Main Menu

বিএনপি সব সময় নির্বাচনের জন্য প্রস্তুত : ফখরুল

Manual6 Ad Code

বৈশাখী নিউজ ডেস্ক : বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, নির্বাচনের জন্য বিএনপির আলাদা প্রস্তুতি লাগে না। বিএনপি সব সময় দলগত ও সাংগঠনিকভাবে নির্বাচনের জন্য প্রস্তুত। তবে সে নির্বাচন অবশ্যই নির্দলীয়, নিরপেক্ষ সরকারের অধীনে হতে হবে।

আজ শুক্রবার নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে মির্জা ফখরুল এসব কথা বলেন। দলের নতুন কমিটিতে জায়গা পাওয়া যুগ্ম মহাসচিব, সাংগঠনিক ও সহসাংগঠনিক সম্পাদকদের সঙ্গে বৈঠকের পর সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন তিনি। গত ১৯ মার্চ বিএনপির ষষ্ঠ জাতীয় কাউন্সিলের পর তিন ধাপে এখন পর্যন্ত মোট ৪২ জন নেতার নাম ঘোষণা করা হয়েছে। এটি ছিল তাঁদের প্রথম আনুষ্ঠানিক বৈঠক।

Manual1 Ad Code

বৈঠক শেষে মির্জা ফখরুল বলেন, দেশের চলমান রাজনৈতিক পরিস্থিতি ও দলের সাংগঠনিক কর্মকাণ্ড বেগবান করা নিয়ে আলোচনা হয়েছে। ভবিষ্যতের আন্দোলন ঘিরে দলকে আরও শক্তিশালী করা এবং গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের আন্দোলনে বিএনপি যে নেতৃত্ব দেবে, সংগঠনকে সেভাবে গড়ে তোলার শপথ নেওয়া হয়েছে। ফখরুল অভিযোগ করেন, ক্ষমতাসীনেরা একদলীয় শাসনব্যবস্থা প্রবর্তন করার জন্য বিরোধী দলের ওপর দমন–পীড়নের মাধ্যমে গণতন্ত্রের সব স্তম্ভ ভেঙে দিয়েছে। দেশে একটি স্বৈরতান্ত্রিক অবস্থার সৃষ্টি করেছে। দেশকে এখান থেকে বের করে আনার জন্য নির্দলীয় নিরপেক্ষ সরকারের অধীনে সত্যিকার অর্থে সবার অংশগ্রহণে অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচনের কোনো বিকল্প নেই।
বৈঠকে বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী, যুগ্ম মহাসচিব মজিবর রহমান সরোয়ার, সৈয়দ মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল, খায়রুল কবির খোকন, হারুন-অর রশিদ; সাংগঠনিক সম্পাদক সৈয়দ এমরান সালেহ প্রিন্স, বিলকিস জাহান শিরিন প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

Manual8 Ad Code

বৈঠক সূত্র জানায়, বৈঠকে দলের মহাসচিব বলেছেন, বিএনপির নতুন কমিটিতে জায়গা পাওয়া নেতাদের যাঁরা একাধিক পদে আছেন, সংশোধিত গঠনতন্ত্র অনুযায়ী তাঁরা থাকতে পারবেন যেকোনো একটি পদে। কে কোন পদটিতে থাকতে চান, তা লিখিতভাবে দলকে জানাতে বলেছেন মির্জা ফখরুল।

Manual2 Ad Code

বৈঠক সূত্র জানায়, ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে মাঠপর্যায়ে বিএনপির নেতা-কর্মীরা প্রকাশ্যে এসেছেন, নেতা-কর্মীদের এই চাঙা ভাব কীভাবে ধরে রাখা যায়, তা নিয়ে বৈঠকে আলোচনা হয়েছে। এ ছাড়া নির্বাচন নিয়ে বিভিন্ন জায়গায় অভ্যন্তরীণ কোন্দলও তৈরি হয়েছে। অনেকে ‘বিদ্রোহী’ প্রার্থী হয়েছেন। তাঁদের মধ্যে দূরত্ব কমানোর কাজ কীভাবে করা যায়, সেটি নিয়েও আলোচনা হয়। এ ছাড়া ঈদুল ফিতরের পর সাংগঠনিক সম্পাদকদের সাংগঠনিক সফরে যেতে বলা হয়েছে। সফর শেষে নির্বাচন নিয়ে সাংগঠনিক সম্পাদকদের প্রতিবেদন দিতে বলা হয়েছে।

Share





Related News

Comments are Closed

Manual1 Ad Code
Manual5 Ad Code