Main Menu

ডোমারে কেচোঁ সারের চাহিদা দিন দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে

ময়নুল হক, নীলফামারী জেলা প্রতিনিধি: নীলফামারীর ডোমার উপজেলায় বানিজ্যিক ভাবে কেঁচো সার উৎপাদন করছে ভার্মি কম্পোস্ট উৎপাদনের অন্যতম উদ্দোগী রামনিওয়াশ আগরওয়ালা। ভার্মি কম্পোস্ট (কেচোঁ সার) উৎপাদনকারী অনেক ক্ষুদ্র প্রান্তিক কৃষক নিজের জমির চাহিদা মিটিয়ে বাড়তি আয়ের সন্ধান পেয়েছে। উদ্ভিত ও প্রাণীর পচনশীল বর্জ্য যেমন গোবর, কুচুরিপানা, বিভিন্ন ধরণের ফসলে অবশিষ্টাংশ বিশেষ প্রজাতির কেঁচো দ্বারা খাওয়ার পর মল ও কেঁচোর মৃত অবশেষ, ডিম বা কোকুন, সুক্ষজীবানু ইত্যাদির মিশ্রণ থেকে কেঁচো সার উৎপাদন করছে।
ডোমার পৌরসভার ১নং ওয়ার্ডের আব্দুল ছাত্তার ছেলে আব্দুল আলিম বলেন, কলেজে লেখাপড়ার অবসর সময়ে কেচোঁ সার উৎপাদন করে নিজের লেখাপড়ার খরচ মিটিয়ে প্রতিমাসে তার দুই হাজার টাকা বাড়তি আয় হচ্ছে।
পাঙ্গা মটুকপুর ইউনিয়নের কৃষক ওহিদুল ইসলামের স্ত্রী জোসনা বেগম বলেন, সংসারের কাজের ফাঁকে একটা কৃষকের নিদিষ্ট পরিমান জায়গায় ফসল পাওয়ার আশা করে। জৈব সার ব্যবহার করে রাসায়নিক সারের ব্যবহার কমানো সম্ভব এবং খরচের পনিমানটাও ২০ ভাগ কমানো সম্ভব। জৈব সার ব্যবহার করে কৃষকেরা অনেক ধরনের থরচ কমাতে পারবে। প্রতিনিয়ত জৈব সার ব্যবহার করলে সেচের থরচ কমবে। রোগ বালাই ও কীটনাশক থরচ কমবে। তেমনি ভাবে আজ তারা খাদ্যের বিষক্রিয়া মুক্ত করতে রেখেছেন অগ্রনী ভুমিকা। কেচোঁ সার উৎপাদন করে মাসে ৩/৪ হাজার টাকা আয় করে আমার সংসারের অভাব দুর হয়েছে এবং ছেলে-মেয়েদের স্কুলে লেখাপড়া করাচ্ছি।
বোড়াগাড়ী ইউনিয়নের কমলা কান্ত রায়ের ছেলে মানিক চন্দ্র রায় বলেন, আমি নিজে কেচোঁসার উৎপাদন করি এবং আমাদের আবাদি জমির চাহিদা মিটিয়ে অন্নপূণা জৈব সার কোম্পানির কাছে কেচোঁ সার বিক্রি করে প্রতি মাসে চার হাজার টাকা আয় করছি।
বাংলাদেশের প্রথম অনুমোদন প্রাপ্ত জৈব সার উৎপাদনকারী কোম্পানির কর্ণধার ও এ অঞ্চলের কৃষকদের দ্বারা ভার্মি কম্পোস্ট উৎপাদনের অন্যতম উদ্দোগী রামনিওয়াশ আগরওয়ালা সাত বছর আগে ভারত থেকে কোচোঁ নিয়ে এসে ৫০টি হাউজে গোবর সংগ্রহ করে বানিজ্যিক ভাবে কেচোঁ সার উৎপাদন শুরু করেন এবং তিনি ৬শত প্রান্তিক কৃষকদের ভার্মি কম্পোস্ট উৎপাদনের প্রশিক্ষন দেন। এসব কৃষক নিজের জমির চাহিদা মিটিয়ে বাড়তি আয়ের সন্ধান পেয়েছে। প্রতি মাসে তারা ৩/৪ হাজার টাকা আয় করছে। কঁচো সার খেকে জৈব সার উৎপাদন করে অন্নপূণা জৈব সার কোম্পানির কাছে বিক্রি করে অনেক কৃষক আজ সংসারে অভাব দুর করেছেন।
কেচোঁ সার উৎপাদন প্রতিষ্ঠানে অনেকে কাজ করে তারা প্রতিদিন ২০০/২৫০ শত টাকা পারিশ্রমিক পেয়ে তাদের সংসারের অভাব দুর করেছেন। অনেক কৃষান-কৃষানী ও স্কুল, কলেজের ছেলে মেয়েরা লেখা-পড়ার পাশাপাশি কোঁেচা সার উৎপাদন করে আয় করছে। বিভিন্ন ধরণের ফসলে অবশিষ্টাংশ বিশেষ প্রজাতির কেঁচো দ্বারা খাওয়ার পর মল ও কেঁচোর মৃত অবশেষ, ডিম বা কোকুন, সুক্ষজীবানু ইত্যাদির মিশ্রণ থেকে কেঁচো সার থেকে জৈব সার উৎপাদন করে অন্নপূর্ণা জৈব সার কোম্পানির কাছে বিক্রি করে অনেক কৃষক আজ সংসারে অভাব দুর করেছেন।
অন্নপূণা জৈব সার কোম্পানির এমডি, দেবরাজ আগওয়ালা বলেন, একটা কৃষকের নিদিষ্ট পরিমান জায়গায় ফসল পাওয়ার আশা করে। কেচোঁ সার ব্যাবহার করে রাসায়নিক সারের ব্যবহার কমানো সম্ভব এবং খরচের পনিমানটাও ২০ ভাগ কমানো সম্ভব। জৈব সার ব্যাবহার করে কৃষকেরা অনেক ধরনের থরচ কমাতে পারবে। প্রতিনিয়ত কেচোঁ সার ব্যাবহার করলে সেচের থরচ কমবে। রোগ বালাই ও কীটনাশক থরচ কমবে। তেমনি ভাবে আজ তারা খাদ্যের বিষক্রিয়া মুক্ত করতে রেখেছেন অগ্রনী ভুমিকা।

Share





Related News

Comments are Closed