Main Menu

তাহিরপুরে মাদক ব্যবসায়ীদের হামলায় পুুলিশ সদস্য আহত, আটক ২

তাহিরপুর প্রতিনিধি: সুনামগঞ্জের তাহিরপুরে মাদক ব্যবসায়ীদের হামলায় বুধবার রাত সাড়ে ৯টায় এক পুলিশ সদস্য গুরুতর আহত হয়েছেন। তার নাম ইসমাইল হোসেন। তিনি তাহিরপুর থানার বাদাঘাট পুলিশ ফাঁড়ির সদস্য। পুলিশ বুধবার রাতে ভারতীয় মদের চালান সহ এক মাদক চোরাকারবারীকে গ্রেফতার করে নিয়ে আসার পথে পুলিশের ওপর হামলার ঘটনাটি ঘটেছে। ্এসময় পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রন ও হামলা ঠেকাতে পুলিশ ১০ রাউন্ড রাবার বুলেট নিক্ষেপ করেছে।
পুুিলশ ও গ্রামবাসীর সুত্রে জানা যায়, উপজেলার বাণিজ্যিক কেন্দ্র বাদাঘাটের পার্শ্ববর্তী কামড়াবন্দ গ্রামে গোপন সংবাদের ভিওিতে মাদক দ্রব্যের চালান আটক করতে বুধবার রাত সাড়ে ৯ টায় বাদাঘাট পুলিশ ফাঁড়ির এসআই সাইদুর রহমানের নেতৃত্বে ৭ সদস্যের পুলিশের একটি টিম অভিযান চালায়। এসময় কামড়াবন্দ গ্রামের মৃত আবদুল মজিদের ছেলে আলোচিত হুন্ডি ও মাদক ব্যবসায়ী গোলাপকে তার বসত ঘর থেকে ১০ বোতল ভারতীয় মদ সহ গ্রেফতার করে। গ্রেফতারের পর গোলাপকে পুলিশ ফাঁড়িতে নিয়ে আসার পথে তাকে ছিনিয়ে নিতে গোলাপের ভাতিজা ফজল, ভাগ্নে ইয়াবা ব্যবসায়ী জলিল, খলিল সহ পরিবারের নারী পুরুষ মিলে অর্ধশতাধিক লোকজন পুলিশের ওপর হামলা করে। এ পর্যায়ে হামলাকারীরা কাঠের রোল ও লোহার রড দিয়ে আঘাত করে কর্তব্যরত পুলিশ কনষ্টেবল ইসমাইলের মাথা ফাঁটিয়ে দেয় ও অন্যদের ওপর লাঠি সোটা নিয়ে হামলা করে।
তাহিরপুর থানার বাদাঘাট পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ বুধবার রাতে পুলিশের ওপর হামলার বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, আহত কনষ্টেবলকে স্থানীয়ভাবে প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে রাতেই উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে উন্নত চিকিৎসার জন্য পাঠানো হয়েছে।
তাহিরপুর থানার ওসি শ্রী নন্দন কান্তি ধর বুধবার রাতে জানান, পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রন ও হামলা ঠেকাতে পুলিশ বাধ্য হয়ে ১০ রাউন্ড রাবার বুলেট নিক্ষেপ করেছে।
এদিকে, হামলার ঘটনায় রাত সোয়া ১১টার দিকে এক হামলাকারীকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। গ্রেফতারকৃত শাহ আলম উপজেলার বাদাঘাটের কামড়াবন্দ গ্রামের মঞ্জুরুল হকের ছেলে ও গ্রেফতারকৃত মাদক চোরাকারবারী গোলাপের ভাগ্নে।

Share





Related News

Comments are Closed