Main Menu

বাড়ির পথে জঙ্গি রিপনের লাশ, দাফন হবে গ্রামের বাড়িতেই

বৈশাখী নিউজ ২৪ ডটকম : সিলেট কারাগারে ফাঁসি কার্যকর হওয়া জঙ্গি দেলোয়ার হোসেন রিপনের লাশ গ্রামের বাড়িতে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে।
বুধবার রাত ১০টা ৪০ মিনিটে রিপনের লাশবাহী অ্যাম্বুলেন্স সিলেট কারাগার থেকে বের হয়। তার লাশ মৌলভীবাজারের কুলাউড়া উপজেলার ব্রাহ্মণবাজার ইউনিয়নের কোনাগাও গ্রামে নিয়ে যাওয়া হবে।
লাশের সাথে আইন-শৃংখলা রক্ষাকারী বাহিনীর কয়েকজন সদস্যকেও দেখা গেছে। কোনাগাঁও জামে মসজিদের পাশে পারিবারিক গোরস্থানেই দাফন করা হবে রিপনকে।
বুধবার রাত ১০টায় সিলেট কেন্দ্রীয় কারাগারে রিপনের ফাঁসি কার্যকর হয়।
এর আগে বুধবার সন্ধ্যার দিকে মৃত্যুদণ্ডাদেশ প্রাপ্ত জঙ্গি রিপনের সাথে শেষ সাক্ষাৎ করতে দুটি মাইক্রোবাস ও একটি সিএনজি অটোরিকশায় সিলেট কেন্দ্রিয় কারাগারে আসেন তার পরিবারের ২৫ সদস্য। তারমধ্যে বাবা মো. ইউসুফ, মা আজিজুন্নেছা, ভাই নাজমুল ইসলাম ও তার স্ত্রী ছিলেন বলে কারা সূত্র জানিয়েছে। রিপনের সাথে শেষ সাক্ষাৎ করে রাত ৮টা ২৫ মিনিটে তারা বেরিয়ে আসেন।

বুধবার রাত ১০টা ১ মিনিটে রিপনের ফাঁসি কার্যকর করা হয় বলে সাংবাদিকদের জানান সিলেট কেন্দ্রীয় কারাগারের সিনিয়র জেল সুপার মো. ছগির মিয়া। ফাঁসির দণ্ডাদেশ পাওয়া অপর দুই জঙ্গি হরকাতুল জিহাদের প্রধান মুফতি আবদুল হান্নান ও তার সহযোগী শরীফ সাহেদুল আলম ওরফে বিপুলের ফাঁসিও একই সময়ে গাজীপুরের কাশিমপুর কারাগারে কার্যকর করা হয়।
সিলেটে ২০০৪ সালে তৎকালীন ব্রিটিশ হাইকমিশনার আনোয়ার চৌধুরীর ওপর গ্রেনেড হামলা ও তিনজন নিহত হওয়ার মামলায় মুফতি হান্নান এবং তার সহযোগী বিপুল ও দেলোয়ার হোসেন ওরফে রিপনকে মৃত্যুদণ্ড দেন বিচারিক আদালত। হাইকোর্ট ও আপিল বিভাগেও তা বহাল থাকে। রায় পুনর্বিবেচনা চেয়ে (রিভিউ) তিনজনের করা আবেদন খারিজ হয়। গত ২৭ মার্চ তিনজনই প্রাণভিক্ষা চেয়ে কারা কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে রাষ্ট্রপতির কাছে আবেদন করেন। রোববার স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান বলেন, তাঁদের প্রাণভিক্ষার আবেদন রাষ্ট্রপতি নাকচ করেছেন। তিনজনের প্রাণভিক্ষার আবেদন নাকচ হওয়ার পর কারাবিধি অনুযায়ী তাদের ফাঁসি কার্যকর করতে পরবর্তী পদক্ষেপ নেয় কারা কর্তৃপক্ষ।

Share





Related News

Comments are Closed