Main Menu

কুলাউড়ায় জঙ্গি রিপনের দাফন সম্পন্ন

বৈশাখী নিউজ ২৪ ডটকম: মৌলভীবাজারের কুলাউড়া উপজেলার ব্রাহ্মণবাজার ইউনিয়নের কোনাগাঁও শাহী ঈদগাঁহ ময়দানে বুধবার (১২ এপ্রিল) দিবাগত রাত দেড়টার দিকে জঙ্গি দেলোয়ার হোসেন রিপনের নামাজে জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। জানাজা পড়ান কোনাগাঁও জামে মসজিদের ইমাম মো. ইব্রাহিম আলী। জানাজা শেষে পারিবারিক কবরস্থানে তাকে দাফন করা হয়।
বুধবার রাত ১০টায় সিলেট কেন্দ্রীয় কারাগারে তার ফাঁসি কার্যকরের পর ১০টা ৩৯ মিনিটে পুলিশের দু’টি গাড়ি ও তার মরদেহবাহী অ্যাম্বুলেন্স গ্রামের বাড়ির উদ্দেশে রওনা দেয়। রাত ১২টা ১৫ মিনিটে রিপনের মরদেহবাহী অ্যাম্বুলেন্স ও আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর দু’টি গাড়ি তার বাড়িতে পৌঁছে।
এর আগে বুধবার সন্ধ্যার দিকে মৃত্যুদণ্ডাদেশ প্রাপ্ত জঙ্গি রিপনের সাথে শেষ সাক্ষাৎ করতে দুটি মাইক্রোবাস ও একটি সিএনজি অটোরিকশায় সিলেট কেন্দ্রিয় কারাগারে আসেন তার পরিবারের ২৫ সদস্য। তারমধ্যে বাবা মো. ইউসুফ, মা আজিজুন্নেছা, ভাই নাজমুল ইসলাম ও তার স্ত্রী ছিলেন বলে কারা সূত্র জানিয়েছে। রিপনের সাথে শেষ সাক্ষাৎ করে রাত ৮টা ২৫ মিনিটে তারা বেরিয়ে আসেন।
বুধবার রাত ১০টা ১ মিনিটে রিপনের ফাঁসি কার্যকর করা হয় বলে সাংবাদিকদের জানান সিলেট কেন্দ্রীয় কারাগারের সিনিয়র জেল সুপার মো. ছগির মিয়া।

সিলেট কেন্দ্রীয় কারাগারের জ্যেষ্ঠ জেল সুপার ছগির মিয়া জানান, কারাগারেই ময়নাতদন্ত শেষে রিপনের লাশ লাশ তার গ্রামের বাড়ি মৌলভীবাজারের কুলাউড়া উপজেলার ব্রাহ্মণবাজার ইউনিয়নের কোনাগাঁওয়ের উদ্দেশ্যে রওয়ানা হয়। রাত ১২টা ২০ মিনিটে লাশ বাড়িতে পৌঁছানোর কোনাগাঁও জামে মসজিদ সংলগ্ন ঈদগাঁও মাঠে তার জানাজা হয় বলে কুলাউড়ার ওসি শামসুদোহা জানান। তিনি বলেন, জানাজার পর প্রশাসনে উদ্যোগে ঈদগাঁ মাঠের পাশেই খোঁড়া কবরে রাত দেড়টার দিকে রিপনকে দাফন করা হয়।
সিলেটে ২০০৪ সালে তৎকালীন ব্রিটিশ হাইকমিশনার আনোয়ার চৌধুরীর ওপর গ্রেনেড হামলা ও তিনজন নিহত হওয়ার মামলায় মুফতি হান্নান এবং তার সহযোগী বিপুল ও দেলোয়ার হোসেন ওরফে রিপনকে মৃত্যুদণ্ড দেন বিচারিক আদালত। হাইকোর্ট ও আপিল বিভাগেও তা বহাল থাকে। রায় পুনর্বিবেচনা চেয়ে (রিভিউ) তিনজনের করা আবেদন খারিজ হয়। গত ২৭ মার্চ তিনজনই প্রাণভিক্ষা চেয়ে কারা কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে রাষ্ট্রপতির কাছে আবেদন করেন। রোববার স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান বলেন, তাঁদের প্রাণভিক্ষার আবেদন রাষ্ট্রপতি নাকচ করেছেন। তিনজনের প্রাণভিক্ষার আবেদন নাকচ হওয়ার পর কারাবিধি অনুযায়ী তাদের ফাঁসি কার্যকর করতে পরবর্তী পদক্ষেপ নেয় কারা কর্তৃপক্ষ।

Share





Related News

Comments are Closed