Main Menu

শিশু মুরসালিন হত্যাকারী বাবার স্বীকারোক্তি

Manual7 Ad Code

বৈশাখী নিউজ ২৪ ডটকম: সিলেটের জৈন্তাপুরে নিজের শিশু পুত্রকে হত্যা করেন তার বাবা দেলোয়ার। আটকের পর পুলিশের প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে নিজের ১১মাস বয়সী সন্তানকে হত্যার দায় স্বীকার করায় ১৬৪ ধারায় দেলোয়ারের বক্তব্য রেকর্ডের জন্য রোববার আদালতে হাজির করা হয় তাকে।

এর আগে গত শুক্রবার জৈন্তাপুর উপজেলার ফিসারী থেকে উদ্ধার হওয়া ১১মাসের নিহত শিশু মুরসালিনের হত্যাকারী পিতাকে শনিবার রাতে লক্ষীপুর জেলার শাকচর থেকে আটক করে জৈন্তাপুর মডেল থানা পুলিশ।

Manual2 Ad Code

শনিবার (২০ এপ্রিল) জৈন্তাপুর মডেল থানায় শিশুর মা বিলকিছ বেগমের করা মামলার প্রেক্ষিতে তথ্য প্রযুক্তির সহায়তায় রাতেই লক্ষীপুর জেলা শাকচর থেকে শিশুর পিতা দেলোয়ার হোসেন কে আটক পুলিশ। আটককৃত দেলোয়ার কে রাতের মধ্যেই সিলেটের জৈন্তাপুর মডেল থানায় নিয়ে আসা হয়। পুলিশের প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে নিজের শিশু হত্যার দায় স্বীকার করে দেলোয়ার।

Manual6 Ad Code

রোববার (২১ এপ্রিল) দুপুর ১২টায় ১৬৪ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক বক্তব্য রেকর্ডের জন্য বিশেষ নিরাপত্তায় তাকে আদালতে প্রেরণ করা হয়।

জানা যায়, জৈন্তাপুর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) খান মোঃ মইনুল জাকিরের সার্বিক নির্দেশনায় এসআই মো. আজিজুর রহমানের নেতৃত্বে তথ্য প্রযুক্তির সহায়তায় ২০ এপ্রিল রাতে নোয়াখালীর লক্ষীপুর থেকে দেলোয়ারকে আটক করা হয়। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে নিজের শিশু হত্যার দায় স্বীকার করে সে।

এবিষয়ে জৈন্তাপুর মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ খান মো. মইনুল জাকির বলেন, তথ্য প্রযুক্তির সহায়তায় ঘাতক পিতাকে আটক করতে সক্ষম হয়েছি। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে নিজের ১১মাস বয়সী সন্তানকে হত্যার দায় স্বীকার করায় ১৬৪ধারায় আসামীর বক্তব্য রেকর্ডের জন্য আদালতে হাজির করা হয়েছে।

Manual5 Ad Code

প্রসঙ্গত, গত ১৯ এপ্রিল (শুক্রবার) সকাল সাড়ে ১০ টায় জৈন্তাপুর উপজেলা ফতেপুর ইউনিয়নের সিলেট-তামাবিল মহাসড়কের পাখিটিকি নামক স্থানে ফিসারী থেকে এই শিশুর (ছেলে) মৃতদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। উদ্ধারকৃত শিশুর ছবি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে পোষ্ট হওয়ার পর বেরিয়ে আসে শিশুর পরিচয়। সংবাদ পেয়ে শিশুটির মা বিলকিছ বেগম শনিবার সকালে ছুটে যান সিলেট ওসমানী মেডিকেল কলেজ মর্গে। সেখানে উদ্ধার হওয়া শিশুটি নিজের শিশু বলে সনাক্ত করেন তিনি।

Manual2 Ad Code

শিশু মুরসালিনের মা বিলকিছ বেগম জানান, তারা লক্ষীপুর জেলার লক্ষীপুর থানার শাকচর গ্রামের বাসিন্ধা। স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে পারিবারিক বিষয় নিয়ে ৩ মাস পূর্বে বাকবিতন্ডা হয় এবং বিষয়টি এক পর্যায় মীমাংশা হয়। তবে গত বৃহস্পতিবার (১৮ এপ্রিল) হঠাৎ করে বিলকিছ বেগমের স্বামী ১১মাস বয়সী মুরসালিনকে নিয়ে নিরুদ্দেশ হয়। বিষয়টি শিশুর মা বিলকিছ বেগম লক্ষীপুর পরিবারের সদস্যদের মোবাইল ফোনে জানান। ১৯ এপ্রিল দুপুরে প্রতিবেশি মারফত সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে শিশুর ছবি দেখতে পান। পরে তিনি স্বামী দেলোয়ারের বিরুদ্ধে শিশু হত্যার দায়ে শনিবার মামলা করেন। মামলা দায়ের কয়েক ঘন্টার মধ্যেই শিশুর পিতা দেলোয়ারকে গ্রামের বাড়ী শাকচর থেকে আটক করা হয়।

Share





Related News

Comments are Closed

Manual1 Ad Code
Manual5 Ad Code