Main Menu

নীলফামারীর ইপিজেড পাল্টে দিয়েছে মানুষের জীবনমান

ময়নুল হক, নীলফামারী জেলা প্রতিনিধি : একসময় কাজের অভাবে অভাব-অনটন নিত্য সাথী হলেও এখন ভাল আছেন উত্তরের জেলা নীলফামারীর মানুষ। একটি ইপিজেড পাল্টে দিয়েছে এসব মানুষের জীবনমান। ২০০১ সালে প্রতিষ্ঠিত এই ইপিজেডের ১১টি কারখানায় বর্তমানে কাজ করছে এ অঞ্চলের অন্তত ২৪ হাজার শ্রমিক। প্রতিষ্ঠার পর থেকেই সস্তা শ্রম আর অনুকুল কর্মপরিবেশ থাকায় নীলফামারীর উত্তরা ইপিজেডে বিনিয়োগে আকৃষ্ট হচ্ছেন দেশী-বিদেশী বিনিয়োগকারীরা। বর্তমানে চশমা, খেলনা, ব্যাগ, পরচুলা, কফিন ও সোয়েটার কারখানাসহ ১১টি কারখানা উৎপাদনে আছে এই ইপিজেডে। আর উৎপাদনকারী এসব কারখানায় কাজের সুযোগ পেয়েছে নীলফামারীসহ আশপাশের অঞ্চলের অন্তত ২৪ হাজার মানুষ।
সম্প্রতি ইউরোপীয় ইউনিয়নভূক্ত পাঁচটি দেশের রাষ্ট্রদূতদের নিয়ে অপার সম্ভাবনার উত্তরা ইপিজেড পরিদর্শণ করেছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী আবুল হাসান মাহমুদ চৌধুরী। বিভিন্ন কারখানা পরিদর্শণ শেষে আগত সবার মুখেই ছিলো উত্তরা ইপিজেডের প্রশংসা। শোনালেন এই অঞ্চলের পিছিয়ে পড়া মানুষের বদলে যাবার গল্প। আর অর্থনৈতিক উন্নয়নে বাংলাদেশের পাশে থাকার কথা বললেন বিদেশী কুটনীতিকরা। দক্ষ শ্রমিক আর অনূকূল পরিবেশের কারণে এই ইপিজেড এগিয়ে যাচ্ছে বলে জানালেন উত্তরা ইপিজেডের মহাব্যবস্থাপক। বর্তমানে উত্তরা ইপিজেডে ১১টি কারখানা উৎপাদনে আছে এবং আরো নয়টি কারখানা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। আর এসব কারখানায় ২৪ হাজার শ্রমিকের কর্মসংস্থান হয়েছে বলে জানান এই কর্মকর্তা।

 

Share





Related News

Comments are Closed