Main Menu

যেভাবে গ্রেফতার করা হয় ধর্ষক সাফাত-সাদমানকে

বৈশাখী নিউজ ২৪ ডটকম: বুধবার রাতে সিলেট নগরীর পাঠানটুলার রশীদ মঞ্জিলে ওঠে শাফাত আহমদ ও সাদমান সাকিফ। পাঠানটুলার ওই বাসার মালিক মামুনুর রশিদ নামের এক প্রবাসী। এই ভবনে প্রবাসীর মা এবং একজন কেয়ারটেকার থাকেন।
কেয়ারটেকার নুরন্নবি জানান, বুধবার রাত সাড়ে এগারটার দিকে মামুনুর রশিদের পরিচিত নগরীর কাজির বাজার এলাকার এক ব্যক্তি শাফাত এবং সাকিফকে ওই বাসায় নিয়ে গিয়ে তাদের রাখতে বলে। তারপর থেকেই তারা দ্বিতীয় তলার একটি কক্ষে অবস্থান করছিলেন।
বৃহস্পতিবার রাত সাড়ে ৮টার দিকে বিপুল সংখ্যক পুলিশ বাড়ি ঘেরাও করে। কিছুক্ষণ পরই উপরে উঠে পুলিশ তাদের ধরে নিয়ে যায় বলে জানান নুরন্নবী।
রাত সাড়ে ১০টায় সিলেট মহানগর পুলিশ (এসএমপি) কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনে একই তথ্য জানিয়েছেন মহানগর পুলিশের অতিরিক্ত উপ কমিশনার (গণমাধ্যম) জেদান আল মুসাও।
গ্রেফতারকৃত সাফাত আহমেদ (২৬) আপন জুয়েলার্সের মালিক দিলদার আহমেদের ছেলে ও সাদমান সাকিফ (২৪) পিকাসো রেস্তোরাঁর অন্যতম মালিক ও রেগনাম গ্রুপের কর্ণধার মোহাম্মদ হোসেন জনির ছেলে। সাফাতের গ্রামের বাড়ি সিলেটের গোলাপগঞ্জ উপজেলার ঢাকা দক্ষিণের নগর গ্রামে। আর তার নানার বাড়ি দক্ষিণ সুরমার বরইকান্দিতে।
প্রসঙ্গত, গত ২৮ মার্চ রাতে রাজধানীর বনানীর ‘দি রেইনট্রি’ নামক একটি হোটেলে পূর্ব পরিচিত শাফাত আহমেদের জন্মদিনের অনুষ্ঠানে গিয়ে রাতভর ধর্ষণের শিকার হন বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের দুই ছাত্রী। ওই ঘটনায় গত ৬ মে শনিবার আপন জুয়েলার্সের অন্যতম কর্ণধার দিলদার আহমেদের ছেলে শাফাত আহমেদ ও রেগনাম গ্রুপের পরিচালক সাদমান সাকিফসহ পাঁচজনকে আসামী করে মামলা দায়ের করা হয়। মামলার অপর তিন আসামি হলেন ই-মেকার্স ইভেন্ট ম্যানেজমেন্টের পরিচালক নাঈম আশরাফ, শাফাতের গাড়ি চালক বিল্লাল এবং তার দেহরক্ষী আবুল কালাম আজাদ।

Share





Related News

Comments are Closed