Main Menu

সিলেটে ছাত্রলীগ-ছাত্রদল সংঘর্ষ, পাল্টাপাল্টি বক্তব্য

বৈশাখী নিউজ ২৪ ডটকম: সিলেট নগরীর রিকাবীবাজারে বুধবার বিকেল ও রাতে ছাত্রলীগ ও ছাত্রদলের মধ্যে সংঘর্ষ ও ফার্মেসী ভাংচুরের ঘটনায় উভয় পক্ষের পরস্পর বিরোধি বক্তব্য পাওয়া গেছে।
সিলেট মহানগর ছাত্রদলের সহ সভাপতি কায়সার মাহমুদ সুমন অভিযোগ করেন, চাঁদা না পেয়ে যুবলীগের নেতা পীযুষ কান্তি দে ছাত্রলীগ নেতাকর্মীদের নিয়ে এ ঘটনা ঘটিয়েছেন।
তবে যুবলীগ নেতা পীযুষ এ সকল অভিযোগ অস্বীকার করে কাউসার মাহমুদ সুমনের বিরুদ্ধে তার গ্রুপের ছেলেদের মারধরের পাল্টা অভিযোগ করেন।
কায়সার মাহমুদ সুমন জানান, পীযুষ ও তার লোকজন দীর্ঘদিন ধরে চাঁদা দাবী করে আসছিলেন। বুধবার বিকেলে পীযুষ ছাত্রলীগের ছেলেদের নিয়ে তার ডি নোভো ফার্মেসীতে ভাংচুর ও লুটতরাজ চালান, সুমনকে তারা ফার্মেসী থেকে তুলে নিয়ে মারধর করে সাদা কাগজে দস্তখত রেখে ছেড়ে দেয় বলেও তিনি অভিযোগ করেন। পীযুষের লোকজন বুধবার রাত ৮টার দিকে পুনরায় ফার্মেসীতে হামলা চালায় এবং পার্শ্ববর্তী ল্যাব ডি নোভো ডায়াগনস্টিক সেন্টারে ভাংচুর করে ও ককটেল ফাটিয়ে ত্রাস সৃষ্টি করে। স্থানীয় লোকজন ককটেল বিষ্ফোরণের শব্দ পেয়েছেন বলে জানিয়েছেন।
যোগাযোগ করা হলে যুবলীগ নেতা পীযুষ কান্তি দে সংবাদ মাধ্যমকে জানান, তিনি হবিগঞ্জে অবস্থান করছেন। অনিক ও জায়েদ নামে দু’জন ছাত্রলীগ কর্মী বুধবার দুপুরে স্টেডিয়াম এলাকায় গেলে কাউসার মাহমুদ সুমন তাদের মারধর করে বলে পাল্টা অভিযোগ করেন।
ছাত্রলীগ কর্মী অনিক দাস জানান, সুমনের লোকজনের হামলায় জায়েদ গুরুতর আহত হয়েছে। তার শরীরের বিভিন্ন স্থানে ১৬টি সেলাই দিতে হয়েছে। খবর পেয়ে ক্ষুব্ধ ছাত্রলীগ কর্মীরা ফার্মেসীতে হামলা করতে গেলে পুলিশ ও স্থানীয় লোকজনের বাধায় তারা ফিরে আসে। এ সময় ভুলবশতঃ পার্শ্ববর্তী ডায়াগনস্টিক সেন্টারে কেউ টিল মারতে পারে বলে তিনি উল্লেখ করেন। ছাত্রলীগ কর্মীদের ওপর হামলার ঘটনায় কাউসার মাহমুদ সুমনকে প্রধান আসামী করে ১৭ জনের বিরুদ্ধে মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে বলেও জানান তিনি।

Share





Related News

Comments are Closed