Main Menu

‘অন্যায় জুলুম উপেক্ষা করে বিজয় আমাদেরই হবে’

বৈশাখী নিউজ ২৪ ডটকম: প্রধান নির্বাচনী কার্যালয়ে পুলিশ-বিজিবির তান্ডব ও কোর্ট পয়েন্টে নেতাকর্মীদের গণগ্রেফতারের প্রতিবাদে তাৎক্ষনিক প্রেস কনফারেন্স করেছেন সিলেট-১ আসনে বিএনপি ও জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট মনোনীত প্রার্থী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির।

বৃহস্পতিবার রাত সাড়ে ৮টার দিকে তাঁর কাজিরবাজারস্থ বাসবভবনে উক্ত প্রেস কনফারেন্স অনুষ্ঠিত হয়। প্রেস কনফারেন্সে সিলেটে কর্মরত ইলেকট্রনিক, প্রিন্ট ও অনলাইন মিডিয়ার সাংবাদিকগন উপস্থিত ছিলেন।

খন্দকার মুক্তাদির বলেন, নির্বাচনের তফসিল ঘোষনার পর থেকেই প্রশাসন আমার বিপক্ষে একের পর এক কাজ করে যাচ্ছে। তবুও পূণ্যভুমি সিলেটের রাজনৈতিক সম্প্রীতির ব্যাপারে আমি আশাবাদী ছিলাম। কিন্তু সর্বশেষ বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় নগরীর ইলেকট্রিক সাপ্লাই রোডস্থ নুরে কমিউনিটি সেন্টারে আমার প্রধান নির্বাচনী কার্যালয়ে পুলিশ-বিজিবি যে তান্ডব চালিয়েছে এর বিচারের দায়ভার সিলেটবাসীর কাছে দিলাম। এছাড়া সন্ধ্যার পর কোর্ট পয়েন্টে আমার সর্বশেষ নির্বাচনী জনসভা অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু পুলিশের কতিপয় অতি উৎসাহী কর্মকর্তার কারণে আমার জনসভা পন্ড করে দেয়া হয়। এসময় আমার সাথে থাকা নিরপরাধ নেতাকর্মী এবং পথচারী সহ ৫০জনকে আটক করে নেয়া হয়। স্বাধীনতার পর সিলেটের মানুষ এমন নির্বাচন দেখে নাই। জনগণ কর্তৃক প্রত্যাখ্যাত হয়ে সরকার দলীয় প্রার্থী আমার নেতাকর্মীদের মাঠশুন্য করতে প্রশাসনকে ব্যবহার করেছেন। কিন্তু আমরা শেষ পর্যন্ত নির্বাচনে আছি। আমাদের বিশ্বাস ৩০ ডিসেম্বর বিকেলে আমরাই বিজয়ের শেষ হাসি হাসবো।

তিনি বলেন, আমার প্রধান নির্বাচনী কার্যালয়ে তান্ডব চালানো হলো কিন্তু প্রশাসন আমার অপরাধ কি সে ব্যাপারে কিছু বলেননি। পুলিশের পাশাপাশি বিজিবির এমন তান্ডবে সিলেটবাসী বিস্মিত হয়েছে। আমাদের কাছে খবর আছে বিজিবির সিলেটের একজন উর্ধ্বতন দায়িত্বশীল প্রকাশ্যে নৌকার পক্ষে কাজ করছেন। তার ব্যক্তিগত উদ্যোগ থেকেই আমার কার্যালয়ে তান্ডব চালানো হয়েছে। এব্যাপারে জাতির জাগ্রত বিবেক সাংবাদিক বন্ধুদের প্রকৃত সত্য তুলে ধরার আহবান জানাচ্ছি।

খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির বলেন, সরকার জেনে গেছে ভোটের মাঠে তাদের ফলাফল শুন্য। তাই তারা হামলা ও গণগ্রেফতার চালিয়ে আমার কর্মীদের মাঠ থেকে সরাতে এবং আতংক ছড়িয়ে কেন্দ্র গুলোতে ভোটার উপস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করতে চায়। আমার বিএনপি ও জোটের সিনিয়র নেতৃবৃন্দ সহ সাধারণ নেতাকর্মীদের উপর একের পর এক গায়েবী মামলা দেয়া হয়েছে। প্রতিদিনই আমার নেতাকর্মী গ্রেফতার হচ্ছে। এতকিছুর পর সিলেটের সাধারণ ভোটারদের প্রতি আমি যে বিশ্বাস, উৎসাহ উদ্দীপনা ও ভালবাসা দেখেছি ইনশাআল্লাহ বিজয়ের শেষ হাসি আমরাই হাসবো।

এসময় প্রেস কনফারেন্স অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন- সিলেট মহানগর বিএনপির সহ-সভাপতি অধ্যাপিকা সামিয়া বেগম চৌধুরী, মহানগর মহিলা দলের সভাপতি জাহানারা ইয়াসমিন ও খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির পত্নী জাকিয়া ইয়াসমিন।

Share





Related News

Comments are Closed