Main Menu

রাগীব আলীর গ্রেফতারী পরোয়ানা বিশ্বনাথ থানায়

বিশ্বনাথ প্রতিনিধি: প্রতারনা ও জালিয়াতি মামলায় গ্রেফতার এড়াতে ছেলে, মেয়ে জামাতাসহ সিলেটের শিল্পপতি রাগীব আলী পালিয়ে বেড়াচ্ছেন। গত বুধবার সিলেটের চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট সাইফুজ্জামান হিরো তাদের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেন। রাতেই আদালতের নিদের্শেনা বিশ্বনাথ থানায় পৌছে। রাতেই পুলিশ সংশ্লিষ্ট অফিসারের কাছে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহনের জন্য গ্রেফতারি পরোয়ানা হস্তান্তর করে।
বিশ্বনাথ থানার ওসি আবদুল আদালতের নির্দেশনা প্রাপ্তির বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, আদালত থেকে গ্রেফতারি পরোয়ানা আমাদের কাছে এসে পৌছেছে। এখন আসামিদের গ্রেফতারের ব্যাপারে পদক্ষেপ শুরু হয়েছে। আদালত থেকে যাদের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করা হয়েছে তারা হলেন-শিল্পপতি রাগীব আলী, তার ছেলে আবদুল হাই, মেয়ে রেজিনা কাদির, জামাতা আবদুল কাদির, তারাপুর চা বাগানের সেবায়েত পংকজ কুমার গুপ্ত ও রাগীব আলীর নিকটআত্বীয় মৌলভী বাজারের রাজনগরের বাসিন্দা দেওয়ান মোস্তাক মজিদ। এদের মধ্যে তারাপুর চা বাগানের সেবায়েত পংকজ কুমার গুপ্তের বিরুদ্ধে জারি করা গ্রেফতারি পরোয়ানা সিলেট মেট্রোপলিটন পুলিশের বিমানবন্দর থানায় পৌছেছে বলে নিশ্চিত করেছেন ওসি মোশারফ হোসেন। তিনি বলেন, আদালতের নিদের্শনা অনুযায়ী গ্রেফতারের অভিযান শুরু হয়েছে।
প্রসঙ্গত, গত বুধবার সিলেট মহানগর মূখ্য বিচারিক হাকিম সাইফুজ্জামান হিরোর আদালতে মামলা দুটির শুনানির দিন ধার্য ছিলো। রাগীব আলীর আইনজীবিরা আসামীদের অসুস্থতার কারণ দেখিয়ে সময় চেয়ে আবেদন করলে রাষ্ট্রপক্ষের যুক্তিতর্কের ভিত্তিতে সময় আবেদন নামঞ্জুর করে রাগীব আলীসহ ৬ জনের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেন আদালত। এছাড়া ২৩ আগস্ট পরবর্তী চার্জ শুনানির দিন ধার্য করেন।
মামলার নথি সূত্রে জানা গেছে, ৪২২ দশমিক ৯৬ একর জায়গায় গড়ে ওঠা তারাপুর চা-বাগান পুরোটাই দেবোত্তর সম্পত্তি। ১৯৯০ সালে রাগীব আলী তার আত্মীয় দেওয়ান মোস্তাক মজিদকে ভূয়া সেবায়েত সাজিয়ে বাগানটির দখলে নেন।
চলতি বছরের ১৯ জানুয়ারি উচ্চ আদালত তারাপুর চা বাগানে অবৈধভাবে গড়ে ওঠা সব স্থাপনা ৬ মাসের মধ্যে সরিয়ে নেওয়ার নির্দেশ দেন। আদালতের নির্দেশে জেলা প্রশাসন গত ১৫ মে চা বাগানের বিভিন্ন স্থাপনা ছাড়া ৩২৩ একর ভূমি সেবায়েত পঙ্কজ কুমার গুপ্তকে বুঝিয়ে দেয়।

Share





Related News

Comments are Closed