ঈদে ট্রেনের অগ্রিম টিকেট ১২ জুন থেকে
বৈশাখী নিউজ ডেস্ক : রোজার ঈদ সামনে রেখে ট্রেনের অগ্রিম টিকেট বিক্রি শুরু হবে আগামী ১২ জুন। ওইদিন ২১ জুনের যাত্রার জন্য টিকেট বিক্রি হবে বলে রেলমন্ত্রী মুজিবুল হক জানিয়েছেন।
রেলভবনে ঈদসেবা নিয়ে কর্মকর্তাদের সঙ্গে এক বৈঠকের পর সাংবাদিকদের সামনে ট্রেনের আগাম টিকেট বিক্রির সূচি তুলে ধরেন তিনি।
মন্ত্রী জানান, ১২ থেকে ১৬ জুন ঢাকার কমলাপুর ও চট্টগ্রাম স্টেশন থেকে ঈদযাত্রার আগাম টিকেট বিক্রি হবে। প্রতিদিন সকাল ৮টা থেকে কাউন্টারে এই টিকেট পাওয়া যাবে।
কমলাপুরের ২৩টি কাউন্টার থেকে টিকেট বিক্রি হবে। এরমধ্যে নারীদের জন্য থাকবে একটি কাউন্টার।
কবে কোন তারিখের টিকেট- ১২ জুন বিক্রি হবে ২১ জুনের টিকেট, ১৩ জুন বিক্রি হবে ২২ জুনের টিকেট, ১৪ জুন বিক্রি হবে ২৩ জুনের টিকেট, ১৫ জুন বিক্রি হবে ২৪ জুনের টিকেট, ১৬ জুন বিক্রি হবে ২৫ জুনের টিকেট।
ঈদ শেষে কর্মস্থলে ফেরার জন্য রাজশাহী, খুলনা, রংপুর, দিনাজপুর, ও লালমনিরহাট স্টেশন থেকে ফিরতি টিকেট বিক্রি শুরু হবে। ১৯ জুন বিক্রি হবে ২৮ জুনের টিকেট, ২০ জুন বিক্রি হবে ২৯ জুনের টিকেট, ২১ জুন বিক্রি হবে ৩০ জুনের টিকেট, ২২ জুন বিক্রি হবে ১ জুলাইর টিকেট ও ২৩ জুন বিক্রি হবে ২ জুলাইর টিকেট। এবার সরকারিভাবে রোজার ঈদের ছুটি ঠিক করা হয়েছে ২৫ থেকে ২৭ জুন। চাঁদ দেখা যাওয়া সাপেক্ষে ২৬ জুন বাংলাদেশে ঈদুল ফিতর উদযাপিত হতে পারে।
বাংলাদেশ রেলওয়ে যাত্রীদের ‘সর্বোচ্চ সেবা’ দিতে সব ব্যবস্থাই করছে জানিয়ে মুজিবুল হক বলেন, “আমরা শতভাগ প্রস্তুত আছি। আমাদের কর্মকর্তা-কর্মচারী সবার ছুটি বাতিল করা হয়েছে। আমাদের যা সম্পদ আছে তা দিয়ে শতভাগ সেবা দিতে পারব বলে আমি আশা করি।” টিকেট কালোবাজারি রোধ এবং যাত্রীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতেও সবরকম ব্যবস্থা নেওয়ার কথা বলেন রেলমন্ত্রী। তিনি বলেন, কেউ টিকেট কালোবাজারি করতে পারবে না। অজ্ঞান পার্টি, মলম পার্টিসহ কোনো গোষ্ঠী যেন যাত্রীদের হয়রানি না করতে পারে- সেদিকে আমাদের নজরদারি থাকবে। ঢাকা, চট্টগ্রামসহ বড় বড় স্টেশনগুলোতে রেল পুলিশসহ আইনশৃঙ্খলাবাহিনীর সদস্যরা থাকবেন। ট্রেনের সূচিতে যাতে কোনো বিপর্যয় না ঘটে, সেদিকে আমরা বাড়তি নজর দিয়েছি। আমরা আপ্রাণ চেষ্টা করব। গতবার কোনো শিডিউলে সমস্যা হয়নি। এবারও হবে না।
সংবাদ সম্মেলনে বলা হয়, সারাদেশে প্রতিদিন ২ লাখ ৬৫ হাজার যাত্রী পরিবহন করতে পারে রেলওয়ে। এর মধ্যে ঢাকা থেকে ৬০ হাজার ও চট্টগ্রাম থেকে ১৫ হাজার যাত্রী পরিবহন করা হয়।
রেলমন্ত্রী জানান, এবার ঈদে রেলের বহরে ১৭১টি কোচ যুক্ত হয়েছে। সব মিলিয়ে যাত্রী পরিবহন করা হবে ১ হাজার ৩৩২টি কোচ দিয়ে। নতুন ২১টিসহ মোট ২২৯টি ইঞ্জিন যাত্রীদের গন্তব্যে পৌঁছে দেবে।
এবার ঈদ উপলক্ষে ২৩ জুন থেকে ২৫ জুন পর্যন্ত ৭ জোড়া বিশেষ ট্রেন চলাচল করবে বলে জানান রেলমন্ত্রী।
এসব ট্রেন ঢাকা থেকে দেওয়ানগঞ্জ, রাজশাহী, পার্বতীপুর এবং চট্টগ্রাম থেকে চাঁদপুর রুটে চলাচল করবে।
এছাড়া ঈদের পর ২৮ জুন থেকে ৩ জুলাই পর্যন্ত ঈদফেরত যাত্রীদের পরিবহন করবে এসব ট্রেন।
শোলাকিয়া ঈদগাহে যাতায়াতের জন্য ঈদের দিন ভৈরববাজার থেকে কিশোরগঞ্জ এবং ময়মনসিংহ থেকে কিশোরগঞ্জ রুটে দুটি ট্রেন চালানো হবে বলে জানান মুজিবুল হক।
তিনি বলেন, ঈদ উপলক্ষে সব আন্তঃনগর ট্রেনের সাপ্তাহিক ছুটি বাতিল করা হয়েছে। এছাড়া ২৫ ও ২৬ জুন মৈত্রী ট্রেনের সূচিও বাতিল করা হয়েছে।
অন্যদের মধ্যে রেলওয়ের মহাপরিচালক মো. আমজাদ হোসেন, রেলওয়ে এবং আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কর্মকর্তারা সভায় উপস্থিত ছিলেন।
Related News
প্রতারণা থেকে সতর্ক থাকার আহ্বান মার্কিন দূতাবাসের
বৈশাখী নিউজ ডেস্ক: সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রতারণা থেকে সতর্ক থাকতে পরামর্শ দিয়েছে ঢাকায় অবস্থিত মার্কিন দূতাবাস। মঙ্গলবারRead More
ঢাকার দুই সিটি করপোরেশনে মেয়র প্রার্থী ঘোষণা করল এনসিপি
বৈশাখী নিউজ ডেস্ক: আসন্ন ঢাকা দক্ষিণ ও উত্তর সিটি করপোরেশন নির্বাচন ঘিরে নিজেদের মেয়র প্রার্থীRead More



Comments are Closed