Main Menu

নীলফামারীতে ২৭ টি অরক্ষিত রেল ক্রসিং

ময়নুল হক, নীলফামারীজেলা প্রতিনিধি : গেট ও গেটম্যান না থাকায় যেন মৃত্যু ফাঁদে পরিণত হয়েছে নীলফামারীর ২৭টি রেলক্রসিং। অরক্ষিত আর উন্মুক্ত এসব ক্রসিং দিয়ে চলাচল করতে গিয়ে ঘটছে ছোটবড় দূর্ঘটনা। অথচ “ গেট ও গেটম্যান নাই, নিজ দায়িত্বে চলাচল করুন” ক্রসিং গুলোতে শুধু এমন একটি সাইনবোর্ড টানিয়ে যেন দায় সেরেছে রেলওয়ে কর্তৃপক্ষ। তাইতো নিজেদের নিরাপত্তার দায়িত্ব নিজেরাই কাঁধে তুলে নিয়ে এসব ক্রসিং দিয়ে চলাচলকারী মানুষ।
পার্বতীপুর থেকে নীলফামারীর চিলাহাটি পর্যন্ত লোকাল ও দুর পাল্লার ট্রেন চলাচল করলেও এসবের অধিকাংশ ক্রসিংয়ে নেই গেট ও গেটম্যান। অরক্ষিত এসব উন্মুক্ত রেলক্রসিং দিয়ে দূর্ঘটনার ঝুঁকি মাথায় নিয়ে চলাচল করছে সাধারন মানুষ ও যানবাহন। সতর্কমূলক একটি করে সাইবোর্ড ছাড়া কর্তৃপক্ষের তেমন নজরদারী না থাকায় নিজেদেরকেই সতর্ক হয়ে চলাচল করতে হয় যানবাহন ও পথচারীদের।

উন্মুক্ত এসব ক্রসিং পারাপারে প্রতিনিয়তই ঘটছে ছোটবড় দূর্ঘটনা। ঘটছে প্রানহানীও। সর্বশেষ ২০১৫ সালের ১৪ আগস্টে সৈয়দপুরের ঢেলাপীরে উন্মুক্ত রেল ক্রসিংয়ে ঘটে মর্মান্তিক দূর্ঘটনা। দায়িত্ব পালন করতে যাবার সময় এখানেই ট্রেনের ধাক্কায় দুমড়ে মুচড়ে যায় সৈয়দপুর থানার একটি পুলিশ ভ্যান। সে ঘটনায় ৪ জন পুলিশ সদস্য মারা যাওয়া ছাড়াও আহত সৈয়দপুর থানার ওসি সহ আরও কয়েকজন পুলিশ সদস্য। তাইতো যানবাহন ও জনগনের নিরাপদ চলাচল নিশ্চিত করতে উন্মুক্ত রেল ক্রসিংগুলোতে গেট ও গেটম্যান নিয়োগের দাবি স্থানীয়দের।

ঝুঁকিপূর্ন এসব রেল ক্রসিংয়ে রেলওয়ের পূর্বাঞ্চল ও পশ্চিমাঞ্চল এ দুটি জোনে সাতশ গেট নির্মাণ ও ১৮০০ গেটম্যান নিয়োগের প্রক্রিয়া চলমান বলে জানান সম্প্রতি নীলফামারী পরিদর্শণে আসা রেলপথ মন্ত্রী মুজিবুল হক এমপি বলেন অরক্ষিত এসব রেল ক্রসিংয়ে খুব দ্রত গেট ও গেটম্যান নিয়োগ দিয়ে মানুষের নিরাপদ চলাচলের উপযোগী করা হবে বলে দাবি সাধারণ মানুষের।

Share





Related News

Comments are Closed