Main Menu

আবারো মেয়রের দায়িত্ব নিলেন আরিফুল হক

বৈশাখী নিউজ ২৪ ডটকম: রাষ্ট্রপক্ষের আবেদন স্থগিত করার পর বৃহস্পতিবার বিকেল ৩টায় নগর ভবন কার্যালয়ে আসেন মেয়র আরিফুল হক চৌধুরী। এ সময় তাকে আবারো ফুলের শুভেচ্ছা দিয়ে বরন করে নেয় সিলেট সিটি করপোরেশনের কাউন্সিলর ও কর্মকর্তারা।
এসময় তিনি সাংবাদিকদের বলেন, আমার বিরুদ্ধে যে অবিচার করা হয়েছিল, সেই অবিচারের বিচার আমি পেয়েছি। দেশের সর্বোচ্চ আদালতের নির্দেশে আজ আমি মেয়রের চেয়ারে ফিরলাম।’
তিনি আরও বলেন, সিলেটবাসীকে উন্নয়ন থেকে বঞ্চিত করার জন্য আমাকে বার বার হেনেস্তা করা হচ্ছে। বিপুল ভোটে নির্বাচিত হওয়াতেই আমার জীবনে কালো অধ্যায় নেমে এসেছে।
তিনি জানান, নির্বাচিত হওয়ার পর আমাকে দুটি স্পর্শকাতর মামলায় ফাঁসানো হয়েছে। কেড়ে নেয়া হয়েছে নগরবাসীর সেবা করার ২৭টি মাস। গণরায় যারা মানতে পারেনি তারাই নগর ভবনে ছোবল মারছে বার বার।
বৃহস্পতিবার (৬ এপ্রিল) চেম্বার বিচারপতি সৈয়দ মাহমুদ হোসেন রাষ্ট্রপক্ষের করা আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে বিষয়টি কার্যতালিকা থেকে বাদ দেন। এর ফলে মেয়র হিসেবে আরিফুলের স্বপদে ফিরতে আইনগত কোনো বাধা রইল না।
এর আগে দীর্ঘ ২৭ মাস সাময়িক বরখাস্ত থাকার পর গত ২ এপ্রিল রোববার দায়িত্ব নেওয়ার তিন ঘণ্টার মধ্যে প্রয়াত সুরঞ্জিত সেনগুপ্ত হত্যাচেষ্টার মামলার চার্জশিটে নাম থাকায় ফের সাময়িক বরখাস্ত হন সিলেট সিটি করপোরেশনের (এসসিসি) মেয়র আরিফুল হক চৌধুরী। স্থানীয় সরকার বিভাগের দেওয়া সাময়িক বরখাস্তের আদেশকে চ্যালেঞ্জ করে আরিফুল হক চৌধুরীর রিট আবেদন করলে ৩ এপ্রিল সোমবার বরখাস্তের সে আদেশকে স্থগিত করেন হাইকোর্ট। বুধবার সে স্থগিতাদেশের বিপক্ষে আপিল করে রাষ্ট্রপক্ষ।
উল্লেখ্য, ২০০৫ সালের ২৭ জানুয়ারি হবিগঞ্জের বৈদ্যের বাজারে স্থানীয় আওয়ামী লীগ আয়োজিত জনসভায় দুর্বৃত্তদের গ্রেনেড হামলায় নিহত হন সাবেক অর্থমন্ত্রী শাহ এ এম এস কিবরিয়া। ওই হত্যাকাণ্ডের প্রায় ১০ বছর পর তৃতীয় সম্পূরক চার্জশিটে বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য ও সিসিক মেয়র আরিফুর হক চৌধুরীকে আসামি করা হয়।
২০১৪ সালের ২১ ডিসেম্বর কিবরিয়া হত্যা মামলার চার্জশিট আদালতে গৃহীত হলে ২৮ ডিসেম্বর আদালতে আত্মসমর্পণ করেন তিনি। আদালত মেয়র আরিফুলের জামিন নামঞ্জুর করে তাঁকে কারাগারে প্রেরণের নির্দেশ দেন। ২০১৫ সালের ৭ জানুয়ারী স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের স্থানীয় সরকার বিভাগ এক আদেশে মেয়র আরিফুল হক চৌধুরীকে সাময়িক বরখাস্থ করে। এরপর কারাগারে থাকা অবস্থায় ২০০৪ সালের ২১ জুন সুনামগঞ্জে সুরঞ্জিত সেনগুপ্তের জনসভায় বোমা হামলার ঘটনার দীর্ঘ প্রায় ১২ বছর পর মেয়র আরিফকে শ্যোন এরেস্ট দেখানো হয়।

 

 

 

Share





Related News

Comments are Closed