Main Menu

রোগ ও অকাল মৃত্যু থেকে টেংরাবাসীকে বাঁচানোর আহবান

বৈশাখী নিউজ ২৪ ডটকম: টেংরাটিলা দাবী আদায় সংগ্রাম পরিষদ সিলেট’র উদ্যোগে শুক্রবার (৬ জানুয়ারী) নগরীর শাহী ঈদগাহে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
টেংরাটিলা দাবী আদায় সংগ্রাম পরিষদ সিলেটের আহবায়ক নুরুল আমীন’র সভাপতিত্বে ও যুগ্ম আহবায়ক আলমগীর হোসের পরিচালনায় বক্তব্য রাখেন শ্রী অনিল দত্ত, ইছাক মিয়া, শেখ কামাল মিয়া, রফিকুল ইসলাম, আব্দুল আহাদ এলিছ, আব্দুল করিম বাবলু, আমির আলী, মির্জা আলমগীর, সৈয়দ আব্দুল হালিম, রিপন হাওলাদার প্রমুখ।
সভাপতির বক্তব্যে নুরুল আমীন বলেন, আজ ১১ বছর পর উপলব্ধি করতে পারছি টেংরাটিলার সকল মানুষ আজ অসুস্থ। তাই আমাদের দাবী নাইকোর কাছ থেকে দ্রæত সময়ে ক্ষতিপূরণ আদায় করা, টেংরাটিলা গ্যাস ক্ষেত্রকে পেট্রোবাংলার অধীনে সচল করা, দ্রæততম সময়ের মধ্যে উদ্বৃত গ্যাসের সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে পরিবেশ ও রোগ এবং অকাল মৃত্যু থেকে টেংরার মানুষকে বাঁচানোর আহবান জানান তিনি।
আলোচনা সভায় বক্তারা বলেন, বিগত ২০০৫ সালে ৭ জানুয়ারী ও ২৪ জুন টেংরা টিলায় অগ্নিকান্ডের ঘটনা ঘঠে। এই ২ দিন টেংরাটিলা ট্রেজেডির দিন। কেনাডিয়ান কোম্পানী নাইকোর চরম অদক্ষতা ও বে-পরোয়ার কারণে গ্যাস ভান্ডার বলে চিহ্নিত টেংরাটিলায় দুই দফা অগ্নিকান্ডের ঘটনা ঘটে।
এই অগ্নিকান্ডে টেংরাটিলা, আজবপুর, খইয়াজুরী, শান্তিপূর ও গিরিশনগরে ৬১৬টি পরিবার ক্ষতিগ্রস্থ হয়। ৫টি গ্রাম গ্যাস কূপের চতুর্দিকে এক বর্গ কিলোমিটার এলাকায় অবস্থিত।
সরকার কর্তৃক নির্ণীত দুই দফা অগ্নিকান্ডে রাষ্ট্রীয় ও টেংরাটিলার পরিবেশের ক্ষতি পূরণ না দিয়ে অগ্নিকান্ডের সময় নাইকোর ক্ষতির টাকা সিঙ্গাপুরের একটি বীমা কোম্পানী থেকে আদায় করে রহস্যজনক ভাবে সরকার ও জনগণকে বৃদ্ধা আঙ্গুল দেখিয়ে টেংরাটিলা থেকে কার্যক্রম গুটিয়ে নেয় নাইকো।
টেংরাটিলায় বর্ষার মৌসুমে দৃশ্যমান হয় এলাকার রূপ, এক বর্গ কিলোমিটারে জুড়ে বুদবুদ আর শুষ্ক মৌসুমে চলে গ্যাস নির্গিত দূষিত বিকট গন্ধ। পরিবেশ নষ্ট হচ্ছে ফলে মানুষের স্বাভাবিক জীবন যাত্রা ব্যাহত হচ্ছে। সুস্থ সবল মানুষ গুলো ধীরে ধীরে অসুস্থ হয়ে পড়ছে। শিশু থেকে বয়স্ক মানুষের অকাল মৃত্যু বরণের মাত্রা উল্লেখ যোগ্য।

Share





Related News

Comments are Closed