেকে গত ২৯ ফেব্রুয়ারি দেশে চলে আসেন। দেশে আসার পরও তার শরীরের জ্বর ও কাশি কমেনি। তাই শরণাপন্ন হন সিলেটের বেশ কয়েকজন বিশেষজ্ঞ ডাক্তারের। কিন্তু কিছুতেই কাজ হয়নি।

পরে গত ৪ মার্চ বুধবার তিনি এসব উপসর্গ নিয়ে সিলেট ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে যান। ডাক্তাররা তখন সমস্যাগুলো শুনেন। যেগুলো করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত রোগীর লক্ষণ থাকে এর সাথে দুবাই প্রবাসি এই যুবকের রয়েছে। তখন চিকিৎসকরা তাকে ঢাকায় যেতে বলেন। কিন্তু তিনি ঢাকায় যেতে না চাওয়ায় তাকে সিলেট শহীদ শামসুদ্দিন আহমদ হাসপাতালের আইসোলেশন ওয়ার্ডে প্রেরণ করা হয়। বর্তমানে তিনি সেখানেই চিকিৎসাধীন।

Share





Related News

Comments are Closed