‘মামলা দিয়ে নির্বাচন থেকে সরিয়ে দিতে চায়’
বৈশাখী নিউজ ২৪ ডটকম: সিলেট-৬ আসনে (বিয়ানীবাজার-গোলাপগঞ্জ) বিএনপি ও ঐক্যফ্রন্ট মনোনিত প্রার্থী ফয়সল আহমদ চৌধুরী বলেছেন- নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে মামলা দিয়ে সরকার নির্বাচন থেকে বিএনপিকে সরিয়ে দিতে চাচ্ছে। তাদের অপকর্ম ধানের শীষের জনপ্রিয়তাকে আগের যেকোন সময়ের চেয়ে বাড়িয়ে দিচ্ছে। এটা দেখে স্থানীয় প্রশাসন গোলাপগঞ্জ বিয়ানীবাজার সংসদীয় আসনকে ভোটার শূণ্য করার অশুভ ফন্দি করে গোটা সংসদীয় এলাকায় নানাভাবে ভয়ভীতি দেখাচ্ছে। এরপরও ভোটের অধিকার আদায়ের আন্দোলনে গোলাপগঞ্জ বিয়ানীবাজারের সাধারণ মানুষ ব্যালট বিপ্লবের জন্যে প্রস্তুত হচ্ছে।
তিনি বলেন- নির্বাচনে লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড নিশ্চিত করার জন্যে জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তাসহ সংশ্লিষ্ট সকল কর্মকর্তাকে আমি অনুরোধ জানাই এবং একই সাথে দফায় দফায় জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা ও সংশ্লিষ্টদের কাছে আবেদন নিবেদন করি। কিন্তু আমার কোন অভিযোগ আমলে না নিয়ে স্থানীয় প্রশাসন সরকার দলীয় প্রার্থীর বিজয় নিশ্চিত করতে সম্ভব যা কিছু করার দরকার তা করার চেষ্টা করে চলেছে।
বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা ৬টায় সিলেট জেলা প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলনে এসব অভিযোগ করেন ফয়সল আহমদ চৌধুরী।
তিনি আরো বলেন- এসব অপকর্মের ধারাবাহিকতায় গত মঙ্গলবার গোলাপগঞ্জের হেতিমগঞ্জে সংগঠিত ঘটনায় আমাকে সহ জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের নেতাকর্মীদের হয়রানির উদ্দেশ্যে মামলা রুজু করে। অথচ ঘটনার সময় আমি সেখানে ছিলাম না। পথসভা শেষ করে সিলেট ফিরে এসে যখন ঘটনা শুনতে পাই তখন আমি সাথে সাথে পত্রিকায় বিবৃতি দিয়ে ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত সাপেক্ষে দায়ীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়ার আহবান জানাই। আমি আজ মহামান্য হাইকোর্ট থেকে আমার বিরুদ্ধে দায়ের করা মামলার আগাম জামিন গ্রহণ করেছি। কিন্তু আমার শত শত নেতাকর্মীদের জামিন নেয়া সম্ভভ হয়নি।
ফয়সল চৌধুরী বলেন- শুক্রবার সকাল ৮টায় নির্বাচনের প্রচার কাজের সময় শেষ হচ্ছে। আর এ লক্ষ্যে আজ আমার শেষ নির্বাচনী সভা ছিল বিয়ানীবাজারে। পূর্বানুমতি থাকা স্বত্বেও শেষ নির্বাচনী সভা অনুষ্ঠানের বিষয়ে স্থানীয় প্রশাসন নানা টালবাহানা শুরু করলে আমি আজ আবারো জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা বরাবর আবেদন করি কিন্তু স্থানীয় প্রশাসনের অসহযোগীতা ও মারমুখি আচরনের কারনে আমি শেষ নির্বাচনী সভাটি করতে পারিনি।
তিনি বলেন- দলীয় সরকারের অধিনে নিরপেক্ষ নির্বাচন সম্ভভ নয়। জনবিচ্ছিন্ন কেউ নির্বাচনে জয়লাভ করতে পারে না। কিন্তু সরকার দলীয় প্রার্থী বিনা ভোটে বা কারচুপির মাধ্যমে নির্বাচনে জয়লাভ করার নীল নকশা অনেক আগে থেকেই করে রেখেছেন। আর তাই তিনি নিরবিচ্ছিন্ন ভাবে গোলাপগঞ্জ উপজেলার অফিসার ইনচার্জ হিসেবে বছরের পর বছর অনিয়মতান্ত্রিকভাবে এ কে এম ফজলুল হক শিবলীকে ধরে রেখেছেন যাতে নির্বাচনের সময় ওই বেনিফিসিয়ারী তার পক্ষে কাজ করেন। বিয়ানীবাজারের অফিসার ইনচার্জ এর অতীত সার্ভিস রেকর্ড তলালেও অনেক খারাপ তথ্য পাওয়া যাবে।
Related News
সিলেট সীমান্তে তরুণীকে আটকে রেখে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ, গ্রেফতার ১
Manual3 Ad Code বৈশাখী নিউজ ডেস্ক: সিলেটের কানাইঘাট সীমান্ত দিয়ে ভারত থেকে ফেরার পথে একRead More
বিয়ানীবাজারে ৬ হাজার পিস ইয়াবাসহ যুবক আটক
Manual8 Ad Code বৈশাখী নিউজ ডেস্ক: সিলেটের বিয়ানীবাজারে ইয়াবার চালানসহ এক মাদক কারবারিকে আটক করেছেRead More



Comments are Closed