Main Menu

ডোমারে মরিচের দাম না পাওয়ায় চাষীদের মাথায় হাত

মোঃরিমন চৌধুরী, নীলফামারী জেলা প্রতিনিধিঃ নীলফামারীর ডোমারে মরিচের বাম্পার ফলন হলেও বাজারে দাম কম পাওয়ায় মরিচ চাষীদের মাথায় হাত পড়েছে। আবাদের খরচ উঠছেনা কৃষকের।
ডোমার কৃষি অফিস সূত্রে জানা গেছে, ডোমার উপজেলায় এবারে ৮শত ৩০হেক্টর জমিতে মরিচ চাষ করা হয়েছে। মরিচের বাম্পার ফলনও হয়েছে। কিন্তু স্থানীয় বাজারে মরিচের দাম কম হওয়ায় মরিচ চাষীদের চাষাবাদের খরচ উঠছে না। ফলে হাসি নেই কৃষকের মুখে।
ডোমার উপজেলার পাঙ্গা মটুকপুর ইউনিয়নের পাঙ্গা পীর সাহেবের হাটে প্রতিমন মরিচ বিক্রি হচ্ছে প্রকার ভেদে ডেমা মরিচ এক শত টাকা থেকে দেড় শত টাকা, ডেমা হাইব্রিট ও পানি ছেকা মরিচ দুই থেকে আড়াই শত টাকা, বিন্দু মরিচ তিন থেকে চার শত টাকা এবং জিরা মরিচ পাঁচ শত থেকে ছয় শত টাকা।
ডোমার উপজেলার কেতকীবাড়ী ইউনিয়নের মরিচ চাষী বিপেশ চন্দ্র রায় জানান, সাড়ে তিন বিঘা জমিতে মরিচ লাগিয়েছি।বাজারে দাম কম হওয়ায় লোকসানের মুখে পড়েছি। আড়াই মন মরিচ বিক্রি করার জন্য হাটে এনেছি। একমন মরিচ ক্ষেত থেকে তুলতে দেড়শত টাকা মজুরী দিতে হচ্ছে। বাজারে মরিচ ২শত ৭০টাকা মন দরে বিক্রি করেছি। বুঝেন লাভ কত হয়। কৃষকের শ্রমটাও লোকসান।
মেলা পাঙ্গা গ্রামের কৃষক আমিনুর রহমান জানান, দুই বিঘা জমিতে মরিচ চাষ করেছি। ফলন ভালো হয়েছে কিন্তু দাম কম হওয়ায় খরচের পয়সা উঠছে না।
বামুনিয়া ইউনিয়নের মরিচ চাষী বিন্দু রায় জানান, ১০বিঘা জমিতে মরিচ আবাদ করেছি। বাজারে মরিচের দাম কম থাকায় লোকসানের মুখে পড়েছি।
অপর দিকে এবারে আগাম বৃষ্টি মরিচ চাষীদের মরার উপর খাড়ার ঘায়ে পরিনত হয়েছে। মরিচ ক্ষেতে বৃষ্টির পানি জমে থাকায় অনেক মরিচ ক্ষেত মরে যাচ্ছে। তাই অনেকে মরিচ ক্ষেত মেরে জমিতে পাটবীজ ফেলছে।
মরিচ ব্যবসায়ী তমিজার রহমান জানান, এই হাটে প্রতিদিন ৩ হাজার মনের বেশী মরিচ আমদানী হয়ে থাকে।
এ ব্যাপারে উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ জাফর ইকবাল জানান, এই এলাকা বেলে ও দো’আশ মাটি হওয়ায় মরিচ চাষের জন্য উপযোগী। এখানকার মাটিতে মরিচের ফলন ভালো হয়। স্থানীয় বাজারে আমদানী বেশী হওয়ায় দাম কিছুটা কম।

Share





Related News

Comments are Closed