গাঁজা সরবরাহে হিমশিম খাচ্ছে জার্মানি
আন্তর্জাতিক ডেস্ক: জার্মানিতে প্রতিনিয়ত ব্যাপকহারে বাড়ছে গাঁজার চাহিদা। দুই বছর আগে জার্মান সরকার দেশটিতে চিকিৎসা ক্ষেত্রে গাঁজার ব্যবহার বৈধ করেন। এরপর থেকে দেশটিতে গাঁজার চাহিদা তুমুলভাবে বেড়েছে। এছাড়া বিদেশি কোম্পানিগুলোও জার্মানিতে গাঁজার ব্যবসার বড় সম্ভাবনা দেখছে।
২০১৭ সালের ১০ মার্চ চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী রোগীদের গাঁজা সংগ্রহের অনুমতি দেয় জার্মান সরকার। এরপর থেকেই দেশটির ডাক্তার, ফার্মেসি আর স্বাস্থ্য বিমা কোম্পানিগুলো গাঁজা সরবরাহের চাপ সামলাতে হিমশিম খাচ্ছে। কেননা দেশটিতে চাহিদা অনুযায়ী গাঁজার সরবরাহ নেই৷
এমন পরিস্থিতিতে নেদারল্যান্ডস আর কানাডার গাঁজা প্রতিষ্ঠানগুলোর নজর এখন জার্মানির দিকে।
ইতিমধ্যে কানাডার প্রতিষ্ঠান টিলরে জার্মানির সব ফার্মেসিতে খুব শিগগিরই গাঁজার ফুল সরবরাহ করবে বলে ঘোষণা দিয়েছে।
অন্যদিকে ডাচ প্রতিষ্ঠান নুভেরা বলেছে, কয়েক লাখ রোগীর কাছে গাঁজা সরবরাহের জন্য জার্মানিকে তারা গুরুত্বপূর্ণ বাজার হিসেবে বিবেচনা করছে।
জার্মানিতে চিকিৎসা ক্ষেত্রে গাঁজার বৈধতা পাওয়ার আগ পর্যন্ত বিশেষ অনুমতি সাপেক্ষে প্রায় ১,০০০ জন ঔষধি গাঁজা ব্যবহার করতেন।
ফেডারেল ইউনিয়ন অব জার্মান অ্যাসোসিয়েশন অব ফার্মাসিস্টের পরিসংখ্যান অনুযায়ী, ফার্মেসিগুলো গেল বছর ৯৫,০০০ প্রেসক্রিপশন-এর আওতায় ১,৪৫,০০০ ইউনিট গাঁজার ঔষধ ও অপ্রক্রিয়াজাত ফুল সরবরাহ করেছে যা ২০১৭ সালের চেয়ে ১০ গুণ বেশি।
গাঁজার ঔষধের চিকিৎসা নেন, এমন রোগীর সংখ্যার সরকারি কোন পরিসংখ্যান দেশটিতে নেই। তবে ধারণা করা হচ্ছে এর সংখ্যা এখন প্রায় ১৫ হাজার। তবে এই সংখ্যা ক্রমাগতই বাড়ছে বলে জানানো হয়েছে।
চাহিদা অনুযায়ী জার্মানিতে গাঁজার উৎপাদন বৃদ্ধির মতো যথেষ্ট রাজনৈতিক উদ্যোগ নেয়া হয়নি। তবে জার্মান কর্তৃপক্ষের আশা ২০২০ সালের শেষ নাগাদ তারা প্রথম গাঁজার চাষ শুরু করবে।
Related News
যুক্তরাষ্ট্রের হামলা, ওমান উপসাগরে ডুবে গেল ইরানের তেলবাহী ট্যাংকার
Manual5 Ad Code আন্তর্জাতিক ডেস্ক: যুক্তরাষ্ট্রের হামলার পর ওমান উপসাগরে ডুবে গেছে ইরানের বিশালাকৃতির তেলবাহীRead More
ইন্দোনেশিয়ায় বিনামূল্যের স্কুলের খাবার খেয়ে অসুস্থ প্রায় ২ হাজার
Manual6 Ad Code আন্তর্জাতিক ডেস্ক: ইন্দোনেশিয়ায় প্রেসিডেন্ট প্রাবোও সুবিয়ান্তোর অন্যতম প্রধান উদ্যোগ ‘বিনা মূল্যের পুষ্টিকরRead More



Comments are Closed