Main Menu

আল-খাজা মার্কেট নিয়ে অপপ্রচার বন্ধের দাবি

বৈশাখী নিউজ ২৪ ডটকম: কস্টার্জিত অর্থ দেশে বিনিয়োগ করে আল-খাজা মার্কেট নির্মান করে কুচক্রী মহলের চক্রান্তের জালে পড়ে বিপর্যস্ত মার্কেটের স্বত্বাধিকারী। ভাড়াটিয়া কথিত কবিরাজ কানু পালকে বিভিন্ন অভিযোগে বিতাড়িত করায় সে আমার ও মার্কেটের বিরুদ্ধে নানা ধরনের ক্ষয়ক্ষতির হুমকিসহ অপপ্রচার চালিয়ে যাচ্ছে। যে কোনো সময় আমার পরিবারের ও মার্কেটের ক্ষতি করতে পারে।

শনিবার (১৩ জুলাই) সিলেট জেলা প্রেসক্লাবে এক সংবাদ সম্মেলনে এ অভিযোগ করেন নগরীর কাস্টঘরস্থ আল খাজা মার্কেট ও মহাজনপট্রি নিউ মার্কেটের সত্বাধিকারী মো. শায়েস্তা মিয়া।

সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে বলা হয়, গত ১ মে আমার মার্কেটে অগ্নিকান্ডের ঘটনা ঘটে। অগ্নিকান্ডের পর সিলেট সিটি করপোরেশনের মেয়র আরিফুল হক চৌধুরী, সিলেট ফায়ার সার্ভিস স্টেশনের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা, স্থানীয় মহাজনপট্রি ও কাস্টঘরের ব্যবসায়ীরা, এলাকার লোকজন ও সাংবাদিকরা গিয়ে আমাদের সার্বিক সহযোগিতা করেন। সুতোর দোকান থেকে আগুন লাগে। কিন্তু একটি মহল ক্যামিকেলের গোডাউন থেকে অগ্নিকান্ড ঘটছে প্রচার করে আমাদের সুনাম নষ্ট করছে। অসাবধানতাবশত আমাদের আল-খাজা মার্কেটের গ্রাউন্ড ফ্লোরে কিছু ক্যামিকেলের জিনিসপত্র ছিলো। তবে- আমার মার্কেটের ব্যবসায়ীরা সতর্কতার সঙ্গেই ওই জিনিসপত্র রেখেছিলেন। ওই দিন আগুন ক্যামিকেলের জিনিসপত্র পর্যন্ত ছড়ায়নি। তার আগেই আগুন নিয়ন্ত্রনে আসে। ঘটনার পরদিনই আমরা ক্যামিকেলের জিনিসপত্র সরিয়ে ফেলেছি। সিটি করপোরেশনের কর্মকর্তা ও ম্যাজিস্ট্রেট গিয়েও ব্যবসায়ীদের সতর্ক করে দিয়ে আসেন। এরপর থেকে আমরা মার্কেটের গোডাউনে কোনো জিনিসপত্র রাখছি না।

তিনি বলেন আন্ডারগ্রাউন্ড মার্কেটের পার্কিংয়ের জন্য ব্যবহার করা হচ্ছে। ৫ তলা বিশিষ্ট মার্কেটের ব্যবসায়ী ও বাসিন্দাদের নিরাপত্তার স্বার্থে ৪টি সিঁড়ি রয়েছে। সঙ্গে ইমার্জেন্সি এক্সিট সিড়িও রয়েছে। আগে থেকেই মার্কেটে অগ্নিনির্বাপকের ৯টি যন্ত্র ছিলো। আগুন লাগার সময় এগুলো কাজ করেছে। পরে আমরা আরো ৯টি যন্ত্র কিনেছি। এখন মোট ১৮টি যন্ত্র রয়েছে। আন্ডার গ্রাউন্ডে একটি ইর্মাজেন্সি ট্যাংকিতে সব সময় পানি ভর্তি থাকে। প্রতি তলায় অগ্নি নির্বাপনের জন্য মোটরযুক্ত পানির পাইপ রয়েছে। ভবনের ৭ তলা ফাউন্ডেশন থাকলেও ৫ তলা পর্যন্ত করা হয়। ব্যবসায়ী ও বসবাসকারী মানুষের স্বার্থে ভবন ঝুঁকিমুক্ত আছে।

সম্মেলনে বলা হয়, মার্কেট পূর্বে থেকে বর্তমানে পুরোপুরি ঝুঁকিমুক্ত আছে। মার্কেটটি সম্পূর্ণ নিরাপদ রয়েছে। পূর্বের ভাড়াটিয়া কানু পাল আমাদের বিরুদ্ধে উঠে পড়ে লেগেছে। সে বৈধ মার্কেটকে অবৈধ আখ্যায়িত করে একের পর এক অভিযোগ দিচ্ছে বিভিন্ন দপ্তরে। সে প্রচার করছে এই মার্কেট অনিরাপদ, অবৈধ। কানু পালের বেহায়াপনা চিকিৎসা কার্যক্রমে ক্ষুব্ধ ছিলেন মার্কেটের ব্যবসায়ীরা। তাই অভিযোগ পেয়ে সিলেট সিটি করপোরেশনের কর্মকর্তাদের সামনে তাকে বিদায় করা হয়। আবাসিক ফ্ল্যাট থেকে বিদায় দেওয়ায় কানু পাল আমাদের বিরুদ্ধে মানববন্ধন সহ বিভিন্ন দপ্তরে মিথ্যা ও বানোয়াট অভিযোগ করে হেনস্থা করার চেষ্ঠায় ব্যস্ত রয়েছে। এ ব্যাপারে ভীত সন্ত্রস্থ হয়ে ৯ জুলাই কোতোয়ালি থানায় জিডি করা হয়েছে।

মার্কেটের আয় দিয়ে সংসার চলে উল্লেখ করে শায়েস্তা মিয়া বলেন, কানু পালের হুমকিতে আমি এখন আমার সন্তানদের নিয়ে উদ্বিগ্ন হয়ে পড়েছি। কানু পাল আমার ও আমার সন্তানদেরসহ মার্কেটের ক্ষতি করতে পারে। এ ব্যাপারে তিনি সকলের সহযোগিতা কামনা করেন।

Share





Related News

Comments are Closed