Main Menu

সিলেটের সীমান্ত দিয়ে আসছে ভারতীয় রোগাক্রান্ত গরু

জৈন্তাপুর প্রতিনিধি: সিলেটের বিভিন্ন সীমান্ত এলাকা দিয়ে অবাধে আসছে ভারতীয় রোগাক্রান্ত গরু। জেলার জৈন্তাপুর উপজেলার লালাখাল, গোয়াবাড়ী, ডিবির হাওর, শ্রীপুর, নলজুড়ি, তামাবিল ও গোয়াইনঘাট, কানাইঘাট, কোম্পানীগঞ্জ উপজেলার বিভিন্ন সীমান্ত এলাকা দিয়ে প্রতিদিন শত শত ভারতীয় এসব রোগাক্রান্ত গরু দেশে প্রবেশ করছে। পরবর্তীতে এ গরুগুলো সিলেটসহ দেশের বিভিন্ন জেলায় নিয়ে যাওয়া হচ্ছে।

খোঁজ নিয়ে জানা যায়, ভারত থেকে নামানোর পর অনেক গরু রাস্তায় মরে যায়। এই মৃত গরুগুলোকে শিয়াল, কুকুর এমন কি বনের কোন পশুকে খেতে দেখেনি এলাকার লোকজন।

প্রত্যক্ষদর্শীরা বলেন, মাছি পর্যন্ত এসব মৃত গরুর গায়ে বসে না। এতে বুঝা যাচ্ছে কতটা বিষাক্ত গরুর মাংস আমরা খাচ্ছি। এই গরু গুলি আমাদের দেশের আইন শৃঙ্খলা বাহিনী ও সরকারী বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের মেসেও জবাই করে খাওয়ানো হচ্ছে। সাধারণ মানুষও বাজার থেকে মাংস কিনে নিচ্ছে। কোন প্রকার পরিক্ষা নীরিক্ষা ছাড়াই।

এদিকে কোন প্রকার পরিক্ষা নীরিক্ষা ছাড়াই এই গরু গুলি চোরাই পথে ভারত থেকে আসছে। এতে করে সরকার কোটি কোটি টাকার রাজস্ব হারাচ্ছে। এমন বিষাক্ত গরুর মাংস বেশি খেলে ক্যান্সার সহ মহামারী আকারে রোগ ছড়িয়ে পড়তে পারে।

গরু ব্যবসায়ী ও সীমান্তবর্তী বাসিন্দাদের সাথে কথা বলে জানা যায়, ভারতের এই গরু গুলিকে এক ধরনের ইনজেকশন দিয়ে পাঠানো হচ্ছে বাংলাদেশে। যার ফলে গরুর ক্ষুধা লাগবে না এবং ছুটাছুটি করবে না। যা এই গরু তিন মাস জীবিত থাকবে। এই ইনজেকশন মারার পর গরুর শরীর বিষাক্ত হয়ে যায়। গরুর চোখ দিয়ে পানি পড়ে, মুখ দিয়ে লালা বের হতে দেখা যায়।

সিলেট জেলা প্রাণী সম্পদ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালকের সাথে কথা বলে জানা যায়, রোগাক্রান্ত গরুর মাংস খেলে ক্যান্সার সহ বিভিন্ন ধরনের রোগ হতে পারে। তিনি আরো বলেন, প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশ আছে, সীমান্ত এলাকা দিয়ে কোন ধরনের গরু প্রবেশ করবে না। কিন্তু কিভাবে এ নির্দেশ অমান্য করে গরু আসছে তা আমার জানা নেই। বিষয়টি আমি জানলাম, বিভাগীয় কমিশনার ও জেলা প্রশাসক মহোদয়কে অবহিত করবো।

Share





Related News

Comments are Closed