Main Menu

মোগলাবাজারে কৃষকের গরু চুরি : দুই মাসেও উদ্ধার নেই

বিশেষ প্রতিনিধি: সিলেটের দক্ষিণ সুরমার মোগলাবাজারের কুচাই পশ্চিমভাগ নোয়াগাঁও গ্রামের প্রতিবন্ধী কৃষক আলা উদ্দিনের গোয়ালঘর থেকে চুরি যাওয়া গরু গুলো দুই মাসেও উদ্ধার করতে পারেনি পুলিশ। এমনকি এ ঘটনায় দায়ের করা মামলার প্রধান সন্দেহভাজন আসামিকেও আটক করা হয়নি। তবে পুলিশ বলছে, গরু গুলোর সন্ধান পেলেই উদ্ধার করে কৃষকের হাতে ফিরিয়ে দেওয়া হবে।
মামলার এজাহারে জানা গেছে, গত ৯ মে রাতে পশ্চিমভাগ গ্রামের প্রতিবন্ধী কৃষক আলা উদ্দিনের গোয়ালঘর থেকে দুটি গরু চুরি হয়। ঘটনার রাতে ওই গোয়ালঘরের পাশে ঘুরাফেরা করেছিলেন একই গ্রামের নিমার আলী (৫৫)। বাদির অভিযোগ, পূর্ব বিরোধের জের ধরে নিমার আলী এর আগ থেকেই তার বাড়িতে গাছ, টিউবওয়েলের মাথা ও রিকশা চুরি করিয়েছেন। ঘটনার রাতে গরু চুরি করে নিয়ে যাওয়ার সময় গ্রামের দুজন লোক অজ্ঞাত গরু চোরদের সঙ্গে তাকে দেখতে পেয়েছেন। চোরাই গরুর মূল্য ১ লাখ ২০ হাজার টাকা। এ ঘটনায় প্রতিবন্ধী আলাউদ্দিন বাদি হয়ে মোগলাবাজার থানায় একটি মামলা (নম্বর-১) দায়ের করেছেন। কিন্তু ঘটনার দুই মাস পেরিয়ে গেলেও গরু উদ্ধার করেনি পুলিশ।
পশ্চিমভাগ গ্রামের বাসিন্দা জইদর মিয়া জানান, তিনি নিমার আলী ও অজ্ঞাত ৬/৭ জনকে দেখেছেন গরু চুরি করে নিয়ে যেতে।
মামলার তদন্ত কর্মকর্তা মোগলাবাজার থানার উপপরিদর্শক (এসআই) পলাশ চৌধুরী দিপন বলেন, গরুর সন্ধান দিলে গরু উদ্ধার করে কৃষককে ফিরিয়ে দেওয়া হবে। আর গরু চোর নিমার আলীকে গ্রামে পাওয়া যাচ্ছে না।
মোগলাবাজার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) খায়রুল ফজল জানান, গরু চোর ও মামলার বাদি দুজনই একই গ্রামের। তাই একটু খতিয়ে দেখে ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।
এসএমপির অতিরিক্ত উপ পুলিশ কমিশনার রোকন উদ্দিন সাংবাদিকদের জানান, গরু উদ্ধারের বিষয়টি দেখা হবে। তবে, ঘটনাটি গ্রামের দুই মানুষের মধ্যে। তাই তাদের নিজেদের মধ্যে আপোষ-মীমাংসা হয় কি না, এটার অপেক্ষায় রয়েছে পুলিশ।

Share





Related News

Comments are Closed