দীর্ঘসময় মোবাইল ব্যবহার খুবই ঝুঁকিপূর্ণ
বৈশাখী নিউজ ডেস্ক: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তির চরম উৎকর্ষের যুগে মোবাইল ফোন হচ্ছে প্রত্যেকেরই সবচেয়ে কাছের বন্ধু। প্রিয়জনকে কাছে এনে দিতে মোবাইল ফোনের বিকল্প যে মোবাইল ফোনই। ফলে দিনের বেশিরভাগ সময়ই কাটছে আমাদের মোবাইল ফোনে কথা বলে।
কিন্তু মোবাইল ফোন ব্যবহার করে আমরা দেহ ও মনের কত মারাত্মক ক্ষতি করছি সেই ব্যাপারে জানার আগহ অনেকেরই নেই। ইলেকট্রোম্যাগনেটিক রেডিয়েশনের ভয়াবহতার কথা কম-বেশি সবাই শুনছেন, তারপরেও যেন কেউ যেন এ ব্যাপারটি কানে নিতে চান না। অথচ মোবাইল ব্যবহারের করতে বেশ কিছু সাবধানতা গ্রহণ করা আবশ্যক। চলুন তাহলে জেনে নিই মোবাইল ফোন থেকে শরীরে সমস্যা তৈরি হয় কীভাবে?
মাবাইল ফোনের এক প্রান্তের বার্তা অন্য প্রান্তে পৌঁছানোর কাজটি হয় মূলত ইলেকট্রোম্যাগনেটিক রেডিয়েশনের মাধ্যমে। এই ইলেকট্রোম্যাগনেটিক রেডিয়েশন মানব শরীরেও বিশেষ করে মানুষের মস্তিষ্কে আবেদন তৈরি করতে সক্ষম হয়। সাধারণত মোবাইলের ইলেকট্রোম্যাগনেটিক রেডিয়েশেনের মাত্রা ৪৫০ থেকে ৩৮০০ মেগাহার্টজের মধ্যে থাকে। মাত্রাতিরিক্ত ইলেকট্রোম্যাগনেটিক রেডিয়েশন শরীরের রাসায়নিক বন্ধন ভেঙে ফেলতে সক্ষম। আবার রেডিয়েশনের মাধ্যমে শরীরে আয়োনাইজিং এফেক্ট তৈরি হলেও কোষের মধ্যে হঠাৎ পরিবর্তন আসে। তৈরি করে নানা ধরনের শারীরিক সমস্যা।
মোবাইলের ইলেকট্রোম্যাগনেটিক রেডিয়েশন মানবদেহের ক্ষতি করতে পারে তা প্রথম দিকে মোবাইল ফোনের কোম্পানিগুলো মানতেই চাইতেন না। তাঁদের যুক্তি ছিল, মোবাইল থেকে এতই সামান্য পরিমাণে রেডিয়েশন উৎপন্ন হয়, যে তা শরীরে কোনও ক্ষতিকর প্রভাব সৃষ্টি করতে পারে না। তবে বর্তমানে বিভিন্ন গবেষণায় উঠে এসেছে অত্যধিক মোবাইল ব্যবহারের ক্ষতিকারক রেডিয়েশন শরীরে যথেষ্ট ক্ষতি করতে সক্ষম।
Radiation-Brain-Cellphone-300×200প্রাপ্ত বয়স্কদের তুলনায় ছোটদের শরীরে ৬০ শতাংশ বেশি হারে ইলেকট্রোম্যাগনেটিক রেডিয়েশন ক্ষতি করতে সক্ষম হয় বলে বিভিন্ন গবেষণায় দেখা গিয়েছে। এর কারণ হিসাবে বলা হয়েছে, ছোটদের মস্তিষ্কের হাড় ও যাবতীয় টিস্যু সরু এবং পাতলা। তাই প্রাপ্তবয়স্কদের তুলনায় প্রায় দ্বিগুণ রেডিয়েশন গৃহীত হয়।
এছাড়াও দীর্ঘক্ষণ মোবাইল ফোনের এই ক্ষতিকারক রেডিয়েশনে শরীরের বিভিন্ন স্থানে ব্যথা হওয়ায় আশঙ্কা থাকে। দীর্ঘক্ষণ মোবাইল স্ক্রিনে তাকিয়ে থাকার কারণে মাথাব্যথা সহ চোখের সমস্যা হওয়ারও আশঙ্কা থাকে। আর রাতে মোবাইল ব্যবহারে ঘুমের সমস্যা হয় শরীরের ক্লান্তি ও দুর্বলতা অনুভব হয়। দুশ্চিন্তা এবং মানসিক চাপও বৃদ্ধি পায় বলে প্রতিনিয়ত সতর্ক করছেন বিশেষজ্ঞরা। তাই আজ থেকেই মোবাইল ফোন ব্যবহারে সতর্ক হোন, পাশাপাশি প্রয়োজন ছাড়া মোবাইল ফোনে দীর্ঘসময় কথা বলা থেকে বিরত থাকুন।
Related News
জিমেইলে যুক্ত হচ্ছে কপি কোড, যে সুবিধা পাওয়া যাবে
তথ্যপ্রযুক্তি ডেস্ক: জিমেইলে ভেরিফিকেশন কোড বা ওয়ান-টাইম পাসওয়ার্ড (ওটিপি) দ্রুত কপি করার সুবিধা চালু করছেRead More
ফোন নম্বর ছাড়াই চলবে হোয়াটসঅ্যাপ, মেটার নতুন চমক
তথ্যপ্রযুক্তি ডেস্ক : স্মার্টফোনে যোগাযোগের অন্যতম জনপ্রিয় মাধ্যম হোয়াটসঅ্যাপ। বিশ্বজুড়ে ৩০০ কোটির বেশি মানুষ ব্যবহারRead More



Comments are Closed