Main Menu

ডোমারে মালটা চাষে সফল আব্দুল্লাহ

Manual2 Ad Code

ময়নুল হক, নীলফামারী জেলা প্রতিনিধি: নীলফামারীর ডোমার উপজেলার ভোগডাবুড়ী ইউনিয়নের কাঁঠালতলী গ্রামে উন্নতজাতের মালটা চাষে আলোড়ন সৃষ্টি করেছেন কৃষক এস এম আব্দুল্লাহ। ১০ বিঘা জমিতে তিনি ১২ বছর আগে ৫০টি মালটাা চারা রোপন করেন। পরে তিনি ২০১৬ সালে বিদেশী উন্নতজাতের আরো ৭শত চারা রোপন করেন। চারা রোপনের ১ বছরের মধ্যে গাছে মালটা ফল ধরে। তার বাগানে বিদেশী ৩ জাতের উন্নতমানের চারা রয়েছে। প্রতি গাছে মালটার ব্যাপক ফলন ধরেছে। এসএম আব্দুল্লাহর বাগানের মালটার সুনাম এলাকাজুড়ে। অন্যান্য মালটার চেয়ে এই বাগানের মালটা খেতে সুস্বাদু এবং বাজারে প্রচুর চাহিদা রযেছে।
পরে তিনি বিদেশী উন্নতজাতের নাগপুরী, দার্জিলিং, মরক্কো, ভারত, পাকিস্তান এবং সরকারী বারী-১ জাতের চারাসহ আরো ৭শত মালটা চারা রোপন করেন। সেই চারা গুলোতে প্রচুর পরিমানে মালটা ধরেছে। তার বাগানের মালটার ব্যাপক চাহিদা রয়েছে। দুর-দুরান্ত থেকে ফল বিক্রেতারা তার বাগান থেকে মালটা কিনে নিয়ে যায়।
এস এম আব্দুল্লাহ বলেন, মালটার বাগানটা করেছি ১০/১২ বছর আগে। এই মালটাগুলো বেশির ভাগই নাগপুরী, দার্জিলিং পাকিস্তানের। এই মালটার কোয়ালিটি গুলো খুবই সুন্দর চমৎকার। এখানে দুর-দুরান্ত থেকে মানুষ আসে মালটার চারা নিয়ে যায়। এখানে বিভিন্ন দেশ থেকে মালটা চারা নিয়ে এসেছি যেমন, মরক্কো, ইন্ডিয়ান ও পাকিস্তানের চারা রয়েছে আমাদের কাছে। আমরা মালটার চেয়ে চারা বিক্রি প্রচুর এবং মালটাও বিক্রি করি। মালটা তো মৌসুমে একবার আসে কিন্ত চারা বিক্রি হয় সারা বছর। ক্রেতারা চারা লাগানোর ১ বছরের মধ্যেই ফল আসে। এটা লাভ জনক ব্যবসা। মৌসুমে একটা মালটা গাছে এক থেকে দেড় মন মালটা হয়। আমার এখানে ১০ বিঘার উপরে মালটার গাছ আছে। আরো ৭শত মালটা চারা লাগিয়েছি বিভিন্ন জাতের। ফল যা হয় তার চেয়ে মালটা চারায় লাভ বেশী হয়।
ডোমার কৃষি অফিসার, কৃষিবিদ জাফর ইকবাল বলেন, ডোমারে আব্দুল্লাহ’র মালটা বাগানে প্রচুর মালটা ধরেছে। তিনি মনে করেন ডোমারে মালটা চাষের ব্যাপক সম্ভাবনা রয়েছে। আগামিতে মালটা দেশের চাহিদা মিটিয়ে বিদেশে বাজারজাত করতে পারবো বলে আমরা আশা করছি।

 

Manual2 Ad Code

 

Manual6 Ad Code

Share





Related News

Comments are Closed

Manual1 Ad Code
Manual6 Ad Code