Main Menu

বিশ্বনাথে বৃষ্টি, কৃষকের মুখে হাসি

মোঃ আবুল কাশেম, বিশ্বনাথ থেকে : সিলেটের বিশ্বনাথে শুক্রবার গভীর রাতে বৃষ্টি হওয়ায় বোরো চাষি কৃষকের মূখে হাসির ঝিলিক লক্ষ করা গেছে। বৃষ্টির ফলে প্রকৃতিতে এসেছে নির্মম স্নিগ্ধতা। চারিদিকে সবুজের সমারোহ ঘটেছে। রোপা বোরো ফসলের ক্ষেতে চারা রোপনের পর পরই প্রাকৃতিক বৃষ্টির ছোঁয়া লাগায় নাইট্রেজেনের ঘাটতি পূরণ হয়েছে। যদি আরোও বৃষ্টি হয় উপজেলায় বোরো ফসলের বাম্পার ফলনের সম্ভাবনা রয়েছে। এমনটাই জানিয়েছেন উপজেলার কয়েকজন কৃষক।
জানা গেছে, শুক্রবার রাতের বৃষ্টিতে স্নিগ্ধতা ফিরে এসেছে। কোনো প্রাকৃতিক দূর্যোগ না হলে উপজেলার বোরো ফসলের বাম্পার ফলন হবে বলে আশা করা যাচ্ছে। এবারে প্রকৃতি বোরো চাষের অনুকুল পরিবেশ সৃষ্টি হয়েছে। তার প্রমাণ হিসেবে ভারি বৃষ্টিপাতকে আর্শিবাদ হিসেবে দেখছেন কৃষকরা।
উপজেলার কয়েকজন কৃষক জানান, শুক্রবার রাতে বৃষ্টি হওয়ায় কিছুটা হলেও বোরো জমির অনেক লাভ হয়েছে। বৃষ্টি হওয়ায় বোরো ফসলের অনেক উপকার হয়েছে। এভাবে যদি আরোও দুই একদিন বৃষ্টি হত তাহলে পানি না পাওয়া জমিগুলোতে রোপনকৃত চারাগুলোর অনেক লাভবান হত।
তারা জানান, উপজেলার বিভিন্ন নদ-নদীতে পানি না থাকায় বোরো জমি ফেটে চৌচির হচ্ছে। তবে বৃষ্টি হওয়ায় তা কিছুটা কেটে উঠছে। সঠিকমতো জমিতে পানি না দিতে পারলে চারা নষ্ট হওয়ার আশংকা রয়েছে। তবে এবছর প্রাকৃতিক দূর্যোগ না ঘটলে বাম্পার ফলন হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। তারা সরকারের কাছে উপজেলার নদ-নদী-খাল-বিল ও হাওরগুলো খনন করার জোর দাবি জানান।
কৃষি অফিস সুত্রে জানা গেছে চলতি মৌসুমে উপজেলার ৮টি ইউনিয়নে প্রায় ৭ হাজার ৩শ হেক্টর বোরো ধান চাষ হবে। এর মধ্যে হাইব্রীড ৮০ হেক্টর, উফসী ৬ হাজার ২শ ৯০ হেক্টর ও স্থানীয় বোরো চাষ হবে ৩০ হেক্টর জমিতে।
উপজেলার কারিকোনা গ্রামের কৃষক জহুর আলী বলেন, বৃষ্টি হওয়ায় বোরো জমির অনেক লাভ হয়েছে। এলাকার কৃষকরা বৃষ্টির জন্য হাহাকার করছিলেন। আরও বৃষ্টি হলে বোরো ফলন ভাল হবে।
উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা আলী নূর রহমান বলেন, বৃষ্টি হওয়ায় বোরো ফলনের চাষিরা খুশি। আশাকরি এবারও এলাকায় বাম্পার ফলন হবে।

Share





Related News

Comments are Closed