Main Menu

যাচ্ছে খাদ্য সামগ্রী, আসছে ইয়াবা, মদ

জৈন্তাপুর (সিলেট) প্রতিনিধি: ঈদকে সমানে রেখে জৈন্তাপুর উপজেলার সীমান্ত জুড়ে চোরাকারবারীরা সক্রিয় হয়ে উঠেছে। বাংলাদেশ হতে যাচ্ছে খাদ্য দ্রব্য, প্লাষ্টিক সামগ্রী আর বিনিময়ে আসছে জিরা, নিন্মমানের চা-পাতা, ইয়াবা, মদ ও নাসির বিড়ি।

সরেজমিনে জৈন্তাপুর সীমান্ত এলাকা ঘুরে দেখা যায়, উপজেলার নলজুরী, আলুবাগান, মোকামপুঞ্জি, আদর্শগ্রাম, ঝিঙ্গাবাড়ী, মিনাটিলা, কেন্দ্রী হাওর, কেন্দ্রী, ডিবিরহাওর, ফুলবাড়ী, ঘিলাতৈল, টিপরাখলা, কমলাবাড়ী, গোয়াবাড়ী, হর্নি, বাইরাখেল, কালিঞ্জি, জালিয়াখলা, খালাখাল চা-বাগান, আফিফা নগর চা-বাগান, তুমইর, বালীদাঁড়া, সিঙ্গারীরপাড় এলাকা দিয়ে দিন দুপুরে চোরাকারবারী চক্রের সদস্যরা সীমান্তের ওপার থেকে বানের পানির মত নিয়ে আসছে ইয়াবা, মদ, নাসির বিড়ি, ভারতীয় নিন্মমানের চা-পাতা, জিরা, ভারতীয় বিভিন্ন ব্রান্ডের সিগারেট ও ভারতীয় রোগাক্রান্ত গরু, মহিষ। বিনিময়ে বাংলাদেশ হতে যাচ্ছে হাজার হাজার বস্তা মটর ও প্লাষ্টিক সামগ্রী। মাঝে মধ্যে বিজিবি লোক দেখানো অভিযান পরিচালনা করলেও রাতের অন্ধকারে যেন ভারত বাংলা একাকার হয়ে যায়।
উপজেলা জুড়ে প্রায় ২শতাধিক চেরাকারবারী এসব চোরাচালানের সাথে জড়িত রয়েছে। ঈদকে সামনে রেখে জৈন্তাপুর সীমান্ত যেন অরক্ষিত হয়ে পড়েছে।

এদিকে উপজেলা আইনশৃঙ্খলা বৈঠকে একাধিকবার স্থানীয় সংবাদকর্মীরা বিষয়টি উত্থাপন করলেও কোন কাজ হচ্ছে না।

সীমান্তের এসব কারবার নিয়ে গত ৩১ জুলাই সকাল ১০টার দিকে চোরাকারবারী দলের সদস্য রাম বিশ্বাস, আলমগ্রীর ও শ্রমিকনেতা সাইফুল ইসলামের নেতৃত্বে ভারতের মুক্তাপুর বস্তির রাবিশ নামের এক খাসিয়াকে ধরে নিয়ে আসে। সংবাদকর্মীরা বিষয়টি জানার পর রাত ৯টায় ছেড়ে দেওয়া হয়। চোরাকারবারীদের অপতৎপরতার কারনে সীমান্ত এলাকার বাসিন্ধারা এখন নিরাপদ জীবন যাপন করতে পারছে না।

এদিকে গত জুলাই মাসে ভারতীয় গরু পাচারের সময় সীমান্তের বাসিন্ধাদের গরু চুরি করে নিয়ে যাওয়া হয়। স্থানীয় এলাকাবাসী জুলাই মাসে ১টি ভারতীয় গরু এবং ৩টি স্থানীয় ইউপি সদস্যার গরু সহ চোরাইগরু বহনকারী একটি পিকআপ আটক করে থানা পুলিশের কাছে হস্তান্তর করে।

সম্প্রতি উপজেলার বিভিন্ন সীমান্ত দিয়ে হাজার হাজার বস্তা মটর পাচার হলেও সীমান্ত আইন প্রয়োগকারী বাহিনী নিরব দর্শকের ভূমিকা পালন করছে।

এবিষয়ে জৈন্তাপুর উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা সন্তান কমান্ডের সাধারন সম্পাদক সচেতন দেশবাসীর দৃষ্টি আর্কষন করে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেইস বুকে স্যার্টাস দেন।

এবিষয়ে উপজেলা চেয়ারম্যান কামাল আহমদ বলেন- আমি দায়িত্ব গ্রহনের পর তিনটি আইনশৃঙ্খলা বৈঠকে সংশ্লিষ্ট আইন প্রয়োগকারী সংস্থার প্রতি কঠোর হওয়ার আহবান জানাই কিন্তু কেন তারা বিষয়টি দেখছে না তা নিয়ে আমি শংঙ্কিত। আগামী জেলা আইন শৃঙ্খলা বৈঠকে বিষয়টি তুলো ধরব।

এবিষয়ে জৈন্তাপুর মডেল থানা অফিসার ইনচার্জ শ্যামল বনিক বলেন- আমি আজ ৬দিন হয়েছে এই থানায় যোগদান করেছি। যোগদানের দ্বিতীয় দিন ৫ বোতল অফিসার চয়েছ মদ সহ একজনকে আটক করি হাজতে প্রেরন করেছি। আমার অঙ্গীকার জৈন্তাপুরে হয় মদ থাববে, না হয় আমি থাকব।

Share





Related News

Comments are Closed