Main Menu

রাজধানীতে প্রাইভেটকারে ধর্ষণ চেষ্টায় যুবক আটক

বৈশাখী নিউজ ডেস্ক: রাজধানীতে এক তরুণীকে জোর করে প্রাইভেটকারে (ঢাকা মেট্রো- গ ২৯৫৪১৪) তুলে ধর্ষণের চেষ্টার অভিযোগে মাহমুদুল হক রনি নামে এক যুবককে আটক করেছে পথচারীরা। পরে তাকে গণধোলাই দিয়ে পুলিশে সোপর্দ করা হয়।

শনিবার (৯ জুন) দিবাগত রাতে শেরে বাংলা নগরের কলেজ গেট এলাকায় এই ঘটনা ঘটে।

শেরে বাংলা নগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) গোপাল গণেশ বিশ্বাস বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, ‘অভিযুক্ত ধর্ষক মাহমুদুল হক রনিকে (৩২) আটক ও তাঁর প্রাইভেটকারটি জব্দ করা হয়েছে।  তার গ্রামের বাড়ি গাজীপুরের কাপাসিয়ায়। তিনি ঢাকায় ধানমন্ডি-১৫ নম্বরের মিতালী রোডের একটি বাড়িতে থাকেন। এখন পর্যন্ত কোন মামলা দায়ের হয়নি। তিনি আরও বলেন, ভুক্তভোগী তরুণীর সন্ধান পেয়েছে পুলিশ। তাকে থানায় আনা হচ্ছে।’

শেরে বাংলা নগর থানা সূত্র জানিয়েছে, অভিযুক্ত রনি হক দুই ছেলের বাবা। তার স্ত্রীও রয়েছে। সকাল থেকে পরিবারের কেউ থানায় আসেনি। পেশায় ব্যবসায়ী জানালেও কী ব্যবসায় করেন সে বিষয়ে কিছু জানাননি।

এর আগে শনিবার দিবাগত রাত সাড়ে ৩টার দিকে রাফি আহমেদ নামে এক ফেসবুক ব্যবহারকারী রনিকে মারধরের একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে পোস্ট করেন। এরপর সেটি ভাইরাল হয়ে যায়।

ভিডিও পোস্ট করে রাফি জানান, কলেজ গেট সিগন্যালে দাঁড়িয়ে থাকা প্রাইভেটকারের ভেতরে এক তরুণীর সঙ্গে ধস্তাধস্তি করছিলেন রনি। ওই সময় আরেকটি গাড়িতে ছিলেন তিনি। রাফি মনে করেছিলেন গাড়ি নিয়ে পালানোর চেষ্টা চলছে। এরপর তিনিসহ সেখানে থাকা আরও কয়েকজন এগিয়ে গিয়ে রনির প্রাইভেট কার আটক করেন। পরে তারা দেখতে পান গাড়ির পেছনের আসনে রনি এক তরুণীকে ধর্ষণের চেষ্টা করছেন।

এ সময় পথচারীরা গাড়ির ভেতর থেকে ওই তরুণীকে এবং মদ্যপ অবস্থায় রনি ও তার গাড়িচালককে বের করে আনেন।

তখন ওই তরুণী জানান, তাকে রাস্তা থেকে জোর করে গাড়িতে তুলে ধর্ষণের চেষ্টা করা হচ্ছিল।

এরপর রনি ও তার গাড়িচালককে গণপিটুনি দেন পথচারীরা। এ সময় গাড়িচালক কৌশলে পালিয়ে গেলেও রানিকে পুলিশের হাতে তুলে দেওয়া হয়।

পোস্ট করা ভিডিওর সঙ্গে দেওয়া ঘটনার বিবরণে রাফি জানান, কলেজগেট সিগন্যালে দাঁড়িয়ে থাকা প্রাইভেটকারের ভেতরে এক তরুণীর সঙ্গে ধস্তাধস্তি করছিলেন রনি। ওই সময় আরেকটি গাড়িতে ছিলেন তিনি। রাফি মনে করছিলেন গাড়ি নিয়ে পালানোর চেষ্টা চলছে। এরপর তিনিসহ সেখানে থাকা আরও কয়েকজন এগিয়ে গিয়ে রনির প্রাইভেটকারটিকে আটক করেন। পরে তারা দেখতে পান গাড়ির পেছনের আসনে রনি এক তরুণীকে ধর্ষণের চেষ্টা করছে।

এ সময় পথচারীরা গাড়ির ভেতর থেকে আক্রান্ত তরুণী, মদ্যপ অবস্থায় রনি ও তার গাড়িচালককে বের করে আনেন। তখন ওই তরুণী জানান, তাকে রাস্তা থেকে জোর করে গাড়িতে তুলে ধর্ষণের চেষ্টা করা হচ্ছিল।

রাফি আহমেদের ভিডিওটি ফেসবুকে ভাইরাল হয়ে যাওয়ার পর অনেকেই অভিযুক্ত হিসেবে রনি হককে চিহ্নিত করেন। তারা রনির ফেসবুক আইডিও শেয়ার করে তার বিচার দাবি করেছেন।

Share





Related News

Comments are Closed