Main Menu

রাজন হত্যায় আপিলের রায় ১১ এপ্রিল

Manual3 Ad Code

বৈশাখী নিউজ ডেস্ক : সিলেটের চাঞ্চল্যকর সামিউল আলম রাজন হত্যা মামলার মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামিদের করা আপিল ও ডেথ রেফারেন্সের শুনানি শেষ হয়েছে। এ বিষয়ে আগামী ১১ এপ্রিল রায় ঘোষণা করবেন হাইকোর্ট।

রোববার বিচারপতি জাহাঙ্গীর হোসেন ও বিচারপতি মো. জাহাঙ্গীর হোসেনের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ উভয়পক্ষের শুনানি শেষে মামলাটির রায়ের জন্য এ দিন ঠিক করেন।

Manual3 Ad Code

আদালতে রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল জহিরুল হক জহির ও সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেল আতিকুল হক সেলিম।

Manual8 Ad Code

গত ৩০ জানুয়ারি রাজন হত্যা মামলার আপিল ও ডেথ রেফারেন্সের শুনানি শুরু হয়। গত বছরের ১০ নভেম্বর রাজন হত্যা মামলার ডেথ রেফারেন্স হাইকোর্টে এসে পৌঁছে। পরে প্রধান বিচারপতির নির্দেশে অগ্রাধিকার ভিত্তিতে পেপারবুক প্রস্তুত করা হয়।

সাধাণত মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামিদের ফাঁসির রায় কার্যকরের আগে হাইকোর্টের অনুমতির প্রয়োজন হয়। যা ডেথ রেফারেন্স নামে পরিচিত। ডেথ রেফারেন্সের পাশাপাশি বিচারিক আদালতের ফাঁসির রায়ের বিরুদ্ধে আসামিরা আপিল দায়ের করেন।

Manual5 Ad Code

২০১৫ সালের ৮ নভেম্বর রাজন হত্যা মমালায় আসামি কামরুলসহ চারজনকে ফাঁসির আদেশ দেন আদালত।

উল্লেখ্য, ২০১৫ সালের ৮ জুলাই সিলেট সদর উপজেলার কুমারগাঁও বাসস্ট্যান্ড সংলগ্ন শেখপাড়ায় চুরির অভিযোগ তুলে এসএমপির জালালাবাদ থানা এলাকার বাদেয়ালি গ্রামের ১৩ বছরের শিশু রাজনকে পিটিয়ে নির্মমভাবে হত্যা করা হয়। হত্যাকারীরা এ ঘটনা মোবাইলে ভিডিও করে তা ইন্টারনেটে প্রকাশ করে। পরে এ হত্যার ভিডিও ইন্টারনেটে ছড়িয়ে পড়লে দেশব্যাপী তোলপাড় ও ক্ষোভের সৃষ্টি হয়।
এ ঘটনায় পুলিশ বাদী হয়ে জালালাবাদ থানায় মামলা করে। ঘটনার দেড় মাসের মধ্যে তদন্ত শেষ করে ১৬ অগাস্ট ১৩ জনকে আসামি করে আদালতে অভিযোগপত্র দেয়া হয়।

হত্যার পরপরই ১০ জুলাই সৌদি আরব পালিয়ে যান মূল অভিযুক্ত কামরুল। সেখানেই আটক করা হয় তাকে। ১৫ অক্টোবর তাকে দেশে ফিরিয়ে এনে পরদিন আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়। ৮ নভেম্বর রায়ে শিশু রাজন হত্যার মূল হোতা কামরুল ইসলামসহ চারজনের ফাঁসির আদেশ দিয়েছে আদালত। এ ছাড়া রায়ে একজনকে যাবজ্জীবন, কামরুলের তিন ভাইকে সাত বছর এবং অন্য দুজনকে এক বছর করে কারাদন্ড ও অর্থদন্ড করা হয়েছে। এছাড়া তিনজনকে খালাস দেয়া হয়।

Manual1 Ad Code

দ্রুত মামলা নিষ্পত্তিতে এটি বিচারের ইতিহাসে একটি নজির হিসেবে উল্লেখে থাকবে বলে মনে করেন আইন সংশ্লিষ্টরা।

Share





Related News

Comments are Closed

Manual1 Ad Code
Manual4 Ad Code