Main Menu

সিলেট-তামাবিল মহাসড়কের বেহাল দশা

জৈন্তাপুর প্রতিনিধি: সিলেট-তামাবিল সড়কটি নামেই আঞ্চলিক মহাসড়ক। দেখলে মনে হবে গ্রামীণ কাদামাখা পথ। সড়কজুড়ে রয়েছে খানাখন্দ, কাদা-পানি।

এমনই বেহাল রুপ নিয়েছে সিলেট-তামাবিল সড়কটি। দীর্ঘদিনের সংস্কারহীনতার কারণে চলাচলের অনুপোযোগী হয়ে পড়েছে এই আঞ্চলিক মহাসড়ক। চলতি বর্ষা মৌসুমে টানা বৃষ্টির কারণে সড়কের বিভিন্ন স্থানে পানি জমে অনেকটা মরণফাঁদে পরিণত হয়েছে।

তামাবিল শুল্ক স্টেশন, জাফলং পর্যটন স্পট ও জাফলং পাথর কোয়ারির কারণে সিলেটের অন্যতম ব্যস্ততম সিলেট-তামাবিল সড়ক। প্রতিদিন পাথর-কয়লাবাহী ট্রাকসহ অসংখ্য যানবাহান এ সড়ক দিয়ে চলাচল করে। তবে দীর্ঘদিন ধরে ভাংচুরা অবস্থায় থাকলেও সড়কটি সংস্কারে তেমন কোনো উদ্যোগ নেই।

tamabilসড়কের গোয়াইনঘাট অঞ্চলের নলজুরি থেকে জাফলং পর্যন্ত এলাকার অবস্থা সবচেয়ে খারাপ। সড়কের সিংহভাগ জুড়েই রয়েছে খানাখন্দে ভরা। এ কারণে প্রতিদিনই ভোগান্তিতে পড়তে হচ্ছে যানবাহনের চালক ও যাত্রীদের। একটু বৃষ্টি হলে সড়কের খানাখন্দে জমে হাটু জল।

বর্ষা মৌসুমে সড়কটি কাদা জলে মিশে এমন অবস্থার সৃষ্টি হয়েছে যে যানবাহন নয়, জনসাধারণের চলাচলেও দায় হয়ে পড়েছে।

গত বছরের মাঝামাঝি সময়ে সরকারের পক্ষ থেকে সিলেট-তামাবিল মহা সড়কটিকে চার লেনে উন্নীত করার ঘোষনা দেয়া হয়। কিন্তু চার লেন দূরে থাক, এখন পর্যন্ত এই সড়কটি সংস্কারেরই কোন উদ্যোগ নেওয়া হয়নি।

সম্প্রতি স্থানীয় সংসদ সদস্য ইমরান আহমদ জাফলংয়ে এসে সড়কের এই বেহাল দশা দেখে যান। এসময় তাঁর গাড়িও আটকা পড়ে পানিতে তলিয়ে যাওয়া সড়কের গর্তে।

একটি সূত্রে জানা যায়, প্রায় ৪৭ লাখ ১২ হাজার ৯৯১ টাকা ব্যয়ে সিলেট-তামাবিল মহাসড়ক সংস্কারের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

tamabil2নলজুড়ি এলাকার বাসিন্দা রুবেল আহমদ বলেন, দীর্ঘ দিন যাবৎ এই খানা-খন্দে ভরা রাস্তাটি নিয়ে খুব ভোগান্তিতে আছি।

এ বিষয়ে গোয়াইনঘাট উপজেলা নির্বাহী প্রকৌশলী এ এইচ এম কামরুজ্জামান বলেন, ইতিমধ্যে রাস্তার সংস্কারকাজ শুরু হযেছে। বিশ্ব ব্যাংকের অর্থাযনে সালুটিকর-গোয়াইনঘাট ও রাধারনগর-গোয়াইনঘাট অংশে দ্রুত গতিতে কাজ চলছে। নির্দ্ধিষ্ট সময়ের মধ্যে রাস্তা সংস্কার কাজ শেষ করতে পারবো বলে আমরা আশাবাদি।

Share





Related News

Comments are Closed