Main Menu

সাংবাদিক মাহফুজ উল্লাহ’র জানাজা আজ

Manual7 Ad Code

বৈশাখী নিউজ ডেস্ক: বিশিষ্ট সাংবাদিক মাহফুজ উল্লাহ’র দুই দফা জানাজা অনুষ্ঠিত হবে আজ রোববার। পরে তাকে মিরপুরে শহীদ বুদ্ধিজীবী কবরস্থানে দাফন করা হবে।

বিএনপি চেয়ারপারসনের প্রেস উইংয়ের সদস্য শায়রুল কবির খান ও শামসুদ্দিন দিদার এ তথ্য জানিয়েছেন।

তারা জানান, মাহফুজ উল্লাহর প্রথম নামাজের জানাজা অনুষ্ঠিত হবে রবিবার (২৮ এপ্রিল) বাদ যোহর গ্রিনরোড ডরমিটরি মসজিদে। দ্বিতীয় জানাজা হবে আসরের নামাজের পর জাতীয় প্রেসক্লাবে।’

Manual5 Ad Code

এর আগে শনিবার (২৭ এপ্রিল) রাত পৌনে ১টায় থাই এয়ারওয়েজের একটি ফ্লাইটে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছায় মাহফুজ উল্লাহ’র মরদেহ। সেখান থেকে দেশের প্রথিতযশা এই সাংবাদিকের মরদেহ নেয়া হয় রাজধানীর মোহাম্মদপুরস্থ বাসভবনে।

শনিবার (২৭ এপ্রিল) বাংলাদেশ সময় সকাল ১০টা ৫ মিনিটে থাইল্যান্ডের রাজধানী ব্যাংককের একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৬৯ বছর।

Manual3 Ad Code

তিনি হৃদরোগ, কিডনি ও উচ্চ রক্তচাপজনিতসহ বিভিন্ন সমস্যায় ভুগছিলেন। গত ১১ এপ্রিল (বৃহস্পতিবার) গুরুতর অসুস্থ অবস্থায় তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য এয়ার অ্যাম্বুলেন্সে ব্যাংককের একটি হাসপাতালে নেয়া হয়। তার সঙ্গে যান অস্ট্রেলিয়া প্রবাসী বড় মেয়ে ডা. মেঘলা ও জামাতা।

Manual5 Ad Code

গত ২ এপ্রিল সকালে রাজধানীর ধানমন্ডির গ্রীন রোডে মাহফুজউল্লাহ তার নিজ বাসায় হৃদরোগে আক্রান্ত হলে তাকে স্কয়ার হাসপাতালের নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে (আইসিইউ) রাখা হয়। পরে শারীরিক অবস্থার উন্নতি না হওয়ায় দেশের সিনিয়র সাংবাদিক মাহফুজ উল্লাহকে উন্নত চিকিৎসার জন্য থাইল্যান্ডের বামরুনগ্রাদ হাসপাতালে নিতে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। মাহফুজউল্লাহ হৃদরোগ, কিডনি ও উচ্চ রক্তচাপজনিত সমস্যায় ভুগছিলেন। দেশের এই প্রথিতযশা সাংবাদিক ছাত্রজীবনে বাম রাজনীতি করা মাহফুজ উল্লাহ ষাটের দশকে ছাত্র ইউনিয়নের সভাপতি ছিলেন।

Manual2 Ad Code

সাংবাদিক মাহফুজউল্লাহ ৭০ ও ৮০ দশকের প্রথিতযশা সাংবাদিক ছিলেন। ছাত্রজীবনে বাম রাজনীতি করা মাহফুজউল্লাহ ষাটের দশকে ছাত্র ইউনিয়নের সভাপতি ছিলেন। তিনি সাংবাদিকতা ছাড়াও খণ্ডকালীন শিক্ষক হিসেবে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষকতা করেছেন। সর্বশেষ তিনি ড্যাফোডিল বিশ্ববিদ্যালয়ে সাংবাদিকতা ও গণযোগাযোগ বিভাগে শিক্ষকতায় নিয়োজিত ছিলেন।

সাংবাদিক মাহফুজউল্লাহ ১৯৫০ সালে নোয়াখালী জেলায় জন্মগ্রহণ করেন। মাহফুজ উল্লাহ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পদার্থবিদ্যা ও সাংবাদিকতায় স্নাতকোত্তর করেন। তার বাবা শিক্ষাবিদ মরহুম হাবিবুল্লাহ ও মাতা মরহুমা ফয়জুননিসা বেগম। ভারতীয় কমিউনিস্ট পার্টির প্রতিষ্ঠাতা ও কাজী নজরুল ইসলাম সম্পাদিত ‘লাঙল’ এবং ‘ধুমকেতু’ পত্রিকার প্রকাশক কমরেড মুজাফফর আহমদ ছিলেন তাঁর নানা।

লেখক হিসেবেও মাহফুজউল্লাহ প্রশংসিত ছিলেন। তাঁর লেখা ৫০-এর অধিক বই পৃথিবীর বিভিন্ন নেতৃস্থানীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের লাইব্রেরিতে সহায়ক গ্রন্থ হিসেবে সংগৃহিত আছে। তাঁর লেখা উল্লেখযোগ্য বইয়ের মধ্যে রয়েছে- ‘প্রেসিডেন্ট জিয়া অব বাংলাদেশ: আ পলিটিক্যাল বায়োগ্রাফি’, ‘যাদুর লাউ’, ‘যে কথা বলতে চাই’, ‘অভ্যুত্থানের ঊনসত্তর’, ‘পূর্ব পাকিস্তান ছাত্র ইউনিয়ন: গৌরবের দিনলিপি (১৯৫২-৭১)’, ‘উলফা অ্যান্ড দ্য ইনসারজেন্সি ইন আসাম’, ‘স্বাধীনতার প্রথম দশকে বাংলাদেশ’। গত বছরের শেষ দিকে বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়াকে নিয়ে লিখেন- ‘বেগম খালেদা জিয়া: হার লাইফ হার স্টোরি’।

Share





Related News

Comments are Closed

Manual1 Ad Code
Manual7 Ad Code