Main Menu

ক্ষমতায় গেলে নতুন ধারার রাজনীতি করবে বিএনপি: খালেদা জিয়া

বৈশাখী নিউজ ডেস্ক: ভবিষ্যতে ক্ষমতায় গেলে স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতার নতুন ধারার রাজনীতি করবে বিএনপি। সেই সঙ্গে সুনীতি, সুশাষন ও সু সরকারের সম্বন্বয় ঘটাবে বলে জানিয়েছেন বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া। বিএনপির ভিশন ২০৩০ ঘোষনা উপলক্ষে সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন।

ক্ষমতায় যাওয়ার পর বিএনপি কীভাবে দেশ পরিচালনা করবে- তার রূপকল্প ‘ভিশন ২০৩০’ দেশবাসীর সামনে তুলে ধরতে বুধবার বিকেলে রাজধানীর হোটেল ওয়োস্টিনে এ সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়।

তিনি জানান, সংবিধানের প্রয়োজনীয় সংশোধনীর মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রীর নির্বাহী ক্ষমতার ভারসাম্য আনা হবে। সেই সঙ্গে গণভোট ব্যবস্থার পুনপ্রবর্তন করা হবে বলেও জানান খালেদা জিয়া।

বিএনপি চেয়ারপারসন বলেন, সংবিধানের পঞ্চদশ সংশোধনীর মাধ্যমে যে বিতর্কিত ও অগণতান্ত্রিক বিধান যুক্ত করা হয়েছে, সেগুলো সংস্কার করা হবে। এগুলো আবার বিচার বিশ্লেষণ করা হবে। বিএনপি ক্ষমতায় গেলে জাতীয় সংসদকে সব কর্মকাণ্ডের কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত করবে। ক্ষমতার ভারসাম্য আনতে জাতীয় সংসদে প্রতিষ্ঠা করবে উচ্চ কক্ষ। বিএনপি জণগণের হাতেই রাষ্ট্রের মালিকানা ফিরিয়ে দিতে চায়। আমরা ওয়ান ডে ডেমোক্রেসিতে বিশ্বাসী নই। জনগণের ক্ষমতাকে কেবল ভোট দেয়ার দিনে আবদ্ধ রাখতে চাই না বলেও জানান তিনি।

সংবাদ সম্মেলনে খালেদা জিয়া আরও বলেন, ‘জাতীয় স্বার্থ সম্পর্কিত বিষয়ে বিরোধী দলগুলোর সঙ্গে আলোচনা করা হবে। পাবলিক অ্যাকাউন্টস কমিটি এবং পাবলিক আন্ডারটেকিংস কমিটির সভাপতিত্ব বিরোধী দলের সদস্যদের ওপর ছেড়ে দেওয়া হবে ।’

খালেদা জিয়া বলেন, ‘বিএনপি মুক্তযুদ্ধের মূলমন্ত্র বাংলাদেশের জনগণের জন্য সাম্য, মানবিক মর্যাদা ও সামাজিক ন্যায় বিচার প্রতিষ্ঠা করার কাঙ্ক্ষিত লক্ষ্যে জাতিকে পৌঁছাতে দৃঢ় প্রতিজ্ঞ। মহান মুক্তিযুদ্ধের মধ্য দিয়ে বাংলাদেশের জনগণ স্বপ্ন দেখেছিল। সেই স্বপ্ন ছিল ন্যয় বিচার, মানবিক মর্যাদা ও সাম্যের। জনগণের এই স্বপ্ন আজও সফল হয়নি। স্বৈরশাসন ও দুঃশাসনের যাতাকলে স্বপ্নগুলো চুরমার হয়ে গেছে। আজ আমাদের সকলকে সম্মিলিতভাবে সেই স্বপ্ন পূরণের জন্য নতুন করে শপথ নিতে হবে।

সংবাদ সম্মেলনে বিএনপিপন্থী বুদ্ধিজীবী ও পেশাজীবীরাসংবাদ সম্মেলনে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য, জাতীয়তাবাদী ঘরানার বুদ্ধিজীবী, ২০ দলীয় জোটের শরিক দলগুলোর কেন্দ্রীয় নেতা, বিভিন্ন দেশের কূটনীতিক ও কর্মকর্তা, পেশাজীবী সংগঠনের নেতা, গণমাধ্যমের সাংবাদিক ও ব্যবসায়ী সংগঠনের নেতারা উপস্থিত রয়েছেন।

সংবাদ সম্মেলনে বিএনপি নেতাদের মধ্যে দলের মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন, ব্যারিস্টার মওদুদ আহমেদ, তরিকুল ইসলাম, ব্যারিস্টার জমির উদ্দিন সরকার, লে. জে. (অব). মাহবুবুর রহমান, এম কে আনোয়ার, ব্যারিস্টার রফিকুল ইসলাম মিয়া, মির্জা আব্বাস, গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, নজরুল ইসলাম খান, ড. আবদুল মঈন খান, আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী উপস্থিত আছেন।

দলের ভাইস চেয়ারম্যানদের মধ্যে চৌধুরী কামাল ইবনে ইউসুফ, আবদুল্লাহ আল নোমান, আলতাফ হোসেন চৌধুরী, হাফিজ উদ্দিন আহমেদ, ইনাম আহমেদ চৌধুরী, রুহুল আলম চৌধুরী, সেলিমা রহমান, শামসুজ্জামান দুদু, মোহাম্মদ শাহজাহান, আবদুল আউয়াল মিন্টু, আবদুল মান্নান, খন্দুকার মাহবুব হোসেন, নিতাই রায় চৌধুরী, হারুন উর রশিদ, ডা. এ. জেড এম জাহিদ হোসেন, ব্যারিস্টার শাহজাহান ওমর প্রমুখ উপস্থিত আছেন।

উপদেষ্টাদের মধ্যে আমান উল্লাহ আমান, আতাউর রহমান ঢালী, ড. সুকোমল বড়ুয়া, অধ্যাপক তাজমেরী ইসলাম, এ জেড মোহাম্মদ আলী, হাবিবুর রহমান হাবিব, জয়নাল আবেদীন ফারুক, আবুল খায়েল ভূইয়া প্রমুখ রয়েছেন।

২০ দলীয় জোটের শীর্ষ নেতাদের মধ্যে কল্যাণ পার্টির সৈয়দ মুহাম্মদ ইবরাহিম, জাগপার শফিউল আলম প্রধান, এনপিপির ড. ফরিদুজ্জামান ফরহাদ, বাংলাদেশ ন্যাপের জেবেল রহমান গানি, লেবার পার্টি মোস্তাফিজুর রহমান ইরান, বিজেপির আন্দালিব রহমান পার্থ প্রমুখ উপস্থিত রয়েছেন।

বিএনপির সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিক ও কূটনীতিকরাএছাড়াও প্রফেসর এমাজউদ্দিন আহমেদ, অর্থনীতিবিদ ড. মাহবুবউল্লাহ, সাংবাদিক মাহফুজউল্লাহ প্রমুখ উপস্থিত আছেন। কূটনীতিকদের মধ্যে ইউরোপীয় ইউনিয়নের পলিটিক্যাল, ট্রেড, প্রেস অ্যান্ড ইনফরমেশন মিনিস্টার কাউন্সিলর কোনস্টানটিনস ভারদাকিস, ব্রিটিশ হাইকমিশনের হেড অব পলিটিক্যাল সেকশন আদ্রিয়ান জনস, জার্মান দূতাবাসের পলিটিক্যাল, কালচার অ্যান্ড প্রেস সেকশনের থার্ড সেক্রেটারি ক্রিস্টিন জুরপ্যাল, বাংলাদেশে নিযুক্ত ভ্যাটিক্যান সিটির সেকেন্ড সেক্রেটারি অ্যান্ড ডিএইচএম লুকা, মারাবেসে, তুরস্কের ডেপুটি হেড অব মিশন ওরহান আইয্যাক, চীনের পলিটিক্যাল সেকশনের থার্ড সেকেটোরি লি জুআংইউ রেড ক্রসের বাংলাদেশ শাকলা ডেপুটি হেড অব ডেলিগেশন বোরিস কেলেসেভিক, ডেনমার্কের ডেপুটি হেড অব মিশন জ্যাকব হাউগ্যার্ড, সুইডেনের হেডভিগ সোদারলিন্ড, ইউএনডিপির প্রতিনিধি চ্যারলেস ডেনহেজ, ইন্দোনেশিয়ার ইনফরমেশন, সোস্যাল অ্যান্ড কালচার সেকেন্ড সেক্রেটারি ফিতরি টিজ্যানদ্রা প্রিজান্তি প্রমুখ উপস্থিত রয়েছেন।

Share





Related News

Comments are Closed