Main Menu

কানাইঘাটে শিশুকে ধর্ষণ ও হত্যার দায়ে ৪ জনের মৃত্যুদণ্ড

বৈশাখী নিউজ ২৪ ডটকম: সিলেটের কানাইঘাট উপজেলার সুলতানা বেগম নামের ১২ বছরের এক শিশুকে ধর্ষণের পর হত্যার অপরাধে চার আসামিকে মৃত্যুদণ্ডাদেশ দিয়েছেন আদালত। রায়ে আসামিদের এক লাখ টাকা করে জরিমানাও করা হয়েছে।

রোববার (৫ আগস্ট) দুপুরে সিলেটের নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আদালতের বিচারক এ এম জুলফিকার হায়াত এ রায় ঘোষণা করেন।

এছাড়া রায়ে ধর্ষণের পর হত্যা করে মরদেহ গুমের অপরাধে প্রত্যেক আসামিকে সাত বছর করে সশ্রম কারাদণ্ডাদেশ ও দশ হাজার টাকা জরিমানা করেছেন আদালত।

দন্ডপ্রাপ্ত আসামিরা হলেন- কানাইঘাটের বড়খেওর গ্রামের ইমাম উদ্দিনের ছেলে আবুল উদ্দিন (২৩), সুরুজ আলীর ছেলে সাদেক উদ্দিন (২৮), মৃত লিয়াকত আলীর ছেলে রাসেল মিয়া (২২) এবং এরালিগুল গ্রামের নিমার আলী ওরফে মিজান আলীর ছেলে বাবুল আহমদ ওরফে রুহুল (৩২)।

আসামিদের মধ্যে বাবুল আহমদ পলাতক রয়েছেন।

নিহত সুলতানা কানাইঘাটের এরালিগুল গ্রামের তেরাব আলীর মেয়ে। কানাইঘাটের ছোটফৌজ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে চতুর্থ শ্রেণিতে পড়ত সে।

২০১৬ সালের ২৫ নভেম্বর সুলতানাকে ধর্ষণ শেষে হত্যা করা হয়। পরে তার মরদেহ গুম করতে মাটিচাপা দেয় দন্ডিত আসামিরা।

আদালতের এপিপি এডভোকেট ফখরুল ইসলাম জানান, ২০১৬ সালের ২৫ নভেম্বর স্কুল ছুটির পর সুলতানা বেগম তার সহপাঠি ফারজানার সাথে তার গ্রাম বড়খেওরের বাড়িতে যায়। ফারজানার ভাই আবুল উদ্দিনসহ অন্য আসামিরা বাড়ির পাশের একটি টিলায় কাজ করছিল। আবুল তার বোন ফারজানাকে খাবার পানি দিতে বলে। তখন ফারজানা না গিয়ে সুলতানাকে দিয়ে টিলার ওপরে থাকা আবুলদের জন্য পানি পাঠায়। ওই সময় আবুলসহ অন্যান্য আসামিরা সুলতানাকে পালাক্রমে ধর্ষণ করে। জানাজানি হওয়ার ভয়ে তারা সুলতানাকে শ্বাসরোধ করে হত্যার পর লাশ মাটিচাপা দেয়।

তিনি আরও জানান, ওইদিন সুলতানা বাড়িতে না ফেরায় তার বাবা কানাইঘাট থানায় জিডি করেন। পরদিন ওই টিলা থেকে তার মাটিচাপা দেয়া লাশ উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় সুলতানার ভাই একলিম উদ্দিন বাদী হয়ে চার আসামির বিরুদ্ধে ধর্ষণ, হত্যা ও লাশ গুমের অভিযোগে মামলা করেন। তদন্ত শেষে চারজনকেই অভিযুক্ত করে আদালতে অভিযোগপত্র দেয় পুলিশ। দীর্ঘ শুনানি শেষে সাক্ষ্য প্রমাণের ভিত্তিতে আদালত চার আসামিকে মৃত্যুদণ্ডাদেশ দিয়েছেন।

Share





Related News

Comments are Closed