Main Menu

সিলেট বৌদ্ধ বিহারে প্রবারণা পূর্নিমা অনুষ্ঠিত

বৈশাখী নিউজ ২৪ ডটকম: আমি ঘুরিয়া ঘুরিয়া সন্ধানো করিয়া স্বপ্নেরও পাখি ধরতে চাই, আমি স্বপ্নেরও কথা বলতে চাই আমার অন্তরের কথা বলতে চাই… বিশ্ব বৌদ্ধ স¤প্রদায়ের অন্যতম শ্রেষ্ঠ ধর্মীয় উৎসব শুভ প্রবারণা পূর্ণিমা। পূজনীয় ভিক্ষুসংঘের ত্রৈমাসিক বর্ষাব্রত শেষে আসে এ প্রবারণা তীথি। প্রবারণা হলো আত্মশুদ্ধির অনুষ্ঠান, অশুভকে বর্জন করে সত্য ও সুন্দরকে বরণের অনুষ্ঠান। এ প্রবারণা পূর্ণিমার পরদিন থেকে দেশের প্রতি বিহারে বিহারে শুরু হবে পবিত্র কঠিন চীবর দানোৎসব। এছাড়া প্রভাতফেরি, ভিক্ষুসংঘের প্রাতঃরাশ, জাতীয় ও ধর্মীয় পতাকা উত্তোলন, ভিক্ষুসংঘের পিন্ডদান, শীল গ্রহণ ও প্রদীপপূজার মধ্য দিয়ে পালিত হয়। দিনের শেষে সন্ধ্যায় তীথির মূল আকর্ষণ পবিত্র ফানুস উড়ানো উৎসব এর মধ্যদিয়ে শেষ হয়। বাষারী পূর্ণিমা থেকে তিন মাস বর্ষাব্রত পালন করে আশিবনী পূর্ণিমায় পরিসমাপ্তি ঘটে। এই পূর্ণিমা তিথিতে বৌদ্ধ ভিক্ষুরা নিজ কৃত অপরাধ বা পাপ স্বীকার করে পরিশুদ্ধ হয়। ফলে এটি প্রবারনা পূর্ণিমা নামে খ্যাত। এই তিথিতে বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বীগণ আকাশে ফানুস বাতি উড়িয়ে পূজা করে। প্রচলিত আছে গৌতম বুদ্ধের চুল আকাশে ভাসমান, এই চুলের কাছাকাছি পৌছাতেই ফানুস বাতি উড়িয়ে পূজো করা হয়।
‘ফানুসের আলোয় দূর হোক সা¤প্রদায়িক অন্ধকার’ বৌদ্ধদের এমন ¯েøাগানে সারা দেশের ন্যায় ১৫ অক্টোবর শনিবার প্রবারণা পূর্ণিমা উপলক্ষে সিলেট বৌদ্ধ বিহারেও দিনব্যাপী বিভিন্ন কর্মসূচির মধ্যদিয়ে অনুষ্ঠিত হয়েছে প্রবারণা পূর্ণিমা অনুষ্ঠান। শুভ প্রবারনা পূর্ণিমা উপলক্ষে শনিবার সিলেট বৌদ্ধ বিহারে অনুষ্ঠিত হয়েছে বুদ্ধপূজা। অনুষ্ঠিত পূজায় ধর্মীয় ও জাতীয় পতাকা উত্তোলন, অষ্টশীল গ্রহণ, পঞ্চশীল গ্রহন, স্বধর্মালোচনা, প্রদীপ প্রজ্জ¦লন ও সন্ধ্যায় ফানুস উত্তোলনের মধ্যদিয়ে অনুষ্ঠানের সমাপনী হয়। দিনব্যাপী অনুষ্ঠানে সিলেট বৌদ্ধ সমিতির নেতৃবৃন্দ, জনপ্রতিনিধি সহ সরকারের উচ্চ পদস্থ কর্মকর্তাগন উপস্থিত ছিলেন। উল্লেখ্য আগামী ২১ অক্টোবর শুক্রবার ‘সিলেট বৌদ্ধ বিহারে কঠিন চীবর দান’ অনুষ্ঠিত হবে।

Share





Related News

Comments are Closed