Main Menu

অবৈধ পানি সংযোগের বিরুদ্ধে অভিযানে নামছে সিসিক

বৈশাখী নিউজ ২৪ ডটকম: সিলেট নগরে গ্রাহকদের কাছে পানির বিল বকেয়া রয়েছে প্রায় ১১ কোটি টাকা। বার বার নোটিশ প্রদান সত্বেও বিল পরিশোধ করছেন না আবাসিক ও বাণিজ্যিক খাতের খেলাপি গ্রাহকরা। এছাড়া অবৈধ সংযোগ নিয়েও অনেক গ্রাহক পানি তুলছেন নিজের ঘরে। একই সাথে মেইন লাইন থেকে সরাসরি শক্তিশালী মোটরের সাহায্যে পানি ঘরে তোলার অভিযোগও রয়েছে।
পানি নিয়ে এমন অনিয়মের বিরুদ্ধে এবার অভিযানে নামছে সিলেট সিটি করপোরেশন। এর অংশ হিসেবে ৫ মে শনিবার নগরীর জিন্দাবাজার এলাকায় বেশ কয়েকটি বাণিজ্যিক ভবনে হানা দেন মেয়র আরিফ। এসময় তিনি অবৈধ সংযোগের প্রমাণও পান। জব্দ করে নিয়ে আসেন ৫টি মোটরও। কাগজপত্র দেখানো সাপেক্ষে এসব প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে পরবর্তীতে ব্যবস্থা নেয়া হবে বলে জানিয়েছেন তিনি।
শনিবার সন্ধ্যায় নগর ভবনে সাংবাদিকদের নিয়ে তাৎক্ষণিক প্রেসব্রিফিংয়ে সিটি মেয়র আরিফুল হক চৌধুরী জানান, ‘কতিপয় লোকের কারণে সাধারণ গ্রাহকরা পানি পেতে ভোগান্তিতে পড়ছেন। তারা অবৈধ সংযোগ দিয়ে পানি ঘরে তুলে নিচ্ছে। যা সিটি করপোরেশন জানে না। রাতের আধারে অসাধু চক্রের যোগসাজশে রাস্তা কেটে মেইন লাইন থেকে ঘরে মোটরের লাইন লাগিয়ে তারা পানি হাতিয়ে নেয়। এদের চিহ্নিত করে তালিকা তৈরির মাধ্যমে শিগগিরই অভিযান শুরু হবে।’
তিনি আরো জানান, নগরীতে আবাসিক, বাণিজ্যিক ও সরকারি সব মিলিয়ে বৈধ সংযোগ রয়েছে সাড়ে ১৫ হাজারেরও বেশি। এদের বেশির ভাগেরই পানির বিল বকেয়া রয়েছে। এর বাইরে কয়েক হাজার অবৈধ সংযোগ রয়েছে। তাদেরকে শেষ সুযোগ দিতে চাই। তারা যেন এমন বেড প্রাকটিস থেকে বের হয়ে আসেন।’
তিনি আবাসিকে পানির বকেয়া বিল আগামী এক সপ্তাহের মধ্যে পরিশোধ করলে ৩০ শতাংশ বিল মওকুফ করার ঘোষণা দিয়ে বলেন, এসময়ের মধ্যে বিল পরিশোধ করলে ৩০ শতাংশ মওকুফ করা হবে। কেউ একধাপে দিতে না পারলে দুই ধাপে বিল পরিশোধ করতে পারবেন। এসময়ের পরে কোন ছাড় দেয়া হবে না। সরাসরি অভিযান পরিচালনা করে লাইন সংযোগ বিচ্ছিন্নসহ আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
‘এছাড়া যারা অবৈধ সংযোগ নিয়েছেন তারাও সাতদিনের মধ্যে সংযোগ ফি পরিশোধ করে সিসিকের কাছ থেকে বৈধতা না নিলে তাদের বিরুদ্ধেও একই ব্যবস্থা নেয়া হবে। তাছাড়া অবৈধ মোটর লাগিয়ে যারা পানি তুলছেন তাদের তিনদিনের মধ্যে মোটর সরিয়ে ফেলারও আহ্বান করেছেন তিনি।’
প্রেসব্রিফিংকালে উপস্থিত ছিলেন- সিটি কর্পোরেশনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা এজেডএম নুরুল নুরুল হক, সচিব বদরুল ইসলাম, প্রধান প্রকৌশলী নুর আজিজুর রহমান প্রমুখ।

Share





Related News

Comments are Closed