Main Menu

জৈন্তাপুরে ক্ষতিগ্রস্থ বাউরীটিলাবাসীর মানববন্ধন

Manual6 Ad Code

বৈশাখী নিউজ ২৪ ডটকম: ১৯৪২ সাল হতে ভোগ দখলীয় বাউরী টিলা ভূমি থেকে উচ্ছেদের নামে লালাখাল চা-বাগান কর্তৃক বাগান ক্ষতিসাধন এবং দখল না ছাড়ার দাবীতে ক্ষতিগ্রস্থ ৪৩ পরিবার মানববন্ধন পালন করেছে। সোমবার দুপুর ১২টায় জৈন্তাপুর উপজেলার চারিকাটা ইউনিয়নের চতুল উত্তর বাজারে মানববন্ধন পালন করে তারা।
ক্ষতিগ্রস্থ বাউরীটিলাবাসীর আয়োজনে বীর মুক্তিযোদ্ধা দেবেশ রঞ্জন কর এর সভাপতিত্বে ও ছাত্রলীগ নেতা সুলতান আহমদের পরিচালনায় মানববন্ধনে বক্তব্য রাখেন- চারিকাটা ইউনিয়ন কৃষকলীগের সভাপতি মনির আহমদ, ইউনিয়ন সেচ্ছাসেবক লীগের নেতা জাকারিয়া আহমদ, ইউপি সদস্য বাউরী টিলা আন্দোলনের অন্যতম সংগঠক হাজির আলী, সমাজসেবী আলতাফ হোসেন বেলাল, মামুন আহমদ, জামাল উদ্দিন, অলিউর রহমান অলি, আব্দুস সালাম, শওকত আলী, মাহমুদ আলী, শামীম আহমদ, আলম মিয়া, সূর্যমনি প্রমুখ।
মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, ১৯৪২ সালে থেকে আমরা বাউরীটিলা ভোগ দখল করে পরিবার পরিজন নিয়ে বসবাস করে আসছি। সম্প্রতি ২০১৬ সালে লালাখাল চা বাগান কর্তৃপক্ষ উচ্ছেদের নামে পেশী শক্তির জোরে প্রায় ২ কোটি টাকার ফলজ বনজ ও কৃষিজ ফসল ধ্বংস যজ্ঞ চালিয়ে বিনষ্ট করে। এনিয়ে বহু জাতীয় স্থানীয় পত্রিকা সহ ইলেক্ট্রনিক মিডিয়ায় সংবাদ প্রকাশিত হয়। শান্তিপ্রিয় বাউরীটিলাবাসী পেশি শক্তি এবং মামলা হামলার ভয়ে মুখোমুখি হয়নি।
মানববন্ধনকারীরা দাবী করে বলেন, লালাখাল চা-বাগান কর্তৃপক্ষ সরকারে নিকট হতে ১৩১৭.৩৪ পয়েন্ট ভূমি বন্দবস্ত গ্রহন করে তারা অবৈধ ভাবে প্রায় ২ হাজারের অধিক একর ভূমি দখল নিয়েছে। এছাড়া ৪৯, ৫২, ৫১নং জে.এল এর প্রায় ১৫শত একর ভুমি সহ বিরুধপূর্ণ ৫৫নং জে এল এর ১৫০একর ভূমির মধ্যে ১৩৫একর ভূমি বন্দোবস্থ গ্রহন করে। সরকারকে তথ্য গোপন করে ৫০নং জে এল এর ৭শত একর ভূমি বিনা বন্দোবস্তে নিয়ে তারা অবৈধ ভাবে দখলে রাখে এবং রাজস্ব ফাঁকি দিচ্ছে। বিধি মোতাবেক বাগান কর্তৃপক্ষ ১সনা রাজস্ব পরিশোধ করবে এছাড়া প্রাকৃতিক দূযোগে কিংবা অন্য কোন কারনে বাগানের ক্ষতি সাধিত হলে, সে ক্ষেত্রে ২ বৎসর পর্যন্ত এক সাথে রাজস্ব পরিশোধ করতে পারবে। লালাখাল চা-বাগান র্কর্তৃপক্ষ বছরের পর বছর সরকারের রাজস্ব ৩২ লক্ষ ৬৭ হাজার টাকা পরিশোধ না করে কিভাবে আমাদেরকে উচ্ছেদ করে? আমাদের দাবী বাগান কর্তৃপক্ষ আমাদের যে অপুরনীয় ক্ষতি সাধন করেছে তা অভিলম্বে পরিশোধ এবং আমোদের উপর নির্যাতন হুমকী ধকমী বন্ধ করতে হবে। অন্যথায় আমাদের পূর্ব-পূরুষ হতে দখলীয় বাউরীটিলার এক ইঞ্চি ভূমি কোন অবস্থায় দখল ছাড়ব না। এছাড়া সরকার আমাদের মধ্যে বাউরীটিলার ভূমি ফেরত না দেয় তা হলে সিলেট-তামাবিল মহাসড়ক অবরোধ সহ জৈন্তাপুর উপজেলা নির্বাহী অফিস, সহকারী কমিশনার (ভূমি) অফিস ঘোরাও সহ কঠোর কর্মসূচী দিতে বাধ্য হবে বলে জানান ৪৩ পরিবারের আন্দোলন কারীরা।

Share





Related News

Comments are Closed

Manual1 Ad Code
Manual7 Ad Code